ঢাকা , বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
আপডেট :
রাসেল ও সোহেল এর নেতৃত্বে সংযুক্ত আরব আমিরাত জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন পর্তুগালে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিজয় মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন বড়লেখায় দুর্বৃত্তদের হামলায় নিজ বাড়িতে দুই ভাই খুন মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে পর্তুগাল বিএনপির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বড়লেখা বিএনপির গ্রুপিং, কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপ ছাড়া সমাধান সম্ভব নয় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস পালন করেছে বাংলাদেশ দুতাবাস পর্তুগাল মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে পর্তুগাল বিএনপির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কাজা দো বাংলাদেশ’র উদ্যোগে পর্তুগালে মহান বিজয় দিবস উদযাপন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন পর্তুগালে নতুন বেতন বিপ্লব: মন্টিনিগ্রোর উচ্চাভিলাষী অর্থনৈতিক রূপরেখা তারেক রহমান হবেন বাংলাদেশের মাহাথির মোহাম্মদ :দেশের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়

রোগী, চিকিৎসক নিগ্রহ, হাসপাতাল ভাংচুর ও আমাদের সচেতনতা

ডা,সাঈদ এনাম
  • আপডেটের সময় : ১১:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ২৪৬ টাইম ভিউ

রোগী, চিকিৎসক নিগ্রহ, হাসপাতাল ভাংচুর ও আমাদের সচেতনতা…

আমরা অনেকেই মনে করি—ডাক্তার, হাসপাতাল আর ঔষধ মানেই রোগী অবশ্যই সুস্থ হয়ে উঠবে। আসলে এই ধারণা পুরোপুরি সঠিক নয়। রোগী সুস্থ হওয়া অনেক কিছুর ওপর নির্ভর করে—রোগের ধরন, জটিলতা, ভর্তি করতে দেরি হওয়া, কিংবা ভর্তির আগে কবিরাজ বা ভণ্ডদের দ্বারা রোগকে জটিল করে তোলা।

হাসপাতালে ভর্তি হবার পর সংশ্লিষ্ট বিভাগের তথ্যকেন্দ্র থেকে চিকিৎসা প্রক্রিয়া, রোগের জটিলতা ও সম্ভাবনা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়। এখানে সন্দেহ বা ভুল বোঝাবুঝির কোনো অবকাশ নেই।

তাছাড়া হাসপাতালে অযথা ভিড় করা রোগীর জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। এতে ইনফেকশন বেড়ে যায় এবং জটিলতা বাড়ে। বিদেশে হাসপাতালে সাধারণ আত্মীয়স্বজনের প্রবেশাধিকার সীমাবদ্ধ থাকে, কঠোরভাবে মানাও হয়—রোগীর ভালোর জন্যই। তাই যত বেশি ধৈর্য ধারণ করবেন, ততই তা কর্তৃপক্ষকে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে সহায়ক হবে।

মনে রাখতে হবে—চিকিৎসক, নার্স ও সহায়ক কর্মীরাও মানুষ। তাদের প্রতি সম্মান ও সহমর্মিতা দেখানো আমাদের দায়িত্ব।

পরিশেষে—সুস্থ করার মালিক একমাত্র আল্লাহ। চিকিৎসক, নার্স, হাসপাতাল বা ক্লিনিক কেবল একটি উসিলা বা মাধ্যম। রোগী যদি আল্লাহর ইচ্ছায় মৃত্যুবরণ করেন, তবে কখনোই চিকিৎসক বা নার্সকে হেয় করা কিংবা হাসপাতাল ভাঙচুর করা সঠিক কাজ নয়।

পবিত্র কোরআনে ইবরাহীম (আ.) আল্লাহর কাছে এভাবে প্রার্থনা করেছেন— “আমি যখন অসুস্থ হই, তখন তিনিই আমাকে আরোগ্য দান করেন।” (সুরা আশ-শু‘আরা, আয়াত ৮০)।

তাই আমাদের উচিত ধৈর্য, আস্থা ও সচেতনতা বজায় রাখা—এটাই একজন শিক্ষিত ও সভ্য নাগরিকের পরিচয়।

পোস্ট শেয়ার করুন

রোগী, চিকিৎসক নিগ্রহ, হাসপাতাল ভাংচুর ও আমাদের সচেতনতা

আপডেটের সময় : ১১:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

রোগী, চিকিৎসক নিগ্রহ, হাসপাতাল ভাংচুর ও আমাদের সচেতনতা…

আমরা অনেকেই মনে করি—ডাক্তার, হাসপাতাল আর ঔষধ মানেই রোগী অবশ্যই সুস্থ হয়ে উঠবে। আসলে এই ধারণা পুরোপুরি সঠিক নয়। রোগী সুস্থ হওয়া অনেক কিছুর ওপর নির্ভর করে—রোগের ধরন, জটিলতা, ভর্তি করতে দেরি হওয়া, কিংবা ভর্তির আগে কবিরাজ বা ভণ্ডদের দ্বারা রোগকে জটিল করে তোলা।

হাসপাতালে ভর্তি হবার পর সংশ্লিষ্ট বিভাগের তথ্যকেন্দ্র থেকে চিকিৎসা প্রক্রিয়া, রোগের জটিলতা ও সম্ভাবনা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়। এখানে সন্দেহ বা ভুল বোঝাবুঝির কোনো অবকাশ নেই।

তাছাড়া হাসপাতালে অযথা ভিড় করা রোগীর জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। এতে ইনফেকশন বেড়ে যায় এবং জটিলতা বাড়ে। বিদেশে হাসপাতালে সাধারণ আত্মীয়স্বজনের প্রবেশাধিকার সীমাবদ্ধ থাকে, কঠোরভাবে মানাও হয়—রোগীর ভালোর জন্যই। তাই যত বেশি ধৈর্য ধারণ করবেন, ততই তা কর্তৃপক্ষকে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে সহায়ক হবে।

মনে রাখতে হবে—চিকিৎসক, নার্স ও সহায়ক কর্মীরাও মানুষ। তাদের প্রতি সম্মান ও সহমর্মিতা দেখানো আমাদের দায়িত্ব।

পরিশেষে—সুস্থ করার মালিক একমাত্র আল্লাহ। চিকিৎসক, নার্স, হাসপাতাল বা ক্লিনিক কেবল একটি উসিলা বা মাধ্যম। রোগী যদি আল্লাহর ইচ্ছায় মৃত্যুবরণ করেন, তবে কখনোই চিকিৎসক বা নার্সকে হেয় করা কিংবা হাসপাতাল ভাঙচুর করা সঠিক কাজ নয়।

পবিত্র কোরআনে ইবরাহীম (আ.) আল্লাহর কাছে এভাবে প্রার্থনা করেছেন— “আমি যখন অসুস্থ হই, তখন তিনিই আমাকে আরোগ্য দান করেন।” (সুরা আশ-শু‘আরা, আয়াত ৮০)।

তাই আমাদের উচিত ধৈর্য, আস্থা ও সচেতনতা বজায় রাখা—এটাই একজন শিক্ষিত ও সভ্য নাগরিকের পরিচয়।