Advertise with us
আপনার এলাকার খবর
সম্পূর্ণ নিউজ deshdiganto.com

বাংলাদেশ
১:০০ পূর্বাহ্ণ, ১১ জুলাই ২০১৭

করালগ্রাসী বন্যার কবলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চরম হতাশায় ১৫ হাজার শিক্ষার্থী

করালগ্রাসী বন্যার কবলে পড়ে মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার প্রায় ১৫ হাজার শিক্ষার্থী শিক্ষাজীবন থেকে দারুণভাবে পিছিয়ে পড়েছে। রুটিন মোতাবেক পাঠগ্রহণ থেকে পিছিয়ে পড়ায় এসব শিক্ষার্থীর জীবনে চরম হাতাশা আর অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। পাঠ পরিকল্পনা, পরীক্ষা, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের পর্যালোচনা থেকে অনেক দূরে রয়েছে তারা। দীর্ঘ এক মাস পার হয়ে গেলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পা রাখতে পারছে না শিক্ষার্থীরা। সরেজমিনে […]

করালগ্রাসী বন্যার কবলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চরম হতাশায় ১৫ হাজার শিক্ষার্থী
অনলাইন ডেস্ক :
২ মিনিটে পড়ুন |

করালগ্রাসী বন্যার কবলে পড়ে মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার প্রায় ১৫ হাজার শিক্ষার্থী শিক্ষাজীবন থেকে দারুণভাবে পিছিয়ে পড়েছে। রুটিন মোতাবেক পাঠগ্রহণ থেকে পিছিয়ে পড়ায় এসব শিক্ষার্থীর জীবনে চরম হাতাশা আর অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। পাঠ পরিকল্পনা, পরীক্ষা, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের পর্যালোচনা থেকে অনেক দূরে রয়েছে তারা। দীর্ঘ এক মাস পার হয়ে গেলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পা রাখতে পারছে না শিক্ষার্থীরা।
সরেজমিনে দেখা যায়, কুলাউড়ার ৫০টির অধিক প্রাথমিক বিদ্যালয়, উচ্চবিদ্যালয়, মাদ্রাসা ও কলেজ বন্যার পানিতে নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে। কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান একেবারে পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এ অবস্থায় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে বন্যাকবলিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো। এর ফলে প্রতিষ্ঠানের প্রায় ১৫ হাজার শিক্ষার্থী বঞ্চিত হচ্ছে পাঠগ্রহণ থেকে। শুধু তা-ই নয়, তাদের বসতভিটায়ও বন্যার পানি হানা দিয়েছে। সব মিলিয়ে হতাশা আর অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে শিক্ষার্থীদের জীবনে। উচ্চবিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষার্থী জানান, বন্যার কারণে তারা প্রিটেস্ট এবং অর্ধবার্ষিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারেনি। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের অভিভাবকেরা জানান, আমাদের ছেলেমেয়েদের জীবনের প্রথম ধাপের লেখাপড়া দারুণভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। বন্যার কারণে বন্ধ হয়ে পড়েছে স্কুল। প্রায় এক মাস থেকে তারা কোনো পাঠ গ্রহণ করতে পারছে না। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের জন্য বিদ্যালয়ের পাঠগ্রহণ অতীব জরুরি। প্রথম ধাপের শিক্ষার সিঁড়ি সাধারণত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেই শুরু হয়। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মাসুদুর রহমান জানান, উপজেলার পৌর শহর, ভূকশিমইল, জয়চণ্ডী, কাদিপুর, টিলাগাঁও, হাজীপুর ও রাউৎগাঁও ইউনিয়নের প্রায় ৪০টি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্যার কারণে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। অনেক স্কুলকে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। উত্তর কুলাউড়া উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহমুদুর রহমান কবির জানান, আমাদের স্কুলটি বন্যাকবলিত হয়ে পড়েছে। দীর্ঘ এক মাস থেকে স্কুল বন্ধ রয়েছে। এ রকম কোনো কালেই দীর্ঘ সময় বন্যাকবলিত হয়ে এত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকেনি।
গিয়াসনগর মাদ্রাসার সুপার মাওলানা তৈয়বুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, বন্যায় প্রতিষ্ঠানটি পানিবন্দী হওয়ার কারণে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া ব্যাহত হচ্ছে। বন্যা পরবর্তী সময়ে অতিরিক্ত ক্লাস নিয়ে শিক্ষার্থীদের ক্ষতি পুষিয়ে দেওয়া জরুরি বলেও তিনি মনে করেন। দফায় দফায় বন্যার কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা জানান, অতিবৃষ্টি এবং কম বৃষ্টি দুটোই হয় জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে। একে তো গাছপালা নিধন, পাহাড় কাটা, অপরিকল্পিত স্থাপনার কারণেই জলবায়ু মারাত্মকভাবে পরিবর্তিত হচ্ছে। এ বিষয়গুলোকে গুরুত্ব না দিলে ভবিষ্যতে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ মৌলিক সবকিছুই বিপর্যয়ের মুখে পড়বে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর

বিলাত ম্যানিয়া
৬ মাস আগে
ভুতে ধরা নাকি মানসিক রোগ
৭ মাস আগে

Advertise with us
আর্কাইভ ক্যালেন্ডার
রবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনি
 
১০১১
১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭৩০ 
Advertise with us
আরও deshdiganto.com সংবাদ


Design and Development by : webnewsdesign.com