হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে জুয়ার আসরে অভিযান চালিয়ে ১২ জনকে আটক করেছে শায়েস্তাগঞ্জ থানার পুলিশ। বুধবার (২৪ জুন) এ অভিযান চালানো হয়। আটককৃতরা হলেন- আনোয়ার আলী (৪০), তাজুল ইসলাম (৩০), উজ্জ্বল মিয়া (২৯), খোকন মিয়া (২৬), মর্তুজ মিয়া (৩০), তাজুল ইসলাম (৪০), মো. সুমন মিয়া (২৪), নোমান মিয়া (২৮), আরব আলী (৩৪), সাদেক মিয়া (৩৯), ইসমাইল মিয়া […]
হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে জুয়ার আসরে অভিযান চালিয়ে ১২ জনকে আটক করেছে শায়েস্তাগঞ্জ থানার পুলিশ। বুধবার (২৪ জুন) এ অভিযান চালানো হয়।
আটককৃতরা হলেন- আনোয়ার আলী (৪০), তাজুল ইসলাম (৩০), উজ্জ্বল মিয়া (২৯), খোকন মিয়া (২৬), মর্তুজ মিয়া (৩০), তাজুল ইসলাম (৪০), মো. সুমন মিয়া (২৪), নোমান মিয়া (২৮), আরব আলী (৩৪), সাদেক মিয়া (৩৯), ইসমাইল মিয়া (২৮) ও তাজুল ইসলাম (৪২)।
শায়েস্তাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হোসেনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ বুধবার শায়েস্তাগঞ্জের কদমতলী এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে জুয়া খেলার সরঞ্জাম ও নগদ টাকাসহ ওই ১২ জনকে আটক করা হয়। এ ব্যাপারে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেছে।
শায়েস্তাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
উল্লেখ্য ১৯৭২ সালের সংবিধানে জুয়া বন্ধের বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়ার জন্য রাষ্ট্রকে নির্দেশনা দেয়া আছে,
যদিও পরবর্তীকালে এ বিষয়ে আর নতুন কোনো আইন হয়নি, তাই এখনো কার্যকর রয়ে গেছে দেড়শ বছরের বেশি পুরনো একটি আইন।
এদিকে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও বাংলাদেশে সরকারের কাছ থেকে লাইসেন্স বা পারমিট নিয়ে মদ বিক্রি ও পানের সুযোগ আছে।
আমাদের দেশে কথিত ‘ক্যাসিনো’ বহু শিক্ষিত ও ব্যাবসায়ীকে মানুষকে শেষ করে দিয়েছে, আর জুয়াখেলা এবং ক্যাসিনো ইত্যাদি নিয়ে এখন বাংলাদেশে বিস্তর আলোচনা হচ্ছে।
আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর বরাতে জানা যাচ্ছে ঢাকায় ই ষাটটি এমন ক্যাসিনোর অস্তিত্ব রয়েছে।
পশ্চিমা উন্নত দেশগুলোর পাশাপাশি বাংলাদেশের বিভিন্ন ক্লাবে বা আড্ডায় গোপনে একেবারে আধুনিক যন্ত্রপাতি ও উপকরণসজ্জিত এই ক্যাসিনোগুলোর অস্তিত্ব থাকবার খবর বাংলাদেশের মানুষের কাছে ভিন্ন ।