Advertise with us
আপনার এলাকার খবর
সম্পূর্ণ নিউজ deshdiganto.com

বাংলাদেশ
১:০৩ অপরাহ্ণ, ২২ জুলাই ২০২০

কুলাউড়ায় লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহক

কুলাউড়ায় পল্লী বিদ্যুতের লোডশেডিং যন্ত্রনায় অতিষ্ঠ চার এলাকার পাঁচ শতাধিক গ্রাহক। প্রতিদিন সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত বিদ্যুৎহীন অবস্থায় থাকতে হয় তাদেরকে। বিষয়টি বার বার জুড়ী অভিযোগ কেন্দ্রে জানানোর পরও কার্যত কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেনা তারা। পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের এমন খামখেয়ালীপনায় ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছেন এসব এলাকার বিদ্যুৎ গ্রাহকরা। জানা যায়, উপজেলার জয়চন্ডী ইউনিয়নে পল্লী বিদ্যুতের লোডশেডিং যন্ত্রনায় […]

কুলাউড়ায় লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহক
কুলাউড়া প্রতিনিধি:
২ মিনিটে পড়ুন |

কুলাউড়ায় পল্লী বিদ্যুতের লোডশেডিং যন্ত্রনায় অতিষ্ঠ চার এলাকার পাঁচ শতাধিক গ্রাহক। প্রতিদিন সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত বিদ্যুৎহীন অবস্থায় থাকতে হয় তাদেরকে। বিষয়টি বার বার জুড়ী অভিযোগ কেন্দ্রে জানানোর পরও কার্যত কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেনা তারা। পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের এমন খামখেয়ালীপনায় ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছেন এসব এলাকার বিদ্যুৎ গ্রাহকরা।

জানা যায়, উপজেলার জয়চন্ডী ইউনিয়নে পল্লী বিদ্যুতের লোডশেডিং যন্ত্রনায় অতিষ্ঠি ৭নং ওয়ার্ডের চার’টি এলাকার পাঁচ শতাধিক বিদ্যুৎ গ্রাহক মেরিনা চা-বাগান ব্যবস্থাপক কার্যালয়ের সামনে জড়ো হয়েছেন। পল্লী বিদ্যুতের বড়লেখা বিতরণ কেন্দ্রে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা। তাদেরকে নেতৃত্বদানকারী বাগান পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি খোকা নায়েক সাংবাদিকদের জানান, আমাদের এই বাগান এলাকায় পল্লী বিদ্যুতের ২০৯ জন গ্রাহক রয়েছেন। বর্তমানে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ আমাদেরকে গুরুত্ব দিচ্ছেনা। প্রতিদিন সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকেনা। জুড়ী অভিযোগ কেন্দ্রে বার বার ফোন দিলেও তারা রিসিভ করেনা। বিষয়টি জানাতে বড়লেখা অফিসের ডিজিএমকে ফোন দিলে তিনি গ্রাহকের কথা না শুনে জুড়ী অভিযোগ কেন্দ্রে ফোন দেয়ার কথা বলেই লাইন কেটে দেন। এ নিয়ে গ্রাহকরা দারুণ ভোগান্তিতে পড়েছেন।

স্থানীয় ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা হাবিজ মিয়া, বাগান শ্রমিক মন্টু ঘোষ, দুলাল মিয়া, রমজান আলী, জাহানারা বেগম, পঞ্চায়েত নারী নেত্রী জোসনা বেগমসহ অনেকেই ক্ষোভের সাথে বলেন, পল্লী বিদ্যুৎ এখন আমাদের গলার কাঁটা। লোডশেডিং যন্ত্রনায় আমরা অতিষ্ট। ২৪ ঘন্টার মাঝে ৫-৬ ঘন্টা বিদ্যুৎ থাকে। তাও গভীর রাতে। ঘরের কাজ-কর্মসহ শিক্ষার্থীদের লেখা-পড়ায় বিঘ্নতা ঘটছে। এছাড়াও প্রতি মাসে অতিরিক্ত বিল আসে। যা পরিশোধ করতে শ্রমিকদের রিতীমতো হীমশীম খেতে হয়।

জয়চন্ডী ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড সদস্য মো. মনু মিয়া জানান, এই ওয়ার্ডে পল্লী বিদ্যুতের পাঁচ শতাধিক গ্রাহক রয়েছেন। বর্তমানে টানা লোডশেডিং যন্ত্রনায় আজ অতিষ্ঠ তারা। যে কোন দূর্ঘটনায়ও পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে ফোন করলে তাদেরকে পাওয়া যায়না। মনে হয় পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ গ্রাহকদের সাথে মশকারা করছে।

মেরিনা বাগান ব্যবস্থাপক রবিউল হাসান জানান, আমাদের ফেক্টরি ছাড়া বাকি স্টাফ এবং লেবার কোয়ার্টারে পল্লী বিদ্যুতের সংযোগ রয়েছে। কিন্তু ২৪ ঘন্টার অধিকাংশ সময়ই বিদ্যুৎ থাকেনা। গ্রাহকদের এই দুর অবস্থার কথা আমি নিজেও ডিজিএমকে জানিয়েছি। কিন্তু আজঅবদি কোন সুরাহা হয়নি, যা অত্যান্তই দুঃখজনক।

পল্লী বিদ্যুৎ বড়লেখা অফিসের ডিজিএম ইমাজ উদ্দিন সরদার জানান, বিষয়টি জেনেছি। প্রত্যন্ত পাহাড়ী অঞ্চলে একটি বিশাল গাছ ৩৩ হাজার কেভি লাইনের উপর পড়ে গিয়ে লাইন ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ায় বিদ্যুৎ সঞ্চালনে ব্যাঘাত হয়েছে। আমরা দ্রুতই সেটা সংস্কার করে বিদ্যুৎ সঞ্চালন স্বাভাবিক করতে কাজ করছি।#

Facebook Comments Box
×
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর

বিলাত ম্যানিয়া
৬ মাস আগে
ভুতে ধরা নাকি মানসিক রোগ
৭ মাস আগে

Advertise with us
আর্কাইভ ক্যালেন্ডার
রবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনি
 
১০১১
১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭৩০ 
Advertise with us
আরও deshdiganto.com সংবাদ


Design and Development by : webnewsdesign.com