ঢাকা , শনিবার, ০৪ মে ২০২৪, ২১ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
আপডেট :
পবিত্র কাবা থেকে বদরের প্রান্তরে… কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি শরিফুল আলম কে সংবর্ধনা দিয়েছে মনফালকনে গরিজিয়া বিএনপি ইতালির মিলানে রকমারি সাজে নানান আয়োজনে প্রবাসীদের বৈশাখী অনুষ্ঠান সম্পন্ন বর্তমান পরিস্থিতির উপর দেশবাসীকে যে বার্তা দিলেন শায়খ নূরে আলম হামিদী স্বাধিনতা মানে শুধুমাত্র নিজস্ব মানচিত্র অর্জন নয়, চাই বাকস্বাধীনতা ও গণতন্ত্র ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে পূর্ব লন্ডনে বড়লেখার সোয়েব আহমেদের সমর্থনে মতবিনিময় সভা ইতালির ভেনিসে গ্রিন সিলেট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন এর জরুরি সভা অনুষ্ঠিত ইতালির ভেনিসে এনটিভির ইউরোপের ডিরেক্টর সাবরিনা হোসাইন কে সংবর্ধনা দিয়েছে ইউরোপিয়ান বাংলা প্রেসক্লাব পর্তুগালে বেজা আওয়ামীলীগের কর্মি সভা পর্তুগাল এ ফ্রেন্ডশিপ ক্রিকেট ক্লাবের জার্সি উন্মোচন

‘ভুল বুঝতে পেরে ভারতের সুর একটু বদল হয়েছে’

অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : ১১:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জুন ২০১৭
  • / ১১৮৪ টাইম ভিউ

বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, ‘২০১৪ সালের নির্বাচনে প্রতিবেশী দেশ আওয়ামী লীগকে সমর্থন দিয়েছিলো। এবার তারা তাদের ভুল বুঝতে পেরেছে। তাই এবার তাদের সুর একটু বদল হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘আগামী নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেবে। সেই নির্বাচনে বিএনপি জিতবে। আমরা সহায়ক সরকারের কথা বলেছি, সহায়ক সরকারের অধীনেই নির্বাচন হতে হবে। আগামীতে বিএনপি ও ২০ দল ছাড়া দেশে কোনো নির্বাচন হবে না। আওয়ামী লীগ কোনো নির্বাচন করতে পারবে না।’
বৃহস্পতিবার ঢাকার ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন মিলনায়তনে ঢাকা দক্ষিণ বিএনপি আয়োজিত ইফতার পার্টিতে খালেদা জিয়া এ সব কথা বলেন। এসময় তিনি বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে পাহাড় ধসে ১৫৫ জন লোক মারা গেছে, আর্মিও মারা গেছে, এখনো অনেক নিখোঁজ রয়েছে। আর আওয়ামী লীগের নেত্রী এখন প্লেজার ট্রিপ-এ আছেন, আনন্দ ভ্রমণে আছেন। তার দেশের মানুষের প্রতি কোনো মমতা নেই। হাসিনা বলে তিনি নাকি দেশের মানুষের জন্য জীবন দিতে প্রস্তুত। দেশের মানুষ জীবন দিচ্ছে, তিনি ভ্রমণ করছেন। তাহলে এটায় কি প্রমাণ হয়? তিনি কি দেশের মানুষের জন্য জীবন দিতে প্রস্তুত? নয়।’
২০০৭ সালে সেনা সমর্থিত সরকারের সময়ে শেখ হাসিনার বাংলাদেশে ছেড়ে যাওয়ার প্রসঙ্গ টেনে খালেদা জিয়া বলেন, ‘মইনউদ্দিন-ফখরুউদ্দিন বললো, তারপরই তো শেখ হাসিনা গেলেন দেশ ছেড়ে। তারপরে তাদের আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে অনেক নাটক করে আবার আসলো। আসার পরে তাদের সাথে বুঝাপড়া করে সব কিছু করেছে।’
ওই সময়ের সেনা সমর্থিত সরকার তাকে বিদেশে চলে যাওয়ার প্রসঙ্গটি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমাকেও দেশের বাইরে চলে যেতে ওরা বলেছিলো। আজকে যদি আমরা চলে যেতাম দেশের বাইরে, সবই আল্লাহর ইচ্ছা। তাহলে আমার বড় ছেলেটাও (তারেক রহমান) ভালো থাকতো, আমার ছোট ছেলেটাকেও আমি হারাতাম না।’ খালেদা জিয়া বলেন, ‘আমি কিন্তু দেশে ছেড়ে যাইনি, দেশের মানুষকে ছেড়ে যাইনি। আমি বলেছি, এই দেশ আমার, এই দেশের মাটি ছেড়ে আমি যাবো না। আল্লাহর ইচ্ছা দেখেন, আমি দেশ ছেড়ে যাইনি কিন্তু মঈন-ফখরুদ্দিন দেশে ছেড়ে পালিয়েছে। আজকে বুঝতে হবে দেশের মানুষের সঙ্গে বেইমানি করে, দেশের সঙ্গে বেঈমানি করে কোনোদিনও কিন্তু আল্লাহর হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যায় না।’
মূল মঞ্চে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, তরিকুল ইসলাম, মহানগর দক্ষিণ সভাপতি হাবিব-উন নবী খান সোহেল, সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশারসহ দক্ষিণের নেতাদের নিয়ে ইফতার করেন খালেদা জিয়া। ইফতারে আরো ছিলেন, বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা এজেডএম জাহিদ হোসেন, আবদুল হালিম, হাবিবুর রহমান হাবিব, তাহসিনা রুশদীর লুনা, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, আলহাজ সালাহউদ্দিন আহমেদ, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, এম এ মালেক, মীর সরফত আলী সপু, সাইফুল ইসলাম নিরব, সুলতানা সালাহউদ্দিন টুকু, শফিউল বারী বাবু, আবদুল কাদের ভুঁইয়া জুয়েল, দক্ষিণের নেতৃবৃন্দের মধ্যে শামসুল হুদা, ইউনুস মৃধা, মীর হোসেন মীরু প্রমুখ।

পোস্ট শেয়ার করুন

‘ভুল বুঝতে পেরে ভারতের সুর একটু বদল হয়েছে’

আপডেটের সময় : ১১:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জুন ২০১৭

বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, ‘২০১৪ সালের নির্বাচনে প্রতিবেশী দেশ আওয়ামী লীগকে সমর্থন দিয়েছিলো। এবার তারা তাদের ভুল বুঝতে পেরেছে। তাই এবার তাদের সুর একটু বদল হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘আগামী নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেবে। সেই নির্বাচনে বিএনপি জিতবে। আমরা সহায়ক সরকারের কথা বলেছি, সহায়ক সরকারের অধীনেই নির্বাচন হতে হবে। আগামীতে বিএনপি ও ২০ দল ছাড়া দেশে কোনো নির্বাচন হবে না। আওয়ামী লীগ কোনো নির্বাচন করতে পারবে না।’
বৃহস্পতিবার ঢাকার ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন মিলনায়তনে ঢাকা দক্ষিণ বিএনপি আয়োজিত ইফতার পার্টিতে খালেদা জিয়া এ সব কথা বলেন। এসময় তিনি বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে পাহাড় ধসে ১৫৫ জন লোক মারা গেছে, আর্মিও মারা গেছে, এখনো অনেক নিখোঁজ রয়েছে। আর আওয়ামী লীগের নেত্রী এখন প্লেজার ট্রিপ-এ আছেন, আনন্দ ভ্রমণে আছেন। তার দেশের মানুষের প্রতি কোনো মমতা নেই। হাসিনা বলে তিনি নাকি দেশের মানুষের জন্য জীবন দিতে প্রস্তুত। দেশের মানুষ জীবন দিচ্ছে, তিনি ভ্রমণ করছেন। তাহলে এটায় কি প্রমাণ হয়? তিনি কি দেশের মানুষের জন্য জীবন দিতে প্রস্তুত? নয়।’
২০০৭ সালে সেনা সমর্থিত সরকারের সময়ে শেখ হাসিনার বাংলাদেশে ছেড়ে যাওয়ার প্রসঙ্গ টেনে খালেদা জিয়া বলেন, ‘মইনউদ্দিন-ফখরুউদ্দিন বললো, তারপরই তো শেখ হাসিনা গেলেন দেশ ছেড়ে। তারপরে তাদের আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে অনেক নাটক করে আবার আসলো। আসার পরে তাদের সাথে বুঝাপড়া করে সব কিছু করেছে।’
ওই সময়ের সেনা সমর্থিত সরকার তাকে বিদেশে চলে যাওয়ার প্রসঙ্গটি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমাকেও দেশের বাইরে চলে যেতে ওরা বলেছিলো। আজকে যদি আমরা চলে যেতাম দেশের বাইরে, সবই আল্লাহর ইচ্ছা। তাহলে আমার বড় ছেলেটাও (তারেক রহমান) ভালো থাকতো, আমার ছোট ছেলেটাকেও আমি হারাতাম না।’ খালেদা জিয়া বলেন, ‘আমি কিন্তু দেশে ছেড়ে যাইনি, দেশের মানুষকে ছেড়ে যাইনি। আমি বলেছি, এই দেশ আমার, এই দেশের মাটি ছেড়ে আমি যাবো না। আল্লাহর ইচ্ছা দেখেন, আমি দেশ ছেড়ে যাইনি কিন্তু মঈন-ফখরুদ্দিন দেশে ছেড়ে পালিয়েছে। আজকে বুঝতে হবে দেশের মানুষের সঙ্গে বেইমানি করে, দেশের সঙ্গে বেঈমানি করে কোনোদিনও কিন্তু আল্লাহর হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যায় না।’
মূল মঞ্চে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, তরিকুল ইসলাম, মহানগর দক্ষিণ সভাপতি হাবিব-উন নবী খান সোহেল, সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশারসহ দক্ষিণের নেতাদের নিয়ে ইফতার করেন খালেদা জিয়া। ইফতারে আরো ছিলেন, বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা এজেডএম জাহিদ হোসেন, আবদুল হালিম, হাবিবুর রহমান হাবিব, তাহসিনা রুশদীর লুনা, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, আলহাজ সালাহউদ্দিন আহমেদ, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, এম এ মালেক, মীর সরফত আলী সপু, সাইফুল ইসলাম নিরব, সুলতানা সালাহউদ্দিন টুকু, শফিউল বারী বাবু, আবদুল কাদের ভুঁইয়া জুয়েল, দক্ষিণের নেতৃবৃন্দের মধ্যে শামসুল হুদা, ইউনুস মৃধা, মীর হোসেন মীরু প্রমুখ।