Advertise with us
আপনার এলাকার খবর
সম্পূর্ণ নিউজ deshdiganto.com

জাতীয়
১:০০ পূর্বাহ্ণ, ৩০ মে ২০২০

আগামীকাল সচলাবস্থায় ফিরছে দেশ

টানা ৬৭ দিনের সরকারী সাধারণ ছুটি শেষে শর্তসাপেক্ষে ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে আগামীকাল রোববার (৩১ মে) থেকে সীমিত আকারে চালু হচ্ছে দেশের সকল অফিস, আদালত, গণপরিবহন, লঞ্চ, ট্রেন, আভ্যন্তরীন বিমান ফ্লাইটসহ প্রভৃতি। খুলছে দোকানপাট, শপিং মল, ব্যবসা-বাণিজ্য। তবে সারা দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো আগামী ১৫ জুন পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। এ প্রসঙ্গে ইতোমধ্যেই গত বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি […]

আগামীকাল সচলাবস্থায় ফিরছে দেশ
৬ মিনিটে পড়ুন |

টানা ৬৭ দিনের সরকারী সাধারণ ছুটি শেষে শর্তসাপেক্ষে ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে আগামীকাল রোববার (৩১ মে) থেকে সীমিত আকারে চালু হচ্ছে দেশের সকল অফিস, আদালত, গণপরিবহন, লঞ্চ, ট্রেন, আভ্যন্তরীন বিমান ফ্লাইটসহ প্রভৃতি। খুলছে দোকানপাট, শপিং মল, ব্যবসা-বাণিজ্য। তবে সারা দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো আগামী ১৫ জুন পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। এ প্রসঙ্গে ইতোমধ্যেই গত বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা নতুন প্রজ্ঞাপনে এই আদেশ দেওয়া হয়েছে, যা ৩১ মে থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধকল্পে শর্ত সাপেক্ষে দেশের সার্বিক কার্যাবলি এবং জনসাধারণের চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ সীমিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এতে বলা হয়, ৩১ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত এ নির্দেশনা কার্যকর থাকবে। সরকারের জারি করা নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, নিষেধাজ্ঞাকালে এক জেলা থেকে অন্য জেলায় জনসাধারণের চলাচল কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত থাকবে। প্রতিটি জেলার প্রবেশ ও বহির্গমন পথে চেকপোস্টের ব্যবস্থা থাকবে। জেলা প্রশাসন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় এ নিয়ন্ত্রণ সতর্কভাবে বাস্তবায়ন করবে। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধকল্পে চলাচলে নিষেধাজ্ঞাকালে জনগণকে অবশ্যই ঘরে অবস্থান করতে হবে। রাত ৮টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত অতীব জরুরি প্রয়োজন ছাড়া (প্রয়োজনীয় ক্রয়-বিক্রয়, কর্মস্থলে যাতায়াত, ওষুধ ক্রয়, চিকিৎসাসেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ইত্যাদি) কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে আসা যাবে না। তবে সর্বাবস্থায়ই বাইরে চলাচলের সময় মাস্ক পরিধানসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। অন্যথায় নির্দেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিষেধাজ্ঞাকালীন জনসাধারণ ও সব কর্তৃপক্ষকে অবশ্যই স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের জারি করা নির্দেশমালা কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। হাট-বাজার, দোকানপাটে ক্রয়-বিক্রয়কালে পারস্পরিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে প্রতিপালন করতে হবে। শপিং মলের প্রবেশমুখে হাত ধোয়ার ব্যবস্থাসহ স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা রাখতে হবে। শপিং মলে আগত যানবাহনগুলোকে অবশ্যই জীবাণুমুক্ত করার ব্যবস্থা রাখতে হবে। হাট-বাজার, দোকানপাট এবং শপিং মলগুলো আবশ্যিকভাবে বিকাল ৪টার মধ্যে বন্ধ করতে হবে। আইনশৃঙ্খলা, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা কাজে নিয়োজিত সংস্থা এবং জরুরি পরিষেবা, যেমন ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরসমূহের (স্থলবন্দর, নদীবন্দর ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসগুলো, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতাবহির্ভূত থাকবে।

সড়ক ও নৌপথে সব ধরনের পণ্য পরিবহনের কাজে নিয়োজিত যানবাহন (ট্রাক, লরি, কার্গো ভেসেল প্রভৃতি) চলাচল অব্যাহত থাকবে। কৃষিপণ্য, সার, বীজ, কীটনাশক, খাদ্য, শিল্পপণ্য, রাষ্ট্রীয় প্রকল্পের মালামাল, কাঁচাবাজার, খাবার, ওষুধের দোকান, হাসপাতাল ও জরুরি সেবা এবং এসবের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মীদের ক্ষেত্রে এ নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না। চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিত চিকিৎসক, নার্স ও কর্মী এবং ওষুধসহ চিকিৎসা সরঞ্জামাদি বহনকারী যানবাহন ও কর্মী, গণমাধ্যম (ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়া) এবং ক্যাবল টিভি নেটওয়ার্কে নিয়োজিত কর্মীরা এ নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে থাকবেন।

ওষুধশিল্প, কৃষি এবং উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রগুলো, উৎপাদন ও রপ্তানিমুখী শিল্পসহ সব কারখানা কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের নিরাপত্তা এবং স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করে চালু রাখতে পারবে। স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের প্রণীত ‘বিভিন্ন শিল্প-কারখানায় স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতকরণে নির্দেশনা’ প্রতিপালন নিশ্চিত করতে হবে। নিষেধাজ্ঞাকালীন কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা রাখা যাবে না। তবে অনলাইন কোর্স বা ডিসটেন্স লার্নিং অব্যাহত থাকবে। ব্যাংকিং ব্যবস্থা পূর্ণভাবে চালু করার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবে। সব সরকারি/আধা-সরকারি/স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিসসমূহ নিজ ব্যবস্থাপনায় সীমিত পরিসরে খোলা থাকবে।

ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তি, অসুস্থ কর্মচারী এবং সন্তানসম্ভবা নারীরা কর্মস্থলে উপস্থিত হওয়া থেকে বিরত থাকবেন। এ ক্ষেত্রে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতকরণের জন্য স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ থেকে জারি করা ১৩ দফা নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে। জরুরি অত্যাবশ্যকীয় ক্ষেত্র ছাড়া সব সভা ভার্চুয়াল উপস্থিতিতে আয়োজন করতে হবে। এই নিষেধাজ্ঞাকালে কেউ কর্মস্থল ত্যাগ করতে পারবেন না।

এই সময়ে শর্ত সাপেক্ষে সীমিত পরিসরে নির্দিষ্টসংখ্যক যাত্রী নিয়ে স্বাস্থ্যসম্মত বিধিনিষেধ নিশ্চিত করে গণপরিবহন, যাত্রীবাহী নৌযান ও রেল চলাচল করতে পারবে। তবে সর্বাবস্থায় মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের জারি করা নির্দেশনা কঠোরভাবে মেনে চলা নিশ্চিত করতে হবে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগ এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে। বিমান কর্তৃপক্ষ নিজ ব্যবস্থাপনায় বিমান চলাচলের বিষয়ে বিবেচনা করবে। নিষেধাজ্ঞাকালে সব ধরনের সভা-সমাবেশ, গণজমায়েত ও অনুষ্ঠান আয়োজন বন্ধ থাকবে। স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে মসজিদসমূহে জনসাধারণের জামাতে নামাজ আদায় এবং অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে প্রার্থনা অনুষ্ঠান অব্যাহত থাকবে।

চলবে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট : বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের উদ্ধৃতি দিয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সব স্বাস্থ্যবিধি ও বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের নীতিমালা অনুসরণ করে ১ জুন থেকে সীমিত পরিসরে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও সৈয়দপুর রুটে বিমানের অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট চলাচল করবে। একই আদেশে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক রুটে শিডিউল প্যাসেঞ্জার ফ্লাইটে যাত্রী পরিবহনের নিষেধাজ্ঞা ১৫ জুন পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। তবে কার্গো, ত্রাণ সাহায্য, এয়ার অ্যাম্বুলেন্স, জরুরি অবতরণ ও স্পেশাল ফ্লাইট কার্যক্রম চালু থাকবে।

ট্রেনের সিদ্ধান্ত (আজ) শনিবার : মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা প্রজ্ঞাপনে সীমিত আকারে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ট্রেন চালুর বিষয়ে বলা হয়েছে। তবে কবে থেকে ট্রেন চালু হবে এ বিষয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। রেলওয়ে সূত্র জানিয়েছে, আগামীকাল শনিবার দুপুরে এ নিয়ে রেল ভবনে বৈঠকের পর ট্রেন চালুর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে। অবশ্য সূত্র জানিয়েছে, সীমিত আকারে স্বাস্থ্যবিধি মেনেই ট্রেন চলাচল শুরু হবে।

শেয়ারবাজারের লেনদেন রবিবার (আগামীকাল) থেকে : দুই মাসের বেশি সময় ধরে বন্ধ থাকার পর আগামী রবিবার থেকে দেশের শেয়ারবাজারে লেনদেন চালু হচ্ছে। গতকাল নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) লেনদেন চালু করার অনুমতি দেয়। বিএসইসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিশন সভায় এ অনুমতি দেওয়া হয়।

বিএসইসির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কভিড-১৯ এর বিস্তাররোধে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় প্রণীত সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি সংক্রান্ত অফিস আদেশ পরিপালন সাপেক্ষে উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই ও সিএসই) লেনদেন ও সেটেলমেন্টসহ এ সংক্রান্ত সব কর্মকা- পুনরায় শুরু করার জন্য বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের পক্ষ থেকে অনাপত্তি প্রদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিএসইসির সিদ্ধান্তের বিষয়ে ডিএসইর পরিচালক রকিবুর রহমান বলেন, শেয়ারবাজারে আবার লেনদেন চালু করার অনুমতি দেওয়ায় কমিশনকে আন্তরিক ধন্যবাদ। তারা একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামী রবিবার থেকে শেয়ারবাজাওে লেনদেন শুরু হবে। এর জন্য নতুন করে ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদ সভা করার প্রয়োজন নেই। ম্যানেজমেন্ট থেকে শিগগির বিষয়টি সবাইকে জানিয়ে দেওয়া হবে।

স্বাভাবিক হচ্ছে ব্যাংকিং কার্যক্রম : আগামী ৩১ মে রবিবার থেকে স্বাভাবিক ব্যাংকিং কার্যক্রম চালু হবে। ওইদিন থেকে আগের সময়সূচি অনুযায়ী ব্যাংকের লেনদেন হবে সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। তবে করোনা ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় সীমিত আকারে অর্থাৎ ১০টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত ব্যাংকিং কার্যক্রম চলবে। ইতোমধ্যেই বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব অফ-সাইট সুপারভিশন থেকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দিয়ে একটি সার্কুলার জারি করা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন সার্কুলারে বলা হয়েছে, স্বাভাবিক লেনদেন চালু হলেও স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস প্রতিরোধ সংক্রান্ত স্বাস্থ্যবিধি পরিপূর্ণ পরিপালন করতে বলা হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদফতর ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসন কর্তৃক ঘোষিত করোনাভাইরাস সংক্রমিত মাঝারি ও উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় অবস্থিত ব্যাংক শাখাসমূহ দৈনিক ব্যাংকিং লেনদেন পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত সকাল ১০টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত হবে।

এক্ষেত্রে লেনদেন পরবর্তী আনুষঙ্গিক কার্যক্রম সম্পাদনের জন্য সংশ্লিষ্ট শাখা এবং প্রধান কার্যালয়ের বিভাগ বিকাল ৪টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে।

ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা সম্পর্কিত সংশ্লিষ্ট স্থানীয় প্রশাসনের স্বাস্থ্য বিভাগ এ নির্দেশনা নির্ধারণ করবে। পাশাপাশি এসব এলাকায় অবস্থিত শাখার তালিকা বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব অফ-সাইট সুপারভিশনে জানাতে হবে। সমুদ্র, স্থল ও বিমানবন্দর এলাকায় অবস্থিত ব্যাংকের শাখা বুথ সপ্তাহের সাত দিন ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখার বিষয় যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অফিসে যাতায়াতের জন্য ব্যাংকে নিজ দায়িত্বে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

Facebook Comments Box
×
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর

৩ বছর আগে
জাতীয়

Advertise with us
আর্কাইভ ক্যালেন্ডার
রবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনি
 
১০১১
১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭৩০ 
Advertise with us
আরও deshdiganto.com সংবাদ


Design and Development by : webnewsdesign.com