ঢাকা , বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
আপডেট :
রাসেল ও সোহেল এর নেতৃত্বে সংযুক্ত আরব আমিরাত জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন পর্তুগালে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিজয় মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন বড়লেখায় দুর্বৃত্তদের হামলায় নিজ বাড়িতে দুই ভাই খুন মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে পর্তুগাল বিএনপির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বড়লেখা বিএনপির গ্রুপিং, কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপ ছাড়া সমাধান সম্ভব নয় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস পালন করেছে বাংলাদেশ দুতাবাস পর্তুগাল মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে পর্তুগাল বিএনপির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কাজা দো বাংলাদেশ’র উদ্যোগে পর্তুগালে মহান বিজয় দিবস উদযাপন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন পর্তুগালে নতুন বেতন বিপ্লব: মন্টিনিগ্রোর উচ্চাভিলাষী অর্থনৈতিক রূপরেখা তারেক রহমান হবেন বাংলাদেশের মাহাথির মোহাম্মদ :দেশের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়

বাংলাদেশের চায়ের প্রশংসায় পঞ্চমুখ সৌদি গণমাধ্যম

ছয়ফুল আলম সাইফুল, মৌলভীবাজার প্রতিনিধিঃ
  • আপডেটের সময় : ০৫:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ জানুয়ারী ২০১৯
  • / ১৮৩৮ টাইম ভিউ

 ছয়ফুল আলম সাইফুল, মৌলভীবাজার প্রতিনিধিঃ গত শতাব্দী থেকে ঐতিহ্যের সঙ্গে চা-পানের স্বাদ মানুষ উপভোগ করে আসছে বাংলাদেশের মানুষ। এবার সৌদির জনপ্রিয় গণমাধ্যম আরব নিউজে বাংলাদেশের সাত রঙের চায়ের স্বাদ নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

আরব নিউজের প্রতিবদেনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে বর্তমানে চা প্রেমীদের ‘সাত রঙা’ চায়ের স্বাদ বিপ্লব ঘটিয়েছে। ঢাকায় তৈরি ওই চায়ে সাত ধরনের রং ও সাত ধরনের স্বাদ রয়েছে। সিলেটের শ্রীমঙ্গলে এটি তৈরি করছেন ৩২ বছর বয়সী সাইফুল ইসলাম। চা উৎপাদক অঞ্চলে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। নতুন ধরনের চা তার অনুপ্রেরণা ছিল।

সাইফুল ইসলাম জানান, আমার ছোটবেলা থেকে দেখছি এখানকার উৎপন্ন চা সারা দেশ ও বিদেশে পাঠানো হয়। আমার পড়ালেখা শেষ করে আমি কিছু করার চিন্তা করি। ভালো স্বাদের সঙ্গে একটি ভালো চা উৎপাদন করার জন্য আমার আবেগ দিন দিন বেড়ে উঠেছে। আমি পরীক্ষা চালাই বিভিন্ন ধরনের চায়ের ওপর। শেষমেশ আমি জ্যাকপটের সঙ্গে আমার স্বপ্নকে মেলাই। আমি আবিষ্কার করি সাত রঙা চা।

এর আগে রমেশ রাম গৌর নামে সাইফুলের এক প্রতিবেশী পাঁচ লেয়ারের চা তৈরি করেছে ২০০৬ সালে। তখন ওই চা জনপ্রিয়তা পায়। গৌরের বিভিন্ন রঙের চা দেখে সাইফুল অনুপ্রেরণা পায়। পরে সে শ্রীমঙ্গলে একটি দোকান খোলে।

এর এক বছর পরে চাহিদা বাড়াতে ঢাকার খিলগাঁওয়ের তালতলা মার্কেটে সে চলে আসে। তালতলায় সাইফুলের দোকান চালু করার পর থেকে চাপ্রেমীদের কাছে এটি জনপ্রিয় হয়। চা প্রেমীরা খুশিতে এক ডলারের বিনিময়ে এ চা পানের অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারেন।

পোস্ট শেয়ার করুন

বাংলাদেশের চায়ের প্রশংসায় পঞ্চমুখ সৌদি গণমাধ্যম

আপডেটের সময় : ০৫:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ জানুয়ারী ২০১৯

 ছয়ফুল আলম সাইফুল, মৌলভীবাজার প্রতিনিধিঃ গত শতাব্দী থেকে ঐতিহ্যের সঙ্গে চা-পানের স্বাদ মানুষ উপভোগ করে আসছে বাংলাদেশের মানুষ। এবার সৌদির জনপ্রিয় গণমাধ্যম আরব নিউজে বাংলাদেশের সাত রঙের চায়ের স্বাদ নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

আরব নিউজের প্রতিবদেনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে বর্তমানে চা প্রেমীদের ‘সাত রঙা’ চায়ের স্বাদ বিপ্লব ঘটিয়েছে। ঢাকায় তৈরি ওই চায়ে সাত ধরনের রং ও সাত ধরনের স্বাদ রয়েছে। সিলেটের শ্রীমঙ্গলে এটি তৈরি করছেন ৩২ বছর বয়সী সাইফুল ইসলাম। চা উৎপাদক অঞ্চলে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। নতুন ধরনের চা তার অনুপ্রেরণা ছিল।

সাইফুল ইসলাম জানান, আমার ছোটবেলা থেকে দেখছি এখানকার উৎপন্ন চা সারা দেশ ও বিদেশে পাঠানো হয়। আমার পড়ালেখা শেষ করে আমি কিছু করার চিন্তা করি। ভালো স্বাদের সঙ্গে একটি ভালো চা উৎপাদন করার জন্য আমার আবেগ দিন দিন বেড়ে উঠেছে। আমি পরীক্ষা চালাই বিভিন্ন ধরনের চায়ের ওপর। শেষমেশ আমি জ্যাকপটের সঙ্গে আমার স্বপ্নকে মেলাই। আমি আবিষ্কার করি সাত রঙা চা।

এর আগে রমেশ রাম গৌর নামে সাইফুলের এক প্রতিবেশী পাঁচ লেয়ারের চা তৈরি করেছে ২০০৬ সালে। তখন ওই চা জনপ্রিয়তা পায়। গৌরের বিভিন্ন রঙের চা দেখে সাইফুল অনুপ্রেরণা পায়। পরে সে শ্রীমঙ্গলে একটি দোকান খোলে।

এর এক বছর পরে চাহিদা বাড়াতে ঢাকার খিলগাঁওয়ের তালতলা মার্কেটে সে চলে আসে। তালতলায় সাইফুলের দোকান চালু করার পর থেকে চাপ্রেমীদের কাছে এটি জনপ্রিয় হয়। চা প্রেমীরা খুশিতে এক ডলারের বিনিময়ে এ চা পানের অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারেন।