Advertise with us
আপনার এলাকার খবর
সম্পূর্ণ নিউজ deshdiganto.com

বাংলাদেশ
১০:০০ অপরাহ্ণ, ২ জুলাই ২০২০

প্রবাসী গড়েছে তিন রেকর্ড, রিজার্ভ বেড়ে ৩ হাজার ৬১৪ কোটি

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসের প্রকোপের মধ্যে জুন মাসে প্রবাসীরা ১৮৩ কোটি ডলার আয় পাঠিয়েছেন। এর আগে কোনো একক মাসে এত আয় আসেনি। সব মিলিয়ে সদ্য সমাপ্ত ২০১৯-২০ অর্থবছরে প্রবাসীদের ১ হাজার ৮২০ কোটি ডলার আয় দেশে এসেছে, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ১১ শতাংশ বেশি। এই আয়ের ফলে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে হয়েছে […]

প্রবাসী গড়েছে তিন রেকর্ড, রিজার্ভ বেড়ে ৩ হাজার ৬১৪ কোটি
নিউজ ডেস্ক:
২ মিনিটে পড়ুন |

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসের প্রকোপের মধ্যে জুন মাসে প্রবাসীরা ১৮৩ কোটি ডলার আয় পাঠিয়েছেন। এর আগে কোনো একক মাসে এত আয় আসেনি। সব মিলিয়ে সদ্য সমাপ্ত ২০১৯-২০ অর্থবছরে প্রবাসীদের ১ হাজার ৮২০ কোটি ডলার আয় দেশে এসেছে, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ১১ শতাংশ বেশি। এই আয়ের ফলে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে হয়েছে ৩ হাজার ৬১৪ কোটি টাকা।

এর ফলে তিন রেকর্ড হয়েছে। এক মাসে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়, রিজার্ভ নতুন উচ্চতায় ও প্রবাসী আয়ে ১১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত মাসে আয় এসেছে ১৮৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার। এর আগে ২০১৯ সালের মে মাসে সর্বোচ্চ ১৭৪ কোটি ৮০ লাখ ডলার আয় এসেছিল। এদিকে সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে মোট প্রবাসী আয় এসেছে ১ হাজার ৮২০ কোটি ডলার। এর আগের অর্থবছরে আয় এসেছিল ১ হাজার ৬৪১ কোটি ডলার। অর্থাৎ সদ্য শেষ হওয়া অর্থবছরে প্রবাসী আয়ে ১০ দশমিক ৯০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

জুন মাসে প্রবাসী আয় এসেছে ১৮৩ কোটি ডলার, যা এক মাসে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয় পাঠানোর রেকর্ড। এর ফলে রিজার্ভ উঠল নতুন উচ্চতায়; প্রবাসী আয়ে প্রবৃদ্ধি ১১ শতাংশ
অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের ভাইস চেয়ারম্যান এবং এনআরবি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মেহমুদ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, প্রণোদনা দেওয়ায় চলতি অর্থবছরের শুরু থেকে আয় আসা বেড়েছে। করোনার কারণে অনেক প্রবাসীকে দেশে ফেরত আসতে হয়েছে, অনেকে আসার অপেক্ষায়। তাঁরা জমানো টাকা ভেঙে ধীরে ধীরে পাঠাচ্ছেন। অনেক দেশেই টাকা পাঠানোর সীমা বেঁধে দেওয়া আছে। এ জন্য আগামী দুই মাসও ভালো প্রবাসী আয় আসবে।

মেহমুদ হোসেন বলেন, সমস্যা হলো এত প্রবাসী দেশে ফিরে এলে তাঁদের জন্য তো কিছু করতে হবে। এ জন্য নতুন কাজ, উদ্যোক্তা তৈরির উদ্যোগ নিলে ভালো হয়। না হলে এসব পরিবার একসময় দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে যাবে।

যেসব দেশ থেকে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় আসে, সেসব দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে রেমিট্যান্স হাউস ও ব্যাংকগুলো বন্ধ করা হয়েছিল। এখন অনেক দেশ খুলে দিয়েছে। এতে বাংলাদেশি শ্রমিকেরাও পড়েছেন বিপদের মুখে। অনেকে কাজও হারিয়েছেন। ফিরে আসছেন অনেকে। প্রবাসী আয় আহরণের শীর্ষ ১৫টি উৎস দেশ হলো সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), যুক্তরাষ্ট্র, কুয়েত, যুক্তরাজ্য, মালয়েশিয়া, ওমান, কাতার, ইতালি, বাহরাইন, সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ আফ্রিকা, ফ্রান্স, দক্ষিণ কোরিয়া ও জর্ডান।

পূবালী ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক হেলাল আহমেদ চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, যাঁরা আসছেন, তাঁরা চাকরি শেষ করে আসছেন। এ জন্য সামনে প্রবাসী আয়ের বড় ধাক্কা লাগতে পারে। অনেক দেশে লোকবল প্রয়োজন পড়ছে। নতুন করে কীভাবে জনশক্তি পাঠানো যায়, সেদিকে নজর দিতে হবে।

Facebook Comments Box
×
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর

বিলাত ম্যানিয়া
৬ মাস আগে
ভুতে ধরা নাকি মানসিক রোগ
৭ মাস আগে

Advertise with us
আর্কাইভ ক্যালেন্ডার
রবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনি
 
১০১১
১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭৩০ 
Advertise with us
আরও deshdiganto.com সংবাদ


Design and Development by : webnewsdesign.com