ঢাকা , বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
আপডেট :
রাসেল ও সোহেল এর নেতৃত্বে সংযুক্ত আরব আমিরাত জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন পর্তুগালে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিজয় মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন বড়লেখায় দুর্বৃত্তদের হামলায় নিজ বাড়িতে দুই ভাই খুন মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে পর্তুগাল বিএনপির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বড়লেখা বিএনপির গ্রুপিং, কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপ ছাড়া সমাধান সম্ভব নয় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস পালন করেছে বাংলাদেশ দুতাবাস পর্তুগাল মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে পর্তুগাল বিএনপির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কাজা দো বাংলাদেশ’র উদ্যোগে পর্তুগালে মহান বিজয় দিবস উদযাপন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন পর্তুগালে নতুন বেতন বিপ্লব: মন্টিনিগ্রোর উচ্চাভিলাষী অর্থনৈতিক রূপরেখা তারেক রহমান হবেন বাংলাদেশের মাহাথির মোহাম্মদ :দেশের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়

স্মৃতির ডায়রি থেকে নিজামুল ইসলাম

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটের সময় : ০৯:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অগাস্ট ২০১৯
  • / ৭৭৩ টাইম ভিউ

স্মৃতির ডায়েরী থেকে এমন একজন ব্যক্তিকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করব যার ইতিহাস লিখে কখনো শেষ হবে না উনার হাত ধরেই ফুটবল অঙ্গনে আমার বিচরণ আমার খুবই কাছের মানুষ ছিলেন উনি উনার ফুটবল খেলা দেখে কুলাউড়া স্কুল মাঠের হাজারো হাজারো দর্শক করতালিতে মুখরিত করতো ফুটবল মাঠ কুলাউরা ফুটবল মাঠের উজ্জ্বল এক নক্ষত্র নাম মরহুম নিজামুল ইসলাম নিজাম ভাই ।উনার কথা কি লিখবো লিখে শেষ হবেনা ভাবতেও অবাক লাগে এই হাস্যোজ্জ্বল মানুষটা আমাদেরকে রেখে নীরবে-নিভৃতে পরপারে চলে গেলেন উনার অনেক স্মৃতি আমাকে খুব বেশি পীড়া দেয় কারণ উনি আমাকে খুব বেশি স্নেহ করতেন মৃত্যুর কিছুদিন আগে ও রুস্তাব ভাইর বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলেন ওখানে গিয়ে ও রুস্তাব ভাইর সাথে কথা হয় পাগল কোথায় আছে পাগল কই উনি আমাকে পাগল বলেই ডাকতেন ইরান থেকে দেশে আসার পর আমার ও লিটনের সাথে টেলিফোনে খুব বেশি যোগাযোগ ছিল প্রত্যেকদিন কথা হতো জীবন দার ফার্মেসীতে বসেও কথা হয়েছিল নিজাম ভাইয়ের বাসার সামনে একটা ছোট্ট কালবাট ছিলো রাত্রে প্রায়ই বসে আমি মরহুম মুজিব কুতুব ভাই রুস্তাব ভাই তপনদা বসে গল্প করতাম এই স্মৃতিময় দিনগুলি এখনো আমার মনে পড়ে মাঝেমধ্যে জীবন দা ও আমাদের গল্পে শরিক হতেন পরিশেষে দোয়া করি আল্লাহ যেন উনার বিরোহী আক্তার মাগফেরাত কামনা করছি “অামিন”

পোস্ট শেয়ার করুন

স্মৃতির ডায়রি থেকে নিজামুল ইসলাম

আপডেটের সময় : ০৯:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অগাস্ট ২০১৯

স্মৃতির ডায়েরী থেকে এমন একজন ব্যক্তিকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করব যার ইতিহাস লিখে কখনো শেষ হবে না উনার হাত ধরেই ফুটবল অঙ্গনে আমার বিচরণ আমার খুবই কাছের মানুষ ছিলেন উনি উনার ফুটবল খেলা দেখে কুলাউড়া স্কুল মাঠের হাজারো হাজারো দর্শক করতালিতে মুখরিত করতো ফুটবল মাঠ কুলাউরা ফুটবল মাঠের উজ্জ্বল এক নক্ষত্র নাম মরহুম নিজামুল ইসলাম নিজাম ভাই ।উনার কথা কি লিখবো লিখে শেষ হবেনা ভাবতেও অবাক লাগে এই হাস্যোজ্জ্বল মানুষটা আমাদেরকে রেখে নীরবে-নিভৃতে পরপারে চলে গেলেন উনার অনেক স্মৃতি আমাকে খুব বেশি পীড়া দেয় কারণ উনি আমাকে খুব বেশি স্নেহ করতেন মৃত্যুর কিছুদিন আগে ও রুস্তাব ভাইর বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলেন ওখানে গিয়ে ও রুস্তাব ভাইর সাথে কথা হয় পাগল কোথায় আছে পাগল কই উনি আমাকে পাগল বলেই ডাকতেন ইরান থেকে দেশে আসার পর আমার ও লিটনের সাথে টেলিফোনে খুব বেশি যোগাযোগ ছিল প্রত্যেকদিন কথা হতো জীবন দার ফার্মেসীতে বসেও কথা হয়েছিল নিজাম ভাইয়ের বাসার সামনে একটা ছোট্ট কালবাট ছিলো রাত্রে প্রায়ই বসে আমি মরহুম মুজিব কুতুব ভাই রুস্তাব ভাই তপনদা বসে গল্প করতাম এই স্মৃতিময় দিনগুলি এখনো আমার মনে পড়ে মাঝেমধ্যে জীবন দা ও আমাদের গল্পে শরিক হতেন পরিশেষে দোয়া করি আল্লাহ যেন উনার বিরোহী আক্তার মাগফেরাত কামনা করছি “অামিন”