ঢাকা , বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
আপডেট :
রাসেল ও সোহেল এর নেতৃত্বে সংযুক্ত আরব আমিরাত জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন পর্তুগালে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিজয় মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন বড়লেখায় দুর্বৃত্তদের হামলায় নিজ বাড়িতে দুই ভাই খুন মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে পর্তুগাল বিএনপির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বড়লেখা বিএনপির গ্রুপিং, কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপ ছাড়া সমাধান সম্ভব নয় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস পালন করেছে বাংলাদেশ দুতাবাস পর্তুগাল মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে পর্তুগাল বিএনপির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কাজা দো বাংলাদেশ’র উদ্যোগে পর্তুগালে মহান বিজয় দিবস উদযাপন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন পর্তুগালে নতুন বেতন বিপ্লব: মন্টিনিগ্রোর উচ্চাভিলাষী অর্থনৈতিক রূপরেখা তারেক রহমান হবেন বাংলাদেশের মাহাথির মোহাম্মদ :দেশের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়

দেশে এবার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ চা উৎপাদনের রেকর্ড

দেশদিগন্ত নিউজ ডেস্ক:
  • আপডেটের সময় : ০৯:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ জানুয়ারী ২০১৯
  • / ১১৫১ টাইম ভিউ

দেশদিগন্ত নিউজ ডেস্ক:  দেশে সদ্য সমাপ্ত চা উৎপাদন মৌসুমে (২০১৮) দ্বিতীয় সর্বোচ্চ চা উৎপাদনের রেকর্ড হয়েছে। আবহাওয়া ও পরিবেশ অনুকূলে থাকায় এবার চা শিল্পের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ চা উৎপাদনের রেকর্ড হলো। গত ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত চা উৎপাদন মৌসুমে দেশে চা উৎপাদন হয়েছে ৮২.১৩ মিলিয়ন কেজি। এর আগে ২০১৬ সালে সকল রেকর্ড ভেঙে দেশের চা শিল্পের ১৬২ বছরের ইতিহাসে সর্বোচ্চ চা উৎপাদন হয়েছিল ৮৫.০৫ মিলিয়ন কেজি। বাংলাদেশ চা বোর্ড এবার (২০১৮) ৭২.৩ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল। তবে বছর শেষে অর্থাৎ গত ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত চা উৎপাদন মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৯৭ লাখ কেজি চা বেশী উৎপাদন হয়েছে।

চা বোর্ড সূত্র জানান, অনুকূল আবহাওয়া ও পরিবেশ, প্রয়োজনীয় বৃষ্টিপাত, সঠিক ও সুষম তাপমাত্রা, রেড স্পাইডারসহ পোকা-মাকড়ের আক্রমন তেমন না থাকা ও খরার কবলে না পড়ার কারণে এবার দেশে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ চা উৎপাদন হয়েছে।

চা বোর্ড সূত্র আরও জানায়, অনুকূল আবহাওয়া ছাড়াও চা জমির সম্প্রসারণ, আনুসাঙ্গিক সরঞ্জামাদির পর্যাপ্ততা, সময়মত সার ও কীটনাশক প্রাপ্তি, ক্লোন চা গাছের ব্যবহার বৃদ্ধি ও সর্বোপরি চা বোর্ডের নজরদারির কারণে এবার দেশে এই চা উৎপাদন হয়েছে।

বাংলাদেশ চা বোর্ডের উর্দ্ধতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও প্রকল্প পরিচালক (প গড়) ড. মোহাম্মদ শামীম আল মামুন জানান, উত্তরবঙ্গে ২০১৮ সালে প গড়, ঠাকুরগাঁও, নীলফামারী, দিনাজপুর ও লালমহিরহাট জেলায় চা আবাদি এলাকায় মোট চা উৎপাদন হয়েছে ৮৪.৬৭ লাখ কেজি। এখানে মোট চা আবাদি জমির পরিমাণ ৭৬৪৫ একর। নিবন্ধিত চা বাগান ৮ টি। চা চাষির সংখ্যা প্রায় ৪০০০ জন। নিবন্ধিত চা চাষি ৯৬৭ জন। চলমান চা কারখানা ১৩ টি।

পোস্ট শেয়ার করুন

দেশে এবার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ চা উৎপাদনের রেকর্ড

আপডেটের সময় : ০৯:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ জানুয়ারী ২০১৯

দেশদিগন্ত নিউজ ডেস্ক:  দেশে সদ্য সমাপ্ত চা উৎপাদন মৌসুমে (২০১৮) দ্বিতীয় সর্বোচ্চ চা উৎপাদনের রেকর্ড হয়েছে। আবহাওয়া ও পরিবেশ অনুকূলে থাকায় এবার চা শিল্পের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ চা উৎপাদনের রেকর্ড হলো। গত ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত চা উৎপাদন মৌসুমে দেশে চা উৎপাদন হয়েছে ৮২.১৩ মিলিয়ন কেজি। এর আগে ২০১৬ সালে সকল রেকর্ড ভেঙে দেশের চা শিল্পের ১৬২ বছরের ইতিহাসে সর্বোচ্চ চা উৎপাদন হয়েছিল ৮৫.০৫ মিলিয়ন কেজি। বাংলাদেশ চা বোর্ড এবার (২০১৮) ৭২.৩ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল। তবে বছর শেষে অর্থাৎ গত ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত চা উৎপাদন মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৯৭ লাখ কেজি চা বেশী উৎপাদন হয়েছে।

চা বোর্ড সূত্র জানান, অনুকূল আবহাওয়া ও পরিবেশ, প্রয়োজনীয় বৃষ্টিপাত, সঠিক ও সুষম তাপমাত্রা, রেড স্পাইডারসহ পোকা-মাকড়ের আক্রমন তেমন না থাকা ও খরার কবলে না পড়ার কারণে এবার দেশে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ চা উৎপাদন হয়েছে।

চা বোর্ড সূত্র আরও জানায়, অনুকূল আবহাওয়া ছাড়াও চা জমির সম্প্রসারণ, আনুসাঙ্গিক সরঞ্জামাদির পর্যাপ্ততা, সময়মত সার ও কীটনাশক প্রাপ্তি, ক্লোন চা গাছের ব্যবহার বৃদ্ধি ও সর্বোপরি চা বোর্ডের নজরদারির কারণে এবার দেশে এই চা উৎপাদন হয়েছে।

বাংলাদেশ চা বোর্ডের উর্দ্ধতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও প্রকল্প পরিচালক (প গড়) ড. মোহাম্মদ শামীম আল মামুন জানান, উত্তরবঙ্গে ২০১৮ সালে প গড়, ঠাকুরগাঁও, নীলফামারী, দিনাজপুর ও লালমহিরহাট জেলায় চা আবাদি এলাকায় মোট চা উৎপাদন হয়েছে ৮৪.৬৭ লাখ কেজি। এখানে মোট চা আবাদি জমির পরিমাণ ৭৬৪৫ একর। নিবন্ধিত চা বাগান ৮ টি। চা চাষির সংখ্যা প্রায় ৪০০০ জন। নিবন্ধিত চা চাষি ৯৬৭ জন। চলমান চা কারখানা ১৩ টি।