Advertise with us
আপনার এলাকার খবর
সম্পূর্ণ নিউজ deshdiganto.com

বাংলাদেশ
১২:২২ অপরাহ্ণ, ৫ আগস্ট ২০২০

শিক্ষা খাত বাঁচাতে সরকারের কোনো প্রণোদনা নেই!

করোনার সংকট থেকে উত্তরণে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯টি ছাত্র ও সংস্কৃতি সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে মাসে ১ হাজার ৫০০ টাকা সম্পূরক বৃত্তি দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছিল। তাদের যুক্তি হলো জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো ছাত্রাবাস না থাকায় শিক্ষার্থীদের মেস ও বাড়ি ভাড়া করে থাকতে হয়। তাঁদের অনেকে টিউশনি করে ও কোচিং সেন্টারে পড়িয়ে মেস ও বাড়িভাড়া শোধ […]

শিক্ষা খাত বাঁচাতে সরকারের কোনো প্রণোদনা নেই!
অনলাইন ডেস্ক
৭ মিনিটে পড়ুন |

করোনার সংকট থেকে উত্তরণে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯টি ছাত্র ও সংস্কৃতি সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে মাসে ১ হাজার ৫০০ টাকা সম্পূরক বৃত্তি দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছিল। তাদের যুক্তি হলো জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো ছাত্রাবাস না থাকায় শিক্ষার্থীদের মেস ও বাড়ি ভাড়া করে থাকতে হয়। তাঁদের অনেকে টিউশনি করে ও কোচিং সেন্টারে পড়িয়ে মেস ও বাড়িভাড়া শোধ করতেন। করোনার কারণে সেই আয়ের পথও বন্ধ। অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজস্ব ছাত্রাবাস থাকলেও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সে ধরনের কোনো সুযোগ নেই। বরং সাবেক জগন্নাথ কলেজের ছাত্রাবাসগুলো প্রভাবশালী ব্যক্তিরা দখল করে নিয়েছেন। সংগঠনগুলো বলেছে, অন্তত ছয় মাসের জন্য শিক্ষার্থীদের এই বৃত্তির ব্যবস্থা করা হোক। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৬ হাজার ৯১৭। এতে সরকারের খরচ হবে ১৫ কোটি ২২ লাখ ৫৩ হাজার টাকা।

যে দেশে ৫ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট হয়, সে দেশের ১৭ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য এই বরাদ্দ বেশি নয়।

আর সমস্যাটি কেবল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নয়; অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও একই ধরনের সমস্যায় আছেন। করোনা প্রাদুর্ভাবের শুরুতে কর্তৃপক্ষ সংক্রমণের ভয়ে ছাত্রাবাসগুলো বন্ধ করে দেয়। বাধ্য হয়ে শিক্ষার্থীরা বাড়ি চলে যান। সম্প্রতি অনলাইনে ক্লাস চালু হলেও অনেক শিক্ষার্থী সেই সুযোগ থেকে বঞ্চিত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক জানিয়েছেন, তাঁর ক্লাসে ৯২ জন শিক্ষার্থী। হাজির থাকছেন ৪২ জন। বাকি ৫০ জনের মধ্যে ৩০ জন যেখানে আছেন, সেখানে ইন্টারনেট সুবিধা নেই। শিক্ষার্থীরা বলছেন, ভিডিও কলে থাকলে প্রতি ক্লাসে ৪০ থেকে ৫০ টাকা খরচ হয়, যা দেওয়া তাঁদের পক্ষে সম্ভব নয়। ইন্টারনেট ফ্রি করে দেওয়ার পরামর্শ এই শিক্ষাবিদের।

এই হলো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের চালচিত্র। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্যা আরও বেশি। অনেক শিক্ষার্থী তাঁদের টিউশন ফি কমানোর আবেদন জানিয়ে প্রথম আলোয় ই-মেইল করেছেন। শিক্ষার্থীরা বলেছেন, করোনাকালে তাঁদের পক্ষে পুরো টিউশন ফি দেওয়া সম্ভব নয়। আবার সেমিস্টার বাদ দিলে পিছিয়ে পড়বেন। এ অবস্থায় টিউশন ফি কমানো হলে তাঁদের শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নিতে সুবিধা হবে।

অন্যদিকে, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, তাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চলে শিক্ষার্থীদের ফিতে। তাঁরা ফি না দিলে শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা দিতে পারবে না। প্রশাসনিক ব্যয় মেটাতে পারবে না। ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টসের উপাচার্য এইচ এম জহিরুল হক বলেন, তাঁদের খরচ এক পয়সাও কমেনি। আয় কমে গেছে। এ অবস্থায় শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি কমালে অনেক বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হয়ে যাবে।

সংকট উত্তরণের করণীয় জানতে চাইলে এইচ এম জহিরুল হক বলেন, সরকার ঋণ দিলে ও কর কমালে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় টিকে থাকতে পারে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের ঋণ দেওয়ার কথাও বললেন এই শিক্ষাবিদ।

একটি সূত্র জানায়, করোনাকালে প্রথম সারির বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেই শিক্ষার্থী কমেছে ১৫ থেকে ২৫ শতাংশ। অন্যগুলোয় আরও বেশি।

কেবল বিশ্ববিদ্যালয় নয়, স্কুল-কলেজগুলোও আছে কঠিন সংকটে। প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মোশতাক আহমদের ৩ আগস্টের প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল ‘স্কুল-কলেজের “টিউশন ফি” নিয়ে উভয়সংকট’। সংকট কেবল ফির নয়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক, শিক্ষার্থী—সবাই সংকটে আছেন। অথচ সরকার নির্বিকার।

করোনার কারণে গত ১৮ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বন্ধ আছে। সরকার ৩১ আগস্ট পর্যন্ত ছুটি বাড়িয়েছে। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির উন্নতি না হলে ছুটির মেয়াদ আরও বাড়তে পারে।

প্রথম আলোর প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, মতিঝিলের আইডিয়ালে স্কুল অ্যান্ড কলেজে পড়ে প্রায় ২৬ হাজার (তিন ক্যাম্পাস মিলে) শিক্ষার্থী। প্রতিষ্ঠানটিতে স্কুলপর্যায়ে শিক্ষা ফি (টিউশন ফি) ১ হাজার ৩০০ টাকার কিছু বেশি। আর কলেজ শাখায় বেতন ২ হাজার ১০০ টাকা। এই স্কুলের ফি কমানোর বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক-কর্মচারী আছেন প্রায় ৮০০ জন। এর মধ্যে ১১৬ জন এমপিওভুক্ত, যাঁরা সরকার থেকে মাসে মূল বেতন পান। বাকিদের বেতন-ভাতা প্রতিষ্ঠান থেকে দেওয়া হয়। প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষের কথা হলো, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টিউশন ফি না পেলে শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন হবে কীভাবে?

শিক্ষা ফি ৫০ শতাংশ মওকুফ করাসহ পাঁচ দফা দাবিতে গতকাল সোমবার রাজধানীতে মানববন্ধন করেছেন ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সাউথ ব্রিজ স্কুলের অভিভাবকেরা। এর আগেও বেশ কয়েটি স্কুলের অভিভাবকেরা অনুরূপ কর্মসূচি নিয়েছিলেন। কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানই ফি কমায়নি। অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকেরা অভিযোগ করেছেন, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে পুরো ফি নেওয়া হলেও কর্তৃপক্ষ তাদের বেতন কমিয়ে দিয়েছে।

বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর হিসাবে দেশে মাধ্যমিকে পড়ছে ১ কোটি ৩৪ লাখের মতো ছেলেমেয়ে। স্কুল আছে ২১ হাজার, যার প্রায় ৯০ ভাগ বেসরকারি। কলেজ আছে সাড়ে চার হাজারের মতো, শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৪৪ লাখ। বেশির ভাগ বেসরকারি। প্রাথমিক পর্যায়ের মোট শিক্ষার্থী প্রায় পৌনে দুই কোটি, যার সিংহভাগই সরকারি প্রাথমিক স্কুলে পড়ে।

এ অবস্থায় ইংরেজি মাধ্যমের স্কুল, কিন্ডারগার্টেন ও বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোই বেশি সমস্যায় পড়েছে। বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরা মূল বেতন সরকারি তহবিল থেকে পান। বাকিদের বেতন-ভাতা প্রতিষ্ঠান থেকেই দেওয়া হয়। আর্থিক সংকটের কারণে অনেক বেসরকারি বিদ্যালয়ে শিক্ষকেরা বেতন পাচ্ছেন না। অনেক কিন্ডারগার্টেন বন্ধ হয়ে গেছে। প্রথম আলো গত ১৮ জুলাই রিপোর্ট করেছিল, ‘ভাড়া দিতে না পেরে বাসা ছেড়ে স্কুলে শিক্ষক, বিক্রি করছেন ফল’। কেউ কেউ শিক্ষকতা ছেড়ে মুদি দোকান চালাচ্ছেন। রাজমিস্ত্রির জোগালি হয়েছেন। হকারি করছেন। এটি জাতির জন্য লজ্জাজনক।

বাংলাদেশে কিন্ডারগার্টেন মানেই বড়লোকদের স্কুল নয়। গত কয়েক বছরে সারা দেশে অসংখ্য কিন্ডারগার্টেন গড়ে উঠেছে, যাতে এলাকার নিম্নবিত্ত ও গরিব মানুষের ছেলেমেয়েরা পড়াশোনা করে। বিভিন্ন গবেষণা সংস্থার জরিপ বলছে, করোনাকালে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী ঝরে পড়বে। ঢাকার আদাররে যে স্কুলের উদ্যোক্তা বাসা ছেড়ে স্কুলঘরে ঠাঁই নিয়েছেন, সেখানকার শিক্ষার্থী ছিল পাড়ার এলাকার গরিব মানুষের ছেলেমেয়েরাই। মাসে বেতন ছিল ১০০ থেকে ২০০ টাকা। এই স্কুল বন্ধ হলে ওই ছেলেমেয়েদের লেখাপড়াও চিরতরে বন্ধ হয়ে যাবে।

২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেটেও শিক্ষার সংকট উত্তরণে কোনো বরাদ্দ ছিল না। সরকার তৈরি পোশাকশিল্প রক্ষায় বড় অঙ্কের প্রণোদনা দিয়েছে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পোদ্যোক্তাদের টিকে থাকার জন্য সহায়তা দিচ্ছে। প্রবাসী শ্রমিকদের জন্যও কিছু প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে। কৃষিতে সহায়তার পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে। কিন্তু শিক্ষা খাত বাঁচাতে সরকারের কোনো রকম প্রণোদনা বা সহায়তা নেই।

২০২০-২১ অর্থবছরে বাজেটে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ জিডিপির মাত্র ২ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ। ৬৬ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। অথচ শিক্ষাবিদেরা দাবি করে আসছিলেন, বাজেটে জিডিপির ৬ শতাংশ শিক্ষা খাতে বরাদ্দ করা হোক।

বিশ্বব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, শিক্ষায় সরকারি বরাদ্দের হিসাবে দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে পিছিয়ে বাংলাদেশ। ভুটান ৬ দশমিক ৬ শতাংশ (২০১৮), নেপাল জিডিপির ৫ দশমিক ২ শতাংশ (২০১৮), আফগানিস্তান ৪ দশমিক ১ শতাংশ (২০১৭), মালদ্বীপ ৪ দশমিক ১ শতাংশ (২০১৬), ভারত ৩ শতাংশ (২০১৯), পাকিস্তান ২ দশমিক ৯ শতাংশ (২০১৭), শ্রীলঙ্কা ২ দশমিক ৮ শতাংশ (২০১৭) শিক্ষায় বিনিয়োগ করে। আর আমরা করেছি ২ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ। সরকার উন্নত, সমৃদ্ধ ও ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার কথা বলছে; কিন্তু শিক্ষায় বরাদ্দ না বাড়িয়ে সেটি কীভাবে সম্ভব?

এ ব্যাপারে ইউজিসির সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নানের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, শিক্ষা খাত প্রণোদনা থাকা উচিত ছিল। সরকার শিল্পসহ অন্যান্য খাতে প্রণোদনা দিচ্ছে। কিন্তু শিক্ষিত জনগোষ্ঠী গড়ে না তুলতে পারলে সেগুলো কারা চালাবে?

শিক্ষাবিদ ও লেখক সৈয়দ মনজুরুল ইসলামের সঙ্গে গত রোববার আলাপ হয় শিক্ষা খাতের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে। তিনি বলেন, ‘শিক্ষার সমস্যাটি দেখতে হবে সার্বিকভাবে। আমরা জিডিপির ৬ শতাংশ শিক্ষা খাতে বরাদ্দ রাখার কথা বলেছিলাম। কিন্তু সরকারের বরাদ্দ অর্ধেকেরও কম।’ তিনি মনে করেন, পুরো শিক্ষা খাত নিয়ে সরকারের একটি ডেটাবেইস করা উচিত ছিল। কতজন শিক্ষার্থী সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়ে, কতজন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে, করোনার কারণে কতজন সমস্যায় পড়েছে, কার কী সহায়তা প্রয়োজন, সেসব তথ্য থাকত সেখানে। সরকার চাইলে এক মাসের মধ্যে এটি তৈরি করা কঠিন নয়। তবে এই সহায়তার তালিকা তৈরির দায়িত্ব ইউপির চেয়ারম্যান ও মেম্বরদের দেওয়া যাবে না। এটি করতে হবে শিক্ষকদের দিয়ে।

সৈয়দ মনজুরুল ইসলামের মতে, শিক্ষাসহায়তা শিক্ষার্থীদের বৃত্তি আকারে দেওয়াটাই উত্তম। এতে অভিভাবকেরা সম্মানিত বোধ করবেন। মাদ্রাসায় যেসব গরিব শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে, তাদেরও এ কর্মসূচিতে রাখতে হবে। আর বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে স্বল্প সুদে ও সহজ শর্তে ঋণ দেওয়া যেতে পারে, যাতে তারা সাময়িক সংকট কাটিয়ে উঠতে পারে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে তিনজন মন্ত্রী আছেন (গণশিক্ষা ও প্রাথমিকে একজন ও মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষায় উপমন্ত্রীসহ দুজন। আছেন একাধিক সচিব। আছেন শিক্ষা কর্মকর্তা ও পরামর্শক। কিন্তু পাঁচ মাস ধরে চলা শিক্ষা সংকট নিরসনে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেই। শিক্ষা খাত বাঁচাতে যে জরুরি প্রণোদনা প্রয়োজন, তা একবারও তাঁদের মাথায় এল না।

করোনার সংকট কত দিন স্থায়ী হবে, কেউ বলতে পারে না। আবার শিক্ষাকার্যক্রমও দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকতে পারে না। সরকার সহায়তা না করলে অনেক বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাবে। এতে ওই প্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তা, শিক্ষক-কর্মচারীরা তো ক্ষতিগ্রস্ত হবেনই; তবে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে শিক্ষার্থীরা। যারা একবার শিক্ষাঙ্গন থেকে ছিটকে পড়বে, তাদের ফিরিয়ে আনা সহজ হবে না। অতএব, যা করার এখনই করতে হবে।

করোনাকালে শতভাগ শিক্ষার্থীকে ইন্টারনেটের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। কোনো কোনো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের ল্যাপটপ দিয়েছে। এ ব্যাপারেও সরকার সহায়তা করতে পারে। একবার সরকারি উদ্যোগে ১০ হাজার টাকায় ল্যাপটপ বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। দুর্নীতির কারণে সেই প্রকল্প ভেস্তে গেছে। তাই নতুন কোনো প্রকল্পের কথা বলতেও দ্বিধা হয়।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


Advertise with us
আর্কাইভ ক্যালেন্ডার
রবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনি
 
১০১১১৩
১৫১৬১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
৩০ 
Advertise with us
আরও deshdiganto.com সংবাদ


Design and Development by : webnewsdesign.com