ঢাকা , বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
আপডেট :
রাসেল ও সোহেল এর নেতৃত্বে সংযুক্ত আরব আমিরাত জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন পর্তুগালে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিজয় মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন বড়লেখায় দুর্বৃত্তদের হামলায় নিজ বাড়িতে দুই ভাই খুন মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে পর্তুগাল বিএনপির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বড়লেখা বিএনপির গ্রুপিং, কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপ ছাড়া সমাধান সম্ভব নয় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস পালন করেছে বাংলাদেশ দুতাবাস পর্তুগাল মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে পর্তুগাল বিএনপির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কাজা দো বাংলাদেশ’র উদ্যোগে পর্তুগালে মহান বিজয় দিবস উদযাপন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন পর্তুগালে নতুন বেতন বিপ্লব: মন্টিনিগ্রোর উচ্চাভিলাষী অর্থনৈতিক রূপরেখা তারেক রহমান হবেন বাংলাদেশের মাহাথির মোহাম্মদ :দেশের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়

যাত্রা শুরু করল পঞ্চগড় এক্সপ্রেস

দেশদিগন্ত নিউজ ডেস্কঃ
  • আপডেটের সময় : ০৯:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ মে ২০১৯
  • / ৬৭৯ টাইম ভিউ

পঞ্চগড়-ঢাকা দেশের দীর্ঘতম রেলপথে চালু হলো স্বল্প বিরতির পঞ্চগড় এক্সপ্রেস। শনিবার সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বাঁশিতে ফুঁ দিয়ে ও পতাকা নেড়ে ট্রেনটির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এর পরেই পঞ্চগড় এক্সপ্রেস পঞ্চগড় বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম রেলওয়ে স্টেশন ছেড়ে যায়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পঞ্চগড় রেলওয়ে স্টেশনে উপস্থিত ছিলেন রেলপথ মন্ত্রী অ্যাড. নূরুল ইসলাম সুজন, পঞ্চগড়-১ আসনের সংসদ সদস্য মজাহারুল হক প্রধান, রেলওয়ের মহাপরিচালক রফিকুল ইসলাম, রংপুর বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ জয়নুল বারী, পুলিশের রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি দেবদাস ভট্টাচার্য, রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের মহা-ব্যবস্থাপক খোন্দকার শহিদুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক সাবিনা ইয়াসমিন, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আনোয়ার সাদাত সম্রাটসহ সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা।

ওই ট্রেনে রেলপথ মন্ত্রী অ্যাড. নূরুল ইসলাম সুজন ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন। পঞ্চগড় এক্সপ্রেস চালু হওয়ায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন পঞ্চগড়ের বিভিন্ন স্তরের মানুষ।

রেল কর্তৃপক্ষ জানায়, ঢাকা-পঞ্চগড় রেলপথে প্রথম বারের মতো দ্রুতগতির পঞ্চগড় এক্সপ্রেস ট্রেনটি ৫৯৩ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিবে ১০ ঘণ্টায়। ট্রেনটি প্রতিদিন ১ টা ১৫ মিনিটে পঞ্চগড় থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে গিয়ে রাত ১০ টায় ৩৫ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছাবে। আবার রাত ১২ টা ১০ মিনিটে ঢাকা থেকে ছেড়ে সকাল ৯ টা ৪০ মিনিটে পঞ্চগড় পৌঁছাবে। যাত্রাপথে ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, পাবর্তীপুর ও ঢাকা বিমানবন্দর স্টেশনে ট্রেনটি থামবে।

ঢাকা থেকে আসার পথেও এসব স্টেশনে থামবে। এই ট্রেনটিতে আধুনিক সুযোগ সুবিধা থাকলেও ভাড়া একতা ও দ্রুতযানের সমান রাখা হয়েছে। শোভন চেয়ার ৫৫০ টাকা, এসি চেয়ার ১ হাজার ৩৫ টাকা, এসি সিট ১২৬০ টাকা এবং এসি বার্থ ১৮৯২ টাকা। ট্রেনটির ৩০ শতাংশ আসন পঞ্চগড়ের জন্য, ৩০ শতাংশ দিনাজপুর, ২৫ শতাংশ ঠাকুরগাঁও এবং ১৫ শতাংশ পার্বতীপুরের জন্য নির্ধারিত থাকবে। সব মিলে ১২ টি কোচ নিয়ে প্রায় এক হাজার যাত্রী পরিবহণ করবে ট্রেনটি। ট্রেনটিতে ইন্দোনেশিয়া থেকে আনা আধুনিক সুবিধা সম্পন্ন কোচগুলো যুক্ত করা হয়েছে।

পোস্ট শেয়ার করুন

যাত্রা শুরু করল পঞ্চগড় এক্সপ্রেস

আপডেটের সময় : ০৯:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ মে ২০১৯

পঞ্চগড়-ঢাকা দেশের দীর্ঘতম রেলপথে চালু হলো স্বল্প বিরতির পঞ্চগড় এক্সপ্রেস। শনিবার সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বাঁশিতে ফুঁ দিয়ে ও পতাকা নেড়ে ট্রেনটির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এর পরেই পঞ্চগড় এক্সপ্রেস পঞ্চগড় বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম রেলওয়ে স্টেশন ছেড়ে যায়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পঞ্চগড় রেলওয়ে স্টেশনে উপস্থিত ছিলেন রেলপথ মন্ত্রী অ্যাড. নূরুল ইসলাম সুজন, পঞ্চগড়-১ আসনের সংসদ সদস্য মজাহারুল হক প্রধান, রেলওয়ের মহাপরিচালক রফিকুল ইসলাম, রংপুর বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ জয়নুল বারী, পুলিশের রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি দেবদাস ভট্টাচার্য, রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের মহা-ব্যবস্থাপক খোন্দকার শহিদুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক সাবিনা ইয়াসমিন, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আনোয়ার সাদাত সম্রাটসহ সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা।

ওই ট্রেনে রেলপথ মন্ত্রী অ্যাড. নূরুল ইসলাম সুজন ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন। পঞ্চগড় এক্সপ্রেস চালু হওয়ায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন পঞ্চগড়ের বিভিন্ন স্তরের মানুষ।

রেল কর্তৃপক্ষ জানায়, ঢাকা-পঞ্চগড় রেলপথে প্রথম বারের মতো দ্রুতগতির পঞ্চগড় এক্সপ্রেস ট্রেনটি ৫৯৩ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিবে ১০ ঘণ্টায়। ট্রেনটি প্রতিদিন ১ টা ১৫ মিনিটে পঞ্চগড় থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে গিয়ে রাত ১০ টায় ৩৫ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছাবে। আবার রাত ১২ টা ১০ মিনিটে ঢাকা থেকে ছেড়ে সকাল ৯ টা ৪০ মিনিটে পঞ্চগড় পৌঁছাবে। যাত্রাপথে ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, পাবর্তীপুর ও ঢাকা বিমানবন্দর স্টেশনে ট্রেনটি থামবে।

ঢাকা থেকে আসার পথেও এসব স্টেশনে থামবে। এই ট্রেনটিতে আধুনিক সুযোগ সুবিধা থাকলেও ভাড়া একতা ও দ্রুতযানের সমান রাখা হয়েছে। শোভন চেয়ার ৫৫০ টাকা, এসি চেয়ার ১ হাজার ৩৫ টাকা, এসি সিট ১২৬০ টাকা এবং এসি বার্থ ১৮৯২ টাকা। ট্রেনটির ৩০ শতাংশ আসন পঞ্চগড়ের জন্য, ৩০ শতাংশ দিনাজপুর, ২৫ শতাংশ ঠাকুরগাঁও এবং ১৫ শতাংশ পার্বতীপুরের জন্য নির্ধারিত থাকবে। সব মিলে ১২ টি কোচ নিয়ে প্রায় এক হাজার যাত্রী পরিবহণ করবে ট্রেনটি। ট্রেনটিতে ইন্দোনেশিয়া থেকে আনা আধুনিক সুবিধা সম্পন্ন কোচগুলো যুক্ত করা হয়েছে।