Advertise with us
আপনার এলাকার খবর
সম্পূর্ণ নিউজ deshdiganto.com

ক্রিকেট
১২:৪৭ পূর্বাহ্ণ, ৩০ অক্টোবর ২০১৭

শূন্যহাতে দেশে ফিরছেন সাকিবরা

বিভীষিকার সফরে একটি ম্যাচেও জয়ের পথ খুঁজে পায়নি বাংলাদেশ। শেষটা হল আরেকটি দুঃস্বপ্নের হার দিয়ে। টানা হারে চুরমার হয়ে যাওয়া আত্মবিশ্বাস খানিকটা জোড়া দিতে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের শেষ ম্যাচটা খুব করেই জিততে চেয়েছিলেন সাকিবরা। সেই চাওয়া ও পাওয়ার মধ্যে চীনের প্রাচীর হয়ে দাঁড়ালেন ডেভিড মিলার। তার রেকর্ড ভাঙা খুনে সেঞ্চুরিতে রোববার পচেফস্ট্রুমের সেনওয়েস পার্কে সিরিজের […]

শূন্যহাতে দেশে ফিরছেন সাকিবরা
দেশদিগন্ত :
৩ মিনিটে পড়ুন |

বিভীষিকার সফরে একটি ম্যাচেও জয়ের পথ খুঁজে পায়নি বাংলাদেশ। শেষটা হল আরেকটি দুঃস্বপ্নের হার দিয়ে। টানা হারে চুরমার হয়ে যাওয়া আত্মবিশ্বাস খানিকটা জোড়া দিতে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের শেষ ম্যাচটা খুব করেই জিততে চেয়েছিলেন সাকিবরা।

সেই চাওয়া ও পাওয়ার মধ্যে চীনের প্রাচীর হয়ে দাঁড়ালেন ডেভিড মিলার। তার রেকর্ড ভাঙা খুনে সেঞ্চুরিতে রোববার পচেফস্ট্রুমের সেনওয়েস পার্কে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টি ২০ ম্যাচে চার উইকেটে ২২৪ রানের হিমালয় গড়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। জবাবে শুরুতেই মুখ থুবড়ে পড়া বাংলাদেশ খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে ১৮.৩ ওভারে ১৪১ রানে গুটিয়ে যায়।

দক্ষিণ আফ্রিকা পায় ৮৩ রানের অনায়াস জয়। ৩৭ রানে চার উইকেট হারানোর ধাক্কা আর সামলে উঠতে পারেনি অতিথিরা। সৌম্য (৪৪), মাহমুদউল্লাহ (২৪) ও সাইফউদ্দিনের (২৩) ব্যাটে হারের ব্যবধানই শুধু কমাতে পারে বাংলাদেশ। মিলার যেখানে ৩৫ বলে তিন অঙ্ক ছুঁয়ে টি ২০তে দ্রুততম সেঞ্চুরির নতুন বিশ্বরেকর্ড গড়েন, বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা সেখানে দুই অঙ্ক ছুঁতেই সংগ্রাম করেছেন। টেস্ট ও ওয়ানডের পর টি ২০ সিরিজেও হোয়াইটওয়াশ হয়ে একেবারে শূন্যহাতে দেশে ফিরছেন সাকিবরা।

এর আগে পচেফস্ট্রুমে সিরিজের শেষ টি ২০ ম্যাচে টস জিতে বাংলাদেশের ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত শুরুতে সঠিকই মনে হচ্ছিল। বোলিংয়ে একেবারে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে দলকে দারুণ সূচনা এনে দিয়েছিলেন অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। তার জোড়া আঘাতে প্রথম পাঁচ ওভারে ৩৭ রান তুলতেই দুই উইকেট হারিয়ে ফেলে দক্ষিণ আফ্রিকা। এরপর হাশিম আমলার শিল্পিত তাণ্ডব এবং ডেভিড মিলারের খুনে ব্যাটিং ম্যাচ থেকে কার্যত ছিটকে দেয় বাংলাদেশকে।

শূন্য রানে জীবন পাওয়া ‘কিলার’ মিলার ইনিংসের শেষভাগে একেবারে কাঁদিয়ে ছাড়েন বাংলাদেশের বোলারদের। তার রেকর্ডগড়া টর্নেডো সেঞ্চুরিতে শেষ পর্যন্ত চার উইকেটে ২২৪ রানের পাহাড় গড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা।

টি ২০তে বাংলাদেশের বিপক্ষে এটাই কোনো দলের সর্বোচ্চ সংগ্রহ। দলকে রান পাহাড়ের চূড়ায় নিয়ে যাওয়ার পথে আন্তর্জাতিক টি ২০তে দ্রুততম সেঞ্চুরির বিশ্বরেকর্ডটি নিজের করে নেন মিলার। মাত্র ৩৫ বলে তিন অঙ্ক ছুঁয়ে স্বদেশি রিচার্ড লেভির ৪৫ বলে সেঞ্চুরির আগের রেকর্ডটি অনায়াসে ভেঙে দেন তিনি।

শেষ পর্যন্ত সাত চার ও নয় ছক্কায় ৩৬ বলে ১০১ রানে অপরাজিত থাকেন মিলার। মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের করা ইনিংসের ১৯তম ওভারে টানা পাঁচটি ছক্কা হাঁকিয়ে যুবরাজ সিংয়ের ছয় বলে ছয় ছক্কার রেকর্ড ছোঁয়ার পথেই ছিলেন মিলার। ওই ওভারের শেষ বলে এক রান দিয়ে লজ্জার রেকর্ডটি এড়াতে পারেন সাইফউদ্দিন। মিলারের তাণ্ডবে শেষ পাঁচ ওভারেই ৯০ রান তোলে দক্ষিণ আফ্রিকা। অথচ প্রথম দশ ওভার শেষে দক্ষিণ আফ্রিকার রান ছিল তিন উইকেটে ৭৮। পরের পাঁচ ওভারে আসে ৫৬ রান।

সর্বনাশটা হয়েছে শেষ পাঁচ ওভারে। শুরুতে নিজের পর পর দুই ওভারে ১৪ রানের মধ্যে মোসেলে ও জেপি ডুমিনিকে ফিরিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকাকে কাঁপিয়ে দিয়েছিলেন সাকিব। ইনিংসের দশম ওভারে ঝড় তোলার আগেই ডি ভিলিয়ার্সকে (১৫ বলে ২০) ফিরিয়ে দেন সাইফউদ্দিন।

পরের ওভারেই ধরা দিতে পারত আরও একটি বড় উইকেট। কিন্তু রুবেলের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়েও বেঁচে যান মিলার। বল গ্লাভসে নিলেও জমাতে পারেননি মুশফিকুর। শূন্যরানে জীবন পাওয়ার পর ১৮ রানের মধ্যে আরও দু’বার অল্পের জন্য বেঁচে যান মিলার। ওই সময় একপ্রান্ত আগলে রেখে রানের চাকা সচল রেখেছিলেন হাশিম আমলা।

শেষ পর্যন্ত ১১ চার ও এক ছক্কায় ৫১ বলে ৮৫ রান করে সাইফউদ্দিনের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন প্রোটিয়া ওপেনার। ততক্ষণে শুরু হয়ে গেছে মিলারের খুনে ব্যাটিং। ২৪ বলে ফিফটি ছোঁয়া মিলার পরের ৫০ রান করেছেন মাত্র ১১ বলে!

দুঃস্বপ্নের ম্যাচে ২২ রানে দুই উইকেট নিয়ে দলের সফলতম বোলার সাকিব। বাকি সবার ওপর দিয়েই ঝড় বয়ে গেছে। দুই উইকেট নিতে চার ওভারে ৫৩ রান দিয়েছেন সাইফউদ্দিন। এছাড়া তাসকিন তিন ওভারে ৪১, মিরাজ চার ওভারে ৪৬ ও রুবেল চার ওভারে দিয়েছেন ৫১ রান।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর

আজ ম্যাশের জন্মদিন
৬ বছর আগে

Advertise with us
আর্কাইভ ক্যালেন্ডার
রবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনি
 
১০১১
১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭৩০ 
Advertise with us
আরও deshdiganto.com সংবাদ


Design and Development by : webnewsdesign.com