মৌলভীবাজার পাসপোর্ট অফিসে নমিতা দত্তের হয়রানির অভিযোগ,
- আপডেটের সময় : ০৭:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ নভেম্বর ২০২৫
- / ২৯০ টাইম ভিউ
মৌলভীবাজার পাসপোর্ট অফিসে নমিতা দত্তের হয়রানির অভিযোগ,
মৌলভীবাজার জেলা পাসপোর্ট অফিসে গ্রাহক হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। এ কার্যালয়ে নমিনা দত্তের অনিয়ম অসদাচরণ সংস্কৃতির নিয়ম হয়ে যাচ্ছে।
তাঁর বিভ্রান্তমুলক কথা বার্তা ভুক্তভোগী সেবাগ্রহীতাদের বিভ্রান্তী সৃষ্টি করে । এ নিয়ে প্রবাসী-অধ্যুষিত এ জেলাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।
সাংবাদিক কেনো তার অসদাচরণ বিডিও কেনো করছে তার ফোন কেড়ে নিয়ে এসো!
এভাবেই সাংবাদিকের ফোন কেড়ে আনতে আনসার সদস্যদের আদেশ দেন মৌলভীবাজার আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের অফিস সহকারী নমিতা দত্ত।
শুধু তাই নয়, পরিবার নিয়ে পাসপোর্ট করতে মহিলা ও শিশুদের সাথে নিয়মিত খারাপ আচরন করেন। তিনি ১২/১৩ কিশোরদের প্রশ্ন করে পেপারে ছাত্র/ছাত্রী লিখা নেই কেনে। স্কুল – কলেজে যাও না। তোমাদের নিজের হাতে ফরম ফিলাপ করো, তাও দমকের সুরে কথা বলে। আর যদি তা হয় মহিলা তাহলে তাঁর আচরন হয় ঘরের কাজের মহিলার সাথে কথা বলার মতো।
বৃহস্পতিবার ২০ নভেম্বর দুপুরে মৌলভীবাজার আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে এ ঘটনা ঘটে।
জানাযায় মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ৯নং আমতৈল ইউনিয়নের বাসিন্দা কৃষক জুমন মিয়া পাসপোর্ট করতে কাউন্টারে আসেন। তার পেশা কৃষি কাজকে ব্যাঙ্ক করে নমিতা দত্ত তাকে নোয়াখালী সম্মোধন করে তাচ্ছিল্যপূর্ণ আচরণ শুরু করেন। এতে দুজনের মধ্যে বাকবিতন্ডার সৃষ্ট হয়।
কুলাউড়া শহরের পৌরসভা থেকে একজন মহিলা তিনজন শিশু সহ পাসপোর্ট করতে আসলে তাদের সাথে খারাট ব্যাবহার করেন তিনি।
এ সময় ঘটনাস্থলে থাকা দৈনিক প্রতিদিন কাগজের মৌলভীবাজার প্রতিনিধি রাকিবুল ইসলাম রকি ঘটনাটির ভিডিও ধারণ শুরু করলে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন নমিতা দত্ত। পরে আনসার সদস্যদের ডেকে তার ফোন কেড়ে নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।
সাংবাদিকের উপর এমন হুমকি এবং গণমাধ্যমের কাজে হস্তক্ষেপ ফৌজদারি অপরাধের পর্যায়ে পরে বলে জানিয়েছেন জেলার একজন আইনজীবী।
তার মতে কারো ফোন কেড়ে নেওয়া বা ভিডিও ধারণে বাধা দেওয়ার চেষ্টা ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন ও অপরাধ দমন আইনের আওতায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
এ দিকে পাসপোর্ট জমা নেওয়ার কাউন্টারে দায়িত্বে থাকা নমিতা দত্তের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে সেবা নিতে আসা মানুষের সঙ্গে রুক্ষ আচরণ, অপমান জনক মন্তব্য এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন সহ নান দূর্ণীতির অভিযোগ রয়েছে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ সেবা নিতে প্রতিনিয়তই অযথা হয়রানি ও ভোগান্তির শিকার হন তারা।
কাউন্টারে দায়িত্ব পালন করলেও তার কাছ থেকে ন্যূনতম সহযোগিতামূলক আচরণ পর্যন্ত পাওয়া যায় না বলে অভিযোগ সেবা গ্রহীতাদের।
এ ঘটনার পর স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠছে জনগণের পাসপোর্ট সেবা যেখানে সেখানেকি ক্ষমতার অপব্যবহারই নিয়মে পরিণত হচ্ছে?
আর দোষীদের বিরুদ্ধে প্রকৃত ব্যবস্থা নিতে কর্তৃপক্ষ কতটা আন্তরিক তা এখন দেখার বিষয়।











