মুক্তিযোদ্ধা মরহুম সাদেক হোসেন খোকার হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান হচ্ছে বাংলাভিশন। তিনি একজন উদার মানবিক রাজনৈতিক নেতা হিসাবে পরিচিত ছিলেন। কিন্তু তার এই প্রতিষ্ঠানে সম্প্রতিক সময়ে ব্যাপকহারে চাকরিচ্যুত করা হচ্ছে। সবশেষে দু’দিন আগে ১৫ জন চাকরিচ্যুতির শিকার হয়েছেন। এর আগেও ১৫/ ২০ জনকে ছাঁটাই করা হয়েছে। এখানে মিডিয়া কর্মীদের ছাঁটাইগুলোর প্রক্রিয়াগুলো চলছে সম্পূর্ণ প্রতারণামূলকভাবে। কর্তৃপক্ষের তৈরি […]
মুক্তিযোদ্ধা মরহুম সাদেক হোসেন খোকার হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান হচ্ছে বাংলাভিশন। তিনি একজন উদার মানবিক রাজনৈতিক নেতা হিসাবে পরিচিত ছিলেন। কিন্তু তার এই প্রতিষ্ঠানে সম্প্রতিক সময়ে ব্যাপকহারে চাকরিচ্যুত করা হচ্ছে। সবশেষে দু’দিন আগে ১৫ জন চাকরিচ্যুতির শিকার হয়েছেন। এর আগেও ১৫/ ২০ জনকে ছাঁটাই করা হয়েছে। এখানে মিডিয়া কর্মীদের ছাঁটাইগুলোর প্রক্রিয়াগুলো চলছে সম্পূর্ণ প্রতারণামূলকভাবে। কর্তৃপক্ষের তৈরি পদত্যাগের একটি নির্দিষ্ট ফরমেটে স্বাক্ষর করতে বাধ্য করা হচ্ছে। এতে কেউ সম্মত না হলে টারমিনেশন লেটার ধরিয়ে দেয়া হচ্ছে। এই ধরণের প্রতারণামূলক ছাঁটাইয়ের শিকার হয়েছেন বাংলাভিশনের অনেক পুরনো কর্মী, যাদের অবদানে প্রতিষ্ঠানটি আজ ব্যবসা সফল হয়েছে।
কেন এবং কোন অপরাধে তাদেরকে ছাঁটাই করা হচ্ছে তার কোন সঠিক ব্যাখ্যাও নেই। এভাবে ছাঁটাই চলতে থাকায় প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের ভিতরে আতঙ্ক বিরাজ করছে। অথচ বাংলাভিশন একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠান।
করোনা পরিস্থিতির ভিতরে মিডিয়া কর্মীদের এভাবে চাকরিচ্যুত করা অমানবিক ও সরকারের নীতির পরিপন্থী।
অথচ মরহুম সাদেক হোসেন খোকা জীবিত থাকতে কাউকে এমন অহেতুক চাকরিচ্যুতির শিকার হতে হয়নি। মূল মালিকের অনুপস্থিতির ফলেই প্রতিষ্ঠানটি আজ রুগ্ন হতে চলেছে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও তথ্যমন্ত্রী দুই জনই মিডিয়া কর্মীদের বিষয়ে মানবিক ও সহানুভূতিশীল। এই প্রেক্ষিতে আপনাদের হস্তক্ষেপ কামনা করি।
এই সংকট সমাধানে প্রয়োজনে বাংলাভিশন বিষয়ে সব তথ্য সরবরাহ ও আলোচনার বিষয়ে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত আছি।