কুলাউড়া প্রতিনিধি: মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলায় রমজান মাসের শুরু থেকে বিদ্যুাতের ঘনঘন চলে যাওয়ার মাত্রা আরো অনেকগুন বেড়েছে, এযেনো লুকোচুরি খেলার মত । রমজানমাসে তা আরো বাড়িয়ে দেওয়া হলো দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন বিদ্যুৎ গ্রাহকারা ও ধর্মপ্রাণ মানুষ। অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন রমজান মাসের শেহরী, ইফতার ও তারাবীর নামাজের সময় বিদ্যুাৎ চলে যায়। এমন […]
কুলাউড়া প্রতিনিধি: মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলায় রমজান মাসের শুরু থেকে বিদ্যুাতের ঘনঘন চলে যাওয়ার মাত্রা আরো অনেকগুন বেড়েছে, এযেনো লুকোচুরি খেলার মত । রমজানমাসে তা আরো বাড়িয়ে দেওয়া হলো দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন বিদ্যুৎ গ্রাহকারা ও ধর্মপ্রাণ মানুষ। অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন রমজান মাসের শেহরী, ইফতার ও তারাবীর নামাজের সময় বিদ্যুাৎ চলে যায়। এমন কি প্রতি ঘন্টায় কম হলে একবার যায়,পৌর এলাকায় রাতে তো তা নিয়মিত রুটিনে পরিণত হয়েছে।
রমজান মাসের আগেও বিদ্যুত যেতো তবে দিনে তিন – চারবার । কিন্তু রমজান মাসের শুরু থেকেই বিদ্যুত যেভাবে বারবার যাওয়া আসা করে তাতে জন সাধারণ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন।
প্রায় সময়ই তারাবীর নামাজের সময় বিদ্যুৎ না থাকায় ক্ষোদ্ধ হোন পৌর এলাকার মুসল্লীরা। বিশেষ করে পৌরসভায় নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ লাইন থাকার পরও বারবার বিদুৎতের লুকোচুরি । এ নিয়ে সোস্যাল মিডিয়া প্রতিবাদের ঝড় চলতে থাকলেও তা নিয়ে নির্বাহী প্রকৌশলীর কোনো মাথা ব্যাথা নেই ।
আকাশ থেকে বৃষ্টি’র আভাস টিক মত পাওয়ার আগেই বিদুৎ চলে যায় অর্থাৎ হালকা বাতাস দিলেই অনির্দিষ্টকালের জন্য বিদ্যুৎ সঞ্চালন বন্ধ থাকে।
আর গ্রাহকদের হয়রানির শেষ নেই,বাড়তি রিডিং সহ কতশত অভিযোগ থাকলেও দেখার কেউ নেই ।এজন্য কয়েকবার মুটোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও কর্মকর্তাদের পাওয়া যায়নি
বিভিন্ন এলাকা থেকে পাওয়া খবরে জানা গেছে উপজেলার অনেক প্রত্যান্ত এলাকায় পল্লি বিদুৎতের ঘন্টার পর ঘন্টা লোডশেডিং এর কারণে জনমনে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিস কর্তৃপক্ষের কাছে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তারা ঝড়-বৃষ্টির অজুহাত দেখিয়ে বলেন যার কারণে স্বভাবিক ভাবে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে এবং মাঝে মধ্যে বিদ্যুৎ লাইনে ত্রুটি জনিত কারনে বিদ্যুৎ চলে যায়। তবে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তাদের এমন অজুহাত মানতে নারাজ বিদ্যুৎ গ্রাহকরা। তারা বলছেন সামান্য বাতাস বৃষ্টি ও ডাক হলে বিদ্যুৎ সংযোগ ঘন্টার পর ঘন্টা বন্ধ হয়ে যায়। এমনকি আকাশের অবস্থা স্বাভাবিক থাকার পরও ঘনঘন বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। উপজেলার কোথায়ও এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কাল বৈশাখী ঝড় হয়নি এমনকি বিদ্যুৎ লাইন বা খুটি কোথাও পড়েনি। ঝড়-বৃষ্টির অজুহাত দেখিয়ে পবিত্র রমজান মাসে বিদ্যুৎ এর লোডশেডিং এর কারনে জন সাধারণের দৈনন্দিন কার্যক্রম ও ইবাদত বন্দেগিতে বিঘ্ন ঘটছে বলে বিদ্যুৎ গ্রাহকরা জানিয়েছেন।
| রবি | সোম | মঙ্গল | বুধ | বৃহ | শুক্র | শনি |
|---|---|---|---|---|---|---|
| ১ | ২ | ৩ | ৪ | |||
| ৫ | ৭ | ৮ | ৯ | ১০ | ১১ | |
| ১ | ১৩ | ৪ | ১৫ | ১৬ | ১ | ৮ |
| ১৯ | ২০ | ২১ | ২২ | ২৩ | ২৪ | ২৫ |
| ২৬ | ২৭ | ২ | ৯ | ৩০ | ||