ঢাকা , বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
আপডেট :
রাসেল ও সোহেল এর নেতৃত্বে সংযুক্ত আরব আমিরাত জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন পর্তুগালে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিজয় মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন বড়লেখায় দুর্বৃত্তদের হামলায় নিজ বাড়িতে দুই ভাই খুন মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে পর্তুগাল বিএনপির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বড়লেখা বিএনপির গ্রুপিং, কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপ ছাড়া সমাধান সম্ভব নয় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস পালন করেছে বাংলাদেশ দুতাবাস পর্তুগাল মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে পর্তুগাল বিএনপির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কাজা দো বাংলাদেশ’র উদ্যোগে পর্তুগালে মহান বিজয় দিবস উদযাপন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন পর্তুগালে নতুন বেতন বিপ্লব: মন্টিনিগ্রোর উচ্চাভিলাষী অর্থনৈতিক রূপরেখা তারেক রহমান হবেন বাংলাদেশের মাহাথির মোহাম্মদ :দেশের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়

সবচেয়ে দ্রুত গতিসম্পন্ন ট্রেন এসে পৌঁছেছে দেশে

দেশদিগন্ত নিউজ ডেস্কঃ
  • আপডেটের সময় : ১১:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৯
  • / ১৫১২ টাইম ভিউ

১৪ ফেব্রুয়ারি- ইন্দোনেশিয়া থেকে আমদানি করা লাল-সবুজ রঙের নতুন রেল কোচগুলোর প্রথম চালান সৈয়দপুরে দেশের বৃহত্তম রেলওয়ে কারখানায় পৌঁছেছে।

রেলপথ মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, গত সপ্তাহে আমদানিকৃত কোচের ১৫টি রেলওয়ে কারখানায় পৌঁছায়। গত ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয় যান্ত্রিক নিরীক্ষণ। আর মঙ্গলবার থেকে এসব কোচ নিবিড় পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে রেলের পশ্চিমাঞ্চলীয় মহাব্যবস্থাপক খোন্দকার শহীদুল ইসলাম ও প্রধান যন্ত্র প্রকৌশলী মৃনাল কান্তি বণিক কোচগুলো পরিদর্শন করেছেন।সূত্র জানায়, ব্রডগেজ (বড়) লাইনের জন্য ইন্দোনেশিয়া থেকে ৫০টি কোচ আমদানির উদ্যোগ নেয় সরকার। অত্যাধুনিক এসব কোচ নির্মাণ করছে সে দেশের রাষ্ট্রীয় মালিকাধীন রেলওয়ে ক্যারেজ (কোচ) নির্মাণ প্রতিষ্ঠান পিটি ইন্ডাস্ট্রি কেরেতা এপি (ইনকা)। ওই প্রতিষ্ঠানে মিটার গেজ (ছোট) লাইনের জন্যও আরো ২০০টি কোচ নির্মাণ করা হচ্ছে।

ব্রডগেজ লাইনের জন্য ৫০টি কোচ আমদানিতে ব্যয় হয় ২১৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে ১৫টি কোচ সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় আনা হয়। কোচগুলো অত্যন্ত দ্রুত গতিসম্পন্ন, আধুনিক ও এর আসনগুলো খুব আরামদায়ক। ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটার চলতে সক্ষম এগুলো। বলা হচ্ছে এর আগে এত দ্রুত গতির ট্রেন বাংলাদেশে চলেনি।এছাড়া বিমানের মতো বায়োটয়লেট সংযোজন করা হয়েছে এসব কোচে। এতে চলন্ত ট্রেন থেকে নিচে পড়বে না মানববর্জ্য। ফলে ট্রেনটি হবে পরিবেশবান্ধব।

এসব কোচের খুঁটিনাটি পর্যবেক্ষণ এবং তদারকি করতে এরই মধ্যে ইন্দোনেশীয় ১১ জন বিশেষজ্ঞ এসেছেন। তাদের সঙ্গে নিয়ে সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার শ্রমিক প্রকৌশলীরা কোচগুলোর হাইড্রলিক ব্রেক ও যান্ত্রিক রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থা খতিয়ে দেখবেন।মার্চ মাসে ওই কোচগুলো পরীক্ষামূলকভাবে চালানো শুরু হবে। এর মাঝে বাকি কোচগুলো আনা হবে সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায়। যাবতীয় নিরীক্ষণ শেষে এ কোচগুলো দিয়ে চালানো হবে আন্তঃনগর ট্রেন।

তথ্যসূত্র: জাগোনিউজ

পোস্ট শেয়ার করুন

সবচেয়ে দ্রুত গতিসম্পন্ন ট্রেন এসে পৌঁছেছে দেশে

আপডেটের সময় : ১১:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৯

১৪ ফেব্রুয়ারি- ইন্দোনেশিয়া থেকে আমদানি করা লাল-সবুজ রঙের নতুন রেল কোচগুলোর প্রথম চালান সৈয়দপুরে দেশের বৃহত্তম রেলওয়ে কারখানায় পৌঁছেছে।

রেলপথ মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, গত সপ্তাহে আমদানিকৃত কোচের ১৫টি রেলওয়ে কারখানায় পৌঁছায়। গত ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয় যান্ত্রিক নিরীক্ষণ। আর মঙ্গলবার থেকে এসব কোচ নিবিড় পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে রেলের পশ্চিমাঞ্চলীয় মহাব্যবস্থাপক খোন্দকার শহীদুল ইসলাম ও প্রধান যন্ত্র প্রকৌশলী মৃনাল কান্তি বণিক কোচগুলো পরিদর্শন করেছেন।সূত্র জানায়, ব্রডগেজ (বড়) লাইনের জন্য ইন্দোনেশিয়া থেকে ৫০টি কোচ আমদানির উদ্যোগ নেয় সরকার। অত্যাধুনিক এসব কোচ নির্মাণ করছে সে দেশের রাষ্ট্রীয় মালিকাধীন রেলওয়ে ক্যারেজ (কোচ) নির্মাণ প্রতিষ্ঠান পিটি ইন্ডাস্ট্রি কেরেতা এপি (ইনকা)। ওই প্রতিষ্ঠানে মিটার গেজ (ছোট) লাইনের জন্যও আরো ২০০টি কোচ নির্মাণ করা হচ্ছে।

ব্রডগেজ লাইনের জন্য ৫০টি কোচ আমদানিতে ব্যয় হয় ২১৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে ১৫টি কোচ সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় আনা হয়। কোচগুলো অত্যন্ত দ্রুত গতিসম্পন্ন, আধুনিক ও এর আসনগুলো খুব আরামদায়ক। ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটার চলতে সক্ষম এগুলো। বলা হচ্ছে এর আগে এত দ্রুত গতির ট্রেন বাংলাদেশে চলেনি।এছাড়া বিমানের মতো বায়োটয়লেট সংযোজন করা হয়েছে এসব কোচে। এতে চলন্ত ট্রেন থেকে নিচে পড়বে না মানববর্জ্য। ফলে ট্রেনটি হবে পরিবেশবান্ধব।

এসব কোচের খুঁটিনাটি পর্যবেক্ষণ এবং তদারকি করতে এরই মধ্যে ইন্দোনেশীয় ১১ জন বিশেষজ্ঞ এসেছেন। তাদের সঙ্গে নিয়ে সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার শ্রমিক প্রকৌশলীরা কোচগুলোর হাইড্রলিক ব্রেক ও যান্ত্রিক রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থা খতিয়ে দেখবেন।মার্চ মাসে ওই কোচগুলো পরীক্ষামূলকভাবে চালানো শুরু হবে। এর মাঝে বাকি কোচগুলো আনা হবে সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায়। যাবতীয় নিরীক্ষণ শেষে এ কোচগুলো দিয়ে চালানো হবে আন্তঃনগর ট্রেন।

তথ্যসূত্র: জাগোনিউজ