Advertise with us
আপনার এলাকার খবর
সম্পূর্ণ নিউজ deshdiganto.com

বাংলাদেশ
৪:২৪ পূর্বাহ্ণ, ২১ জুন ২০২০

সিলেটে করোনা পরীক্ষা দুই ল্যাবে যথেষ্ট না, বাড়ছে সংক্রমণ ঝুঁকি

সিলেটে করোনা উপসর্গ সন্দেহে নমুনা সংগ্রহ করা দুটি পিসিআর ল্যাবে যথেষ্ট না। প্রয়োজনের তুলনায় ল্যাব কম থাকায় যেমনি মানুষদের দীর্ঘসময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে, তেমনি নমুনা পরীক্ষার ফলাফল পেতেও লাগছে সময়। এক সপ্তাহ থেকে ১০-১২ দিনও রিপোর্ট আসতে সময় লাগছে। এতে নমুনা দেয়া ব্যক্তিরা ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হচ্ছে, যাদের করোনা হয়েছে তারা তথদিনে ঝুকির মধ্যে […]

সিলেটে করোনা পরীক্ষা দুই ল্যাবে যথেষ্ট না, বাড়ছে সংক্রমণ ঝুঁকি
৩ মিনিটে পড়ুন |

সিলেটে করোনা উপসর্গ সন্দেহে নমুনা সংগ্রহ করা দুটি পিসিআর ল্যাবে যথেষ্ট না। প্রয়োজনের তুলনায় ল্যাব কম থাকায় যেমনি মানুষদের দীর্ঘসময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে, তেমনি নমুনা পরীক্ষার ফলাফল পেতেও লাগছে সময়। এক সপ্তাহ থেকে ১০-১২ দিনও রিপোর্ট আসতে সময় লাগছে। এতে নমুনা দেয়া ব্যক্তিরা ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হচ্ছে, যাদের করোনা হয়েছে তারা তথদিনে ঝুকির মধ্যে চলে যাবে ।
এবং ফলাফল আসতে বিলম্ব হওয়ায় করোনায় আক্রান্ত কিনা স্বল্প সময়ে জানতে না পারায় এসব ব্যক্তিরা বেড়াচ্ছেন যত্রতত্র।
সে কারনে না জেনে আক্রান্ত ব্যক্তির সংর্স্পশে আসা ব্যক্তিরা নিজে যেমন সংক্রমিত হচ্ছে তেমনি অন্যদেরও সংক্রমিত করছেন। এতে সিলেটে প্রতিদিনই বাড়ছে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের সংখ্যা।

রোগী শনাক্তকরণে বিলম্ব হওয়ায় সংক্রমণ আরো ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়ছে এমনটি জানিয়ে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে প্রথম কাজ হচ্ছে সন্দেহভাজনদের পরীক্ষা করে যারা সংক্রমিত তাদের আইসোলেশনে নেওয়া।
তাদের সংস্পর্শে যাওয়া ব্যক্তিদের কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করা। কিন্তু কে জানবে কার পাশে গিয়েছিলে আ জায়গা গুলোতে কারা ছিলো তা নির্ধারণ করা সম্ভব না, দ্বিতীয়ত, সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা। এই দুটি কাজ সর্বত্রই ঢিলেঢালাভাবে হওয়াতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা যেমন বাড়ছে, তেমনি সংক্রমণে ঝুঁকি বেড়েই চলছে।

অনেকেই বলছেন সিলেটে আক্রান্তের তুলনায় শনাক্তকরণ পিসিআর মেশিনের সংখ্যা খুবই কম। বিভাগের চারটি জেলায় মাত্র দুটি মেশিন দিয়েই চলছে কার্যক্রম। ল্যাব ও মেশিন আরো দুটি না হলেও একটি বাড়াতে হবে। পাশাপাশি দক্ষ জনবলও দরকার।

নগরীর একটি সামাজিক সংগঠক এবং জেলা নেতা মাহবুবুল হক চৌধুরী বলেন সিলেট নগরীসহ বিভাগের কোথায় মানুষ স্বাস্থবিধি মানছে না ফলে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের ঝুঁকি যেমন বাড়ছে তেমনি আক্রান্তের সংখ্যাও বাড়ছে, সে তুলনায় পরীক্ষা হচ্ছে খুবই কম।

সিলেটে পিসিআর ল্যাব আরো বাড়ানো এখনই দরকার, না হয় এর পরিণতি ভয়াবহ হবে জানিয়ে সাবেক কেন্দ্রীয় ও জেলা নেতা এড: সাঈদ আহমেদ আরো বলেন এখন অধিকাংশ রোগীর শরীরে উপসর্গ ছাড়াই করোনা শনাক্ত হচ্ছে। যারা নমুনা দিচ্ছেন তাদের ফলাফল আসতে দেরি হওয়ায় ওই ব্যক্তিরা নমুনা দেয়ার পর হাটে-বাজারে ও আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে যাচ্ছেন।
এছাড়া অনেক মানুষ তাদের নমুনা পরীক্ষার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করলেও সীমাবদ্ধতার কারণে করতে পারছেন না বলেও জানান তিনি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় কার্যালয় সুত্র জানায়, করোনার পরীক্ষায় ব্যবহৃত একটি পিসিআর কিটের মূল্য ২৫০০ থেকে ২৮০০ টাকা। পরীক্ষা কিট, ল্যাবরেটরি ফ্যাসিলিটি ও জনবলের ব্যয়সহ একজন রোগীর পরীক্ষার পেছনে ব্যয় হয় প্রায় সাড়ে ৩ হাজার টাকা। তবে সরকার এই পরীক্ষা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে করছে। সিলেটে করোনার সন্দেহভাজন মানুষের সংখ্যা বাড়ায় পরীক্ষা করতে সময় লাগছে,তাই রিপোর্ট প্রদানে বিলম্বিত হচ্ছে। সিলেট জেলায় পরীক্ষার জন্য নমুনা প্রদান করে গত ২ জুন থেকে অপেক্ষারত রোগীর সংখ্যা প্রায় দেড় হাজারের কাছাকাছি। বিভাগজুড়ে যার সংখ্যাটা আরো বেশি। দুটি ল্যাবে জমা পড়া এসব অতিরিক্ত নমুনার ফল জানতে পাঠানো হয়েছে ঢাকায়। এজন্য ফল পেতে বিলম্ব হচ্ছে ।

Facebook Comments Box
×
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর

বিলাত ম্যানিয়া
৬ মাস আগে
ভুতে ধরা নাকি মানসিক রোগ
৭ মাস আগে

Advertise with us
আর্কাইভ ক্যালেন্ডার
রবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনি
 
১০১১
১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭৩০ 
Advertise with us
আরও deshdiganto.com সংবাদ


Design and Development by : webnewsdesign.com