Advertise with us
আপনার এলাকার খবর
সম্পূর্ণ নিউজ deshdiganto.com

শিক্ষা সংবাদ
৭:৪৮ অপরাহ্ণ, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

এসএসসি পরীক্ষা দিল তাওসিফ বাবার মরদেহ বাড়িতে রেখে

দেশদিগন্ত ডেস্কঃ  কক্সবাজারের পেকুয়া মডেল সরকারি স্কুল থেকে এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে মো: তাওসিফ। এদিকে তাওসিফ বিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী ছাত্র। আজ ৭ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার ইংরেজি পরীক্ষার কেন্দ্র ছিল পেকুয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। এদিকে সকাল সাড়ে ৮টা যথা সময়ে পরীক্ষার জন্য বের হওয়ার জন্য প্রস্তুত। ওই সময় শিক্ষক পিতা নাজেম উদ্দিনের মরদেহ বাড়িতে পৌঁছাল। এ সময় বাবার […]

এসএসসি পরীক্ষা দিল তাওসিফ বাবার মরদেহ বাড়িতে রেখে
দেশদিগন্ত ডেস্কঃ
২ মিনিটে পড়ুন |

দেশদিগন্ত ডেস্কঃ  কক্সবাজারের পেকুয়া মডেল সরকারি স্কুল থেকে এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে মো: তাওসিফ। এদিকে তাওসিফ বিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী ছাত্র। আজ ৭ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার ইংরেজি পরীক্ষার কেন্দ্র ছিল পেকুয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। এদিকে সকাল সাড়ে ৮টা যথা সময়ে পরীক্ষার জন্য বের হওয়ার জন্য প্রস্তুত। ওই সময় শিক্ষক পিতা নাজেম উদ্দিনের মরদেহ বাড়িতে পৌঁছাল।

এ সময় বাবার মরদেহ দেখে কান্নায় ভেঙ্গে পড়লেও পরীক্ষা দেয়ার কাজ থেকে পিছিয়ে যায়নি সে। অবেশেষ পিতার মরদেহ রেখেই চলে গেলেন পরীক্ষার হলে। পরীক্ষা শেষে বাড়িতে ফেরার সাথে সাথেই এলাকায় হৃদয় বিদারক পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

জানা যায়, পেকুয়া গোঁয়াখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাওলানা নাজেম উদ্দিন (৪৫) গতকাল হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৬টায় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন তিনি। এদিকে সাড়ে ৮টায় গ্রামের বাড়ি পূর্ব গোঁয়াখালীস্থ পরিবারে মরদেহ চলে আসলেও পুত্র তাওসিফ এসএসসি পরীক্ষা দেওয়ার ঘটনাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন পরীক্ষার সংশ্লিষ্টরা।

এ সময় পেকুয়া উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক ছেলের চাঁচা নেজাম উদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমার ভাই অনেক ভাল মানুষ ছিলেন। শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত থেকে মৃত্যুবরণ করেছেন। ছেলে মেয়েদের তার আদর্শে মানুষ করেছেন। ছেলে তাওসিফ নিজের ইচ্ছায় পিতার মরদেহ বাড়িতে রেখে পরীক্ষা দিতে গেছে।’

এ সময় পেকুয়া মড়েল সরকারি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জহির উদ্দিন বলেন, ‘তাওসিফ খুব মেধাবী ছাত্র। অষ্টম শ্রেনীর পরিক্ষায় গোল্ডেন এ প্লাস ও বৃত্তি পেয়েছে। এসএসসিতেও ইনশাল্লাহ ভাল করবে। তার পিতা আর নাই একথা জানার পরও পরীক্ষা দেয়ায় আমরা অনেক খুশি। দোয়া করি আমার ছাত্র অনেক বড় হবে।’

তাছাড়া কেন্দ্র সচিব আবদুল কাদের বলেন, ‘পিতার মৃত্যুর সংবাদটি আমরা পাওয়ার সাথে সাথে পরীক্ষার হলে গিয়ে ওই ছাত্রের সাথে দেখা করি। চেহারায় কষ্টের ভাব দেখা গেলেও মানসিকভাবে অনেক শক্তিশালী থাকায় খাতার লেখাতে যথেষ্ট মনোযোগী ছিল।’

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


Advertise with us
আর্কাইভ ক্যালেন্ডার
রবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনি
 
১০১১
১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭৩০ 
Advertise with us
আরও deshdiganto.com সংবাদ


Design and Development by : webnewsdesign.com