বৃহস্পতিবার (২০ জুলাই) মৌলভীবাজারে দিনভর ছিল গরমের তীব্রতা। এরমধ্যে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে পড়ে জনজীবন। শুধুমাত্র শহরঞ্চল নয়, গ্রামাঞ্চলেও ঘণ্টার পর ঘণ্টা ছিল লোডশেডিংয়ের তীব্রতা। ফলে মানুষজন অতিষ্ঠ হয়ে ওঠেন। দফায় দফায় লোডশেডিংয়ের কারণে দুর্ভোগে পড়েছেন মৌলভীবাজারের জনসাধারণ। তীব্র গরমে অতিরিক্ত লোডশেডিংয়ে বাসাবাড়িতে থালা দুস্কর হয়েছে শহরের বাসাধারীদের। ভোগান্তি নেমেছে অফিস, আদালতে। […]
বৃহস্পতিবার (২০ জুলাই) মৌলভীবাজারে দিনভর ছিল গরমের তীব্রতা। এরমধ্যে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে পড়ে জনজীবন। শুধুমাত্র শহরঞ্চল নয়, গ্রামাঞ্চলেও ঘণ্টার পর ঘণ্টা ছিল লোডশেডিংয়ের তীব্রতা। ফলে মানুষজন অতিষ্ঠ হয়ে ওঠেন।
দফায় দফায় লোডশেডিংয়ের কারণে দুর্ভোগে পড়েছেন মৌলভীবাজারের জনসাধারণ। তীব্র গরমে অতিরিক্ত লোডশেডিংয়ে বাসাবাড়িতে থালা দুস্কর হয়েছে শহরের বাসাধারীদের। ভোগান্তি নেমেছে অফিস, আদালতে। বিশেষ করে বিদ্যুতহীনতায় দূর্ভোগে পড়েছেন শহরের ব্যবসায়ীরা।
মৌলভীবাজার শহরের এক ব্যবসায়ী জানান, শহরঞ্চলে এতটা লোডশেডিং আগে ছিলোনা। এক ঘন্টা কারেন্ট না থাকলে আমরা ব্যবসায়ীরা কয়েক হাজার টাকার লোকসান গুনতে হয়। আরেক ব্যবসায়ী জানান, কারেন্ট না থাকায় দিনভর বন্ধ হয়ে আছে ইলেক্ট্রনিক কাজগুলো। এতে করে মহাজনদের পাশাপাশি ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে কাস্টমারদেরও। এ ছাড়াও তীব্র গরমে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
বিউবো প্রকৌশলী আব্দুল কাদির জানান, কয়েকদিনের বৃষ্টিপাত শেষে হঠাৎ করে গরম পড়ায় বিদ্যুতের চাহিদা বেড়েছে। কম উৎপাদন ও সরবরাহের ঘাটতি থাকায় বিদ্যুৎ পরিস্থিতির এমন উদ্ভব হয়েছে।
| রবি | সোম | মঙ্গল | বুধ | বৃহ | শুক্র | শনি |
|---|---|---|---|---|---|---|
| ১ | ২ | ৩ | ৪ | |||
| ৫ | ৭ | ৮ | ৯ | ১০ | ১১ | |
| ১ | ১৩ | ৪ | ১৫ | ১৬ | ১ | ৮ |
| ১৯ | ২০ | ২১ | ২২ | ২৩ | ২৪ | ২৫ |
| ২৬ | ২৭ | ২ | ৯ | ৩০ | ||