ঢাকা , বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
আপডেট :
রাসেল ও সোহেল এর নেতৃত্বে সংযুক্ত আরব আমিরাত জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন পর্তুগালে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিজয় মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন বড়লেখায় দুর্বৃত্তদের হামলায় নিজ বাড়িতে দুই ভাই খুন মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে পর্তুগাল বিএনপির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বড়লেখা বিএনপির গ্রুপিং, কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপ ছাড়া সমাধান সম্ভব নয় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস পালন করেছে বাংলাদেশ দুতাবাস পর্তুগাল মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে পর্তুগাল বিএনপির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কাজা দো বাংলাদেশ’র উদ্যোগে পর্তুগালে মহান বিজয় দিবস উদযাপন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন পর্তুগালে নতুন বেতন বিপ্লব: মন্টিনিগ্রোর উচ্চাভিলাষী অর্থনৈতিক রূপরেখা তারেক রহমান হবেন বাংলাদেশের মাহাথির মোহাম্মদ :দেশের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়

‘বেলা তুমি বিয়ে করে ফেলো, আমি সেশন জটে আটকে গেছি’

দেশদিগন্ত নিউজ ডেস্কঃ
  • আপডেটের সময় : ১১:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০১৯
  • / ৬৪১ টাইম ভিউ

‘বেলা তুমি বিয়ে করে ফেলো, আমি সেশন জটে আটকে গেছি’-ব্যতিক্রমী এই স্লোগান লেখা প্লেকার্ড নিয়ে সড়কে দাঁড়িয়েছেন এক শিক্ষার্থী।তার দাবি সেশন জটে আটকে পড়ায় তিনি শিক্ষাজীবন শেষ করতে পারছেন না।আর শিক্ষাজীবন শেষ করতে না পারায় তার মতো অনেকে চাকরি পাচ্ছেন না। বিয়ে করতে পারছেন না পছন্দের মানুষকে।

ব্যতিক্রমী এই প্লেকার্ড নিয়ে আসা প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলে সুজয় দাস যুগান্তরকে বলেন, অঞ্চন দত্তের বিখ্যাত ‘চাকরিটা আমি পেয়ে গেছি বেলা শুনছো / এখন আর কেউ আটকাতে পারবেনা’ গানটি আমার বেশ পছন্দ।গানের মূল উপজীব্য ছিল চাকরির জন্য নায়কের বিয়েটা আটকে ছিল।

তিনি বলেন, সেই গানের গল্পের মত সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের অবস্থা। আমরা যারা সাত কলেজে পড়াশোনা করছি তারা মূলত সেশন জটে আটকে গেছি। এখানে সময়মতো পরীক্ষা হয় না, পরীক্ষার পর ফল প্রকাশে বিলম্ব হয়। ফলে এখন আমাদের অনেককেই বলতে হচ্ছে, ‘বেলা তুমি বিয়ে করে ফেলো, আমি সেশন জটে আটকে গেছি।’

এর আগে মঙ্গলবার সকাল ১০টায় সাত দফা দাবিতে ঢাকা কলেজের সামনে থেকে মানববন্ধন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা, যা নীলক্ষেত ও সায়েন্স ল্যাবরেটরি পর্যন্ত ছাড়িয়ে যায়। এর পর সড়ক আটকিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকেন তারা।

এ সময় তারা সাত কলেজের নানা সমস্যা তুলে ধরে বিভিন্ন স্লোগান দেন। ‘গণহারে আর ফেল নয়, যথাযথ রেজাল্ট চাই’, ‘শিক্ষা কোনো পণ্য নয়, শিক্ষা নিয়ে ব্যবসা নয়’, ‘গণহারে ফেল, ঢাবি তোমার খেল’, ‘বন্ধ কর অনাচার, সাত কলেজের আবদার’, ‘নিচ্ছ টাকা দিচ্ছ বাঁশ, সময় শেষে সর্বনাশ’- এসব স্লোগান দেয়া হয় বিক্ষোভে।

পোস্ট শেয়ার করুন

‘বেলা তুমি বিয়ে করে ফেলো, আমি সেশন জটে আটকে গেছি’

আপডেটের সময় : ১১:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০১৯

‘বেলা তুমি বিয়ে করে ফেলো, আমি সেশন জটে আটকে গেছি’-ব্যতিক্রমী এই স্লোগান লেখা প্লেকার্ড নিয়ে সড়কে দাঁড়িয়েছেন এক শিক্ষার্থী।তার দাবি সেশন জটে আটকে পড়ায় তিনি শিক্ষাজীবন শেষ করতে পারছেন না।আর শিক্ষাজীবন শেষ করতে না পারায় তার মতো অনেকে চাকরি পাচ্ছেন না। বিয়ে করতে পারছেন না পছন্দের মানুষকে।

ব্যতিক্রমী এই প্লেকার্ড নিয়ে আসা প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলে সুজয় দাস যুগান্তরকে বলেন, অঞ্চন দত্তের বিখ্যাত ‘চাকরিটা আমি পেয়ে গেছি বেলা শুনছো / এখন আর কেউ আটকাতে পারবেনা’ গানটি আমার বেশ পছন্দ।গানের মূল উপজীব্য ছিল চাকরির জন্য নায়কের বিয়েটা আটকে ছিল।

তিনি বলেন, সেই গানের গল্পের মত সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের অবস্থা। আমরা যারা সাত কলেজে পড়াশোনা করছি তারা মূলত সেশন জটে আটকে গেছি। এখানে সময়মতো পরীক্ষা হয় না, পরীক্ষার পর ফল প্রকাশে বিলম্ব হয়। ফলে এখন আমাদের অনেককেই বলতে হচ্ছে, ‘বেলা তুমি বিয়ে করে ফেলো, আমি সেশন জটে আটকে গেছি।’

এর আগে মঙ্গলবার সকাল ১০টায় সাত দফা দাবিতে ঢাকা কলেজের সামনে থেকে মানববন্ধন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা, যা নীলক্ষেত ও সায়েন্স ল্যাবরেটরি পর্যন্ত ছাড়িয়ে যায়। এর পর সড়ক আটকিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকেন তারা।

এ সময় তারা সাত কলেজের নানা সমস্যা তুলে ধরে বিভিন্ন স্লোগান দেন। ‘গণহারে আর ফেল নয়, যথাযথ রেজাল্ট চাই’, ‘শিক্ষা কোনো পণ্য নয়, শিক্ষা নিয়ে ব্যবসা নয়’, ‘গণহারে ফেল, ঢাবি তোমার খেল’, ‘বন্ধ কর অনাচার, সাত কলেজের আবদার’, ‘নিচ্ছ টাকা দিচ্ছ বাঁশ, সময় শেষে সর্বনাশ’- এসব স্লোগান দেয়া হয় বিক্ষোভে।