Advertise with us
আপনার এলাকার খবর
সম্পূর্ণ নিউজ deshdiganto.com

শিক্ষা সংবাদ
৮:০৬ অপরাহ্ণ, ২৫ ডিসেম্বর ২০১৮

কিন্ডারগার্টেনগুলো প্রাইমারি স্কুলের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকবে না : গণশিক্ষামন্ত্রী

দেশদিগন্ত নিউজ ডেস্ক: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সঙ্গে কখনোই প্রতিযোগিতায় টিকবে না কিন্ডারগার্টেন স্কুলগুলো। যদিও তারা ‘মহা প্রতিযোগিতায়’ নেমেছে। এমন মন্তব্য করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর ফিজার। সচিবালয়ে সোমবার (২৪ ডিসেম্বর) প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষার ফলাফলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি এ মন্তব্য করেন। ফিজার বলেন, “কিছু অভিভাবক অ্যাভারেজ স্টান্ডার্ডের […]

কিন্ডারগার্টেনগুলো প্রাইমারি স্কুলের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকবে না : গণশিক্ষামন্ত্রী
দেশদিগন্ত নিউজ ডেস্ক:
২ মিনিটে পড়ুন |

দেশদিগন্ত নিউজ ডেস্ক: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সঙ্গে কখনোই প্রতিযোগিতায় টিকবে না কিন্ডারগার্টেন স্কুলগুলো। যদিও তারা ‘মহা প্রতিযোগিতায়’ নেমেছে। এমন মন্তব্য করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর ফিজার। সচিবালয়ে সোমবার (২৪ ডিসেম্বর) প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষার ফলাফলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি এ মন্তব্য করেন। ফিজার বলেন, “কিছু অভিভাবক অ্যাভারেজ স্টান্ডার্ডের মধ্যে থাকতে চাচ্ছেন না। কেমন করে ছেলেটা অন্য দেশে যেতে পারবে সেজন্য কিন্ডারগার্টেন শব্দটায় তাদের আলাদা রোমাঞ্চ।” মানুষের ‘স্বচ্ছলতা বাড়ায়’ দেশে কিন্ডারগার্টেনের সংখ্যাও বাড়ছে- এমন পর্যবেক্ষণ দিয়ে গণশিক্ষামন্ত্রী বলেন, “গ্রামেও কিন্ডারগার্টেন চলে গেছে। মহাপ্রতিযোগিতায় নেমেছে তারা, আমাদের (সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়) বিট করে কিন্ডারগার্টেন আমাদের বিকল্প হবে। আমি মনে করি কিন্ডারগার্টেন আমাদের বিকল্প হতে পারবে না ইনশাল্লাহ।”

দেশে কতগুলো কিন্ডারগার্টেন রয়েছে সেই হিসাব সরকারের কাছে নেই। কোনো নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে প্রতিনিয়তই বাড়ছে এ ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা।

ব্রিটিশ কাউন্সিলের মাধ্যমে ব্রিটেন থেকে প্রশিক্ষক এনে বিভাগীয় পর্যায়ের প্রত্যেক সরকারি স্কুলে দুইজন করে শিক্ষককে ইংরেজিতে পারদর্শী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান ফিজার।

তিনি বলেন, “আমরা মাস্টার ট্রেইনারও তৈরি করব, আমাদেরকে কেউ খেয়ে ফেলবে না বরং আমাদের পেটের মধ্যেই ছোটখাটো অনেক কিছু আছে, কারণ আমরাই ৬৫ হাজার (সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়)।”

এবার প্রাথমিক সমাপনীতে ৯৭ দশমিক ৫৯ শতাংশ ও ইবতেদায়িতে ৯৭ দশমিক ৬৯ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে। প্রাথমিকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ লাখ ৬৮ হাজার ১৯৩ জন; আর ইবতেদায়িতে ১২ হাজার ২৬৪ জন।

গত বছর প্রাথমিক সমাপনীতে ৯৫ দশমিক ১৮ শতাংশ ও ইবতেদায়িতে ৯২ দশমিক ৯৪ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করে। প্রাথমিকে ২ লাখ ৬২ হাজার ৬০৯ জন এবং ইবতেদায়িতে ৫ হাজার ২৩ জন জিপিএ-৫ পেয়েছিল।

প্রাথমিকে জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যা এবার কীভাবে এত বাড়ল- এ প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, “শিক্ষার্থীরা ভালো পরীক্ষা দেওয়ায় ফল ভালো হয়েছে। শিক্ষার্থী-অভিভাবকরা সচেতন হয়েছে এবং পরীক্ষাকে গুরুত্ব দিয়েছে।”

তাছাড়া এবার প্রাথমিক সমাপনী থেকে এমসিকিউ অংশ তুলে দেওয়ায় জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যা বেড়ে গেছে বলে মনে করেন মন্ত্রী।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


Advertise with us
আর্কাইভ ক্যালেন্ডার
রবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনি
 
১০১১
১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭৩০ 
Advertise with us
আরও deshdiganto.com সংবাদ


Design and Development by : webnewsdesign.com