ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
আপডেট :
রাসেল ও সোহেল এর নেতৃত্বে সংযুক্ত আরব আমিরাত জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন পর্তুগালে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিজয় মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন বড়লেখায় দুর্বৃত্তদের হামলায় নিজ বাড়িতে দুই ভাই খুন মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে পর্তুগাল বিএনপির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বড়লেখা বিএনপির গ্রুপিং, কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপ ছাড়া সমাধান সম্ভব নয় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস পালন করেছে বাংলাদেশ দুতাবাস পর্তুগাল মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে পর্তুগাল বিএনপির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কাজা দো বাংলাদেশ’র উদ্যোগে পর্তুগালে মহান বিজয় দিবস উদযাপন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন পর্তুগালে নতুন বেতন বিপ্লব: মন্টিনিগ্রোর উচ্চাভিলাষী অর্থনৈতিক রূপরেখা তারেক রহমান হবেন বাংলাদেশের মাহাথির মোহাম্মদ :দেশের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়

ভোররাতে শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইন্দোনেশিয়া

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটের সময় : ০১:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২০
  • / ৫৮৪ টাইম ভিউ

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দ্বীপরাষ্ট্র ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলে আঘাত হেনেছে শক্তিশালী মাপের একটি ভূমিকম্প। রিখটার স্কেলে যার মাত্রা ছিল ৬। যদিও কম্পনের ফলে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত কিংবা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

রোববার (১৯ জানুয়ারি) ভোররাতে পাপুয়া প্রদেশে কম্পনটি অনুভূত হয়। ৬ মাত্রার হওয়ায় এটিকে অত্যন্ত জোরালো ভূমিকম্পই বলা চলে।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানায়, ভূমিকম্পের উৎপত্তি স্থল ছিল প্রাদেশিক রাজধানী জয়াপুরা থেকে প্রায় ১৫৮ কিলোমিটার দূরে (৯৮ মাইল)। এর গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩৪ কিলোমিটার নিচে। শক্তিশালী এই ভূমিকম্পের পর এখন পর্যন্ত কোনো সুনামির সতর্কতা জারি করা হয়নি।

উল্লেখ্য, প্যাসিফিক রিং অফ ফায়ারে অবস্থিত হওয়ায় ইন্দোনেশিয়ায় প্রায়ই এমন ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ২০০৪ সালে ভারত মহাসাগরের এক শক্তিশালী ভূমিকম্প এবং সুনামির আঘাতে পার্শ্ববর্তী কয়েকটি দেশের প্রায় দুই লক্ষাধিক লোকের মৃত্যু হয়। যাদের মধ্যে অধিকাংশ ছিল ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক।

পোস্ট শেয়ার করুন

ভোররাতে শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইন্দোনেশিয়া

আপডেটের সময় : ০১:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২০

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দ্বীপরাষ্ট্র ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলে আঘাত হেনেছে শক্তিশালী মাপের একটি ভূমিকম্প। রিখটার স্কেলে যার মাত্রা ছিল ৬। যদিও কম্পনের ফলে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত কিংবা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

রোববার (১৯ জানুয়ারি) ভোররাতে পাপুয়া প্রদেশে কম্পনটি অনুভূত হয়। ৬ মাত্রার হওয়ায় এটিকে অত্যন্ত জোরালো ভূমিকম্পই বলা চলে।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানায়, ভূমিকম্পের উৎপত্তি স্থল ছিল প্রাদেশিক রাজধানী জয়াপুরা থেকে প্রায় ১৫৮ কিলোমিটার দূরে (৯৮ মাইল)। এর গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩৪ কিলোমিটার নিচে। শক্তিশালী এই ভূমিকম্পের পর এখন পর্যন্ত কোনো সুনামির সতর্কতা জারি করা হয়নি।

উল্লেখ্য, প্যাসিফিক রিং অফ ফায়ারে অবস্থিত হওয়ায় ইন্দোনেশিয়ায় প্রায়ই এমন ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ২০০৪ সালে ভারত মহাসাগরের এক শক্তিশালী ভূমিকম্প এবং সুনামির আঘাতে পার্শ্ববর্তী কয়েকটি দেশের প্রায় দুই লক্ষাধিক লোকের মৃত্যু হয়। যাদের মধ্যে অধিকাংশ ছিল ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক।