নিজ গ্রামে চিরশায়িত হলেন এ আই জি কুলাউড়ার সন্তান মাসুম
- আপডেটের সময় : ১১:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
- / ২৬২ টাইম ভিউ
নিজ গ্রামে চিরশায়িত হলেন কুলাউড়ার কৃতি সন্তান মো. জালাল উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী মাসুম
৫২ বছর বয়সে দুনিয়া থেকে বিদায় নিলেন কুলাউড়ার কৃতি সন্তান, বাংলাদেশ পুলিশের অ্যাডিশনাল ডিআইজি মো. জালাল উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী মাসুম। ১৭ সেপ্টেম্বর বুধবার ভোর সাড়ে পাঁচটায় রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন তিনি (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে স্ত্রী, দুই পুত্র রেখে গেছেন। তিনি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছিলেন বলে জানা গেছে।
পুলিশ কর্মকর্তা জালাল উদ্দীন চৌধুরী মাসুম চির নিন্দ্রায় শায়িত হয়েছেন তার গ্রামের বাড়ি কুলাউড়ার মনসুরে পারিবারিক কবরস্থানে । তার মৃত্যুতে দেশ ও প্রবাসে তার পরিবারের সদস্য, আত্মীয়-স্বজন-বন্ধু-বান্ধব, পরিচিতজনদের মাঝে নেমে আসে শোকের ছায়া। তার অকালে চলে যাওয়া যেন কেউ মেনে নিতে পারছেন না। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার মৃত্যু সংবাদে শোক প্রকাশ করেন দেশ ও প্রবাস থেকে নানা পেশার মানুষ। ভিড় জমান তার গ্রামের বাড়িতে।
মরহুমের প্রথম জানাজা বুধবার সকালে রাজধানী ঢাকার রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে এসআই শিরু মিয়া মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম ঢাকাস্থ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের প্রধানগণ, পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্য এবং মরহুমের সহকর্মী ও আত্মীয়-স্বজন অংশগ্রহণ করেন। জানাজা শেষে আইজিপি বাহারুল আলম বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন এবং ২০তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচের পক্ষ থেকে মরহুমের কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। মরহুমকে অফিসিয়াল ফিউনারেল প্রদান করা হয়।
মো. জালাল উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী মাসুমের লাশ বুধবার বাদ এশা তার গ্রামের বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। তার আগে স্থানীয় মনসুর আশরাফিয়া মাদ্রাসা মাঠে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। তাকে শেষ বিদায় জানাতে হাজির হন তার পরিবারের সদস্য, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ছাড়াও বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশ নেন। জানাজা নামাজের পূর্বে সরকারি কর্মকর্তা, এলাকার বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
মো. জালাল উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী ১৯৭৩ সালে মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া থানার মনসুর গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
তিনি ২০তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচের সদস্য হিসেবে ২০০১ সালে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) পদে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন। তিনি এআইজি হিসেবে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের মিডিয়া, ডিঅ্যান্ডপিএস ও ক্রাইম ইস্ট শাখায় কর্মরত ছিলেন। সর্বশেষ তিনি অ্যাডিশনাল ডিআইজি (ইন্সপেকশন-১) হিসেবে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে কর্মরত ছিলেন। তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে পূর্ব তিমুরে দায়িত্ব পালন করেন।
সোস্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন পেশার মানুষ শোকাহত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছেন। আল্লাহপাক তাদের এ শোক কাটিয়ে ওঠার তৌফিক দান করুন। আমিন।











