Advertise with us
আপনার এলাকার খবর
সম্পূর্ণ নিউজ deshdiganto.com

বাংলাদেশ
১:৫৮ অপরাহ্ণ, ২৩ এপ্রিল ২০২০

সিলেট বিভাগে একদিনে ৩৩ জনের করোনা ভাইরাস শনাক্ত! এর দায় কার?

রেজাউল আম্বিয়া রাজু : সিলেট বিভাগটসহ মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়াতে করোনা অাক্রান্ত হবে না কেন? একবার প্রশ্নটা নিজেকে করুন! কারন সিলেটে বিভাগে আজ (২৩-৪-২০ইং) একদিনে ৩৩ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত। তার মধ্যে সিলেট-২, হবিগঞ্জ-৫, সুনামগঞ্জ-৪ ও এই প্রথমবারের মতো মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়ায়-২ জন, সিলেট বিভাগের বিভিন্ন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন, বিশেষ করে মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার […]

সিলেট বিভাগে একদিনে ৩৩ জনের করোনা ভাইরাস শনাক্ত! এর দায় কার?
২ মিনিটে পড়ুন |

রেজাউল আম্বিয়া রাজু : সিলেট বিভাগটসহ মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়াতে করোনা অাক্রান্ত হবে না কেন? একবার প্রশ্নটা নিজেকে করুন! কারন সিলেটে বিভাগে আজ (২৩-৪-২০ইং) একদিনে ৩৩ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত। তার মধ্যে

সিলেট-২, হবিগঞ্জ-৫, সুনামগঞ্জ-৪ ও এই প্রথমবারের মতো মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়ায়-২ জন,

সিলেট বিভাগের বিভিন্ন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন, বিশেষ করে মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের দিকে তাকালে লক্ষ্য করবেন কি রকম মানুষের অবাধ চলাফেরা? তাদের অবস্থা দেখে বুঝার কোন উপায় নাই মানুষের মধ্যে নূন্যতম কোন সচেতনতা অাছে! শহর বা ইউনিয়নের যে সমস্ত দোকান গুলো অাগে নিত্য প্রয়োজনীয় দোকান ছিল না সেই দোকানটিও এখন পিয়াজ রসুন আলুসহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র রেখে প্রশাসনের নাকের ডগার উপর দোকানিরা দোকান খোলা রাখতেছেন + ফ্ল্যাক্সে করে চা এনে একেই কাপে চা বিক্রি করতেছেন।  গ্রাম্য এলাকায় বহিরাগতরা কৌশলে এসে অাশ্রয় নিচ্ছে অাত্মীয়ের বাড়ীতে, পাশাপাশি উপজেলার বিভিন্ন এলাকার যারা দেশের বিভিন্ন জায়গায় চাকুরি করত তারা বিভিন্ন চা বাগান, রাবার বাগান এমনকি গ্রামের বাড়ীতেও অাসতেছেন এবং হোম কোয়ারেন্টাইন মানতেছেন না?
গ্রামের বাজারসহ বিভিন্ন অলি গলির দোকান গুলোতে রীতিমতো অাড্ডা বসে গভীর রাত পর্যন্ত- অায়োজনট হয় বিভিন্ন খেলার। অাগে যেভাবে চায়ের দোকান খোলা থাকত সেভাবেই এখনও ভিতর থেকে খোলা থাকে বিভিন্ন দোকান।
মসজিদে গণজমায়েত বন্ধের কথা বললেও কতেক ব্যক্তি উল্টো ফতোয়া তৈরি করে মসজিদেও জনসমাগম তৈরি করতেছেন।
করোনা সচেতনতা সহ বিভিন্ন কার্যক্রমের জন্য সরকারিভাবে গঠিত কমিটিরট কোন তৎপরতা নেই। কমিটিতে যাদের নাম দেওয়া হয়েছে, তারা অনেকেই জানেন না যে তিনির নাম কমিটিতে দেওয়া হয়েছে।
সর্বপরি, তৃণমূল পর্যায়ে মানুষ যেভাবে সচেতন হওয়ার প্রয়োজন ছিল, সেই ধরনের সচেতনতারট পরিবেশ সৃষ্টি করতে দায়িত্বশীলরা ব্যর্থ হয়েছেন এবং মানুষজন সরকারের দেওয়া নির্দেশনা অমান্য করতেছেন। এতে প্রয়োজন ছিল প্রশাসনের অারো কঠোর অবস্থান। এতে অাপনি দোষ দিবেন কার- সরকারের/ ব্যবস্থাপনার/ না মানুষের সচেতনতার?
এর দায় অাপনারই…! অাপনি কি নিজেকে এর থেকে দায়মুক্ত করতে পারবেন? তাই এখনো বলছি! এখনো সময় আছে করোনা এখন আপনার কুলাউড়াতে, আপনি সর্তক হউন, সরকারের সব নির্দেশনা মেনে চলুন, নিজেকে এবং নিজের পরিবারকে রক্ষা করুণ।

Facebook Comments Box
×
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর

বিলাত ম্যানিয়া
৬ মাস আগে
ভুতে ধরা নাকি মানসিক রোগ
৭ মাস আগে

Advertise with us
আর্কাইভ ক্যালেন্ডার
রবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনি
 
১০১১
১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭৩০ 
Advertise with us
আরও deshdiganto.com সংবাদ


Design and Development by : webnewsdesign.com