ঢাকা , বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
আপডেট :
রাসেল ও সোহেল এর নেতৃত্বে সংযুক্ত আরব আমিরাত জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন পর্তুগালে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিজয় মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন বড়লেখায় দুর্বৃত্তদের হামলায় নিজ বাড়িতে দুই ভাই খুন মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে পর্তুগাল বিএনপির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বড়লেখা বিএনপির গ্রুপিং, কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপ ছাড়া সমাধান সম্ভব নয় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস পালন করেছে বাংলাদেশ দুতাবাস পর্তুগাল মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে পর্তুগাল বিএনপির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কাজা দো বাংলাদেশ’র উদ্যোগে পর্তুগালে মহান বিজয় দিবস উদযাপন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন পর্তুগালে নতুন বেতন বিপ্লব: মন্টিনিগ্রোর উচ্চাভিলাষী অর্থনৈতিক রূপরেখা তারেক রহমান হবেন বাংলাদেশের মাহাথির মোহাম্মদ :দেশের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়

কুলাউড়ায় উপজেলা নির্বাচনে জামায়াতের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মিসেস নাজমা বেগম

কুলাউড়া প্রতিনিধি
  • আপডেটের সময় : ১১:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫
  • / ৪৪১ টাইম ভিউ

অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মিসেস নাজমা বেগম কে আগামী কুলাউড়া উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে জামায়াত ইসলামির এক যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত।

মিসেস নাজমা বেগমের পরিচিতি: কুলাউড়ার মানুষের আস্থার প্রতীক, সততার আলোকবর্তিকা, শিক্ষা ও নারীর ক্ষমতায়নের অনন্য দৃষ্টান্ত — মিসেস নাজমা বেগম। শিক্ষা, সমাজসেবা ও নেতৃত্বে তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা তাঁকে আসন্ন নির্বাচনে একজন যোগ্য প্রার্থী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। গত ২৯ তারিখ কুলাউড়া পৌরসভা মিলনায়তনে জামায়াত ইসলামির দায়িত্বশীলদের উপস্থিতিতে আয়োজিত শিক্ষা বৈঠকে তাঁকে সর্বসম্মতভাবে উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে মনোনীত করা হয়।

শৈশব ও বেড়ে ওঠা
কুলাউড়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী, সম্ভ্রান্ত ও শিক্ষানুরাগী মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন মিসেস নাজমা বেগম। ছোটবেলা থেকেই তিনি ইসলামী আদর্শ, নৈতিকতা ও জনসেবার শিক্ষায় বেড়ে উঠেছেন। সততা, শৃঙ্খলা ও পরোপকারের আদর্শে তাঁর শৈশব-যৌবন কেটেছে।

শিক্ষা জীবন: মিসেস নাজমা বেগম শিক্ষাজীবনে ধারাবাহিক কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন। ১৯৭৭ সালে কুলাউড়া গার্লস হাই স্কুল থেকে এসএসসি, ১৯৭৯ সালে কুলাউড়া সরকারি ডিগ্রি কলেজ থেকে এইচএসসি, এবং পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (Dhaka University) থেকে বি.এ ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তাঁর সাফল্যমণ্ডিত শিক্ষা জীবন প্রমাণ করে, পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ে সমৃদ্ধ মানুষ যেকোনো ক্ষেত্রে সমাজের জন্য অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে উঠতে পারেন।

কর্মজীবন ও অবদান: ১৯৮৫ সালে শিক্ষক হিসেবে সরকারি চাকরিতে যোগদানের মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন। শিক্ষকতাকে তিনি শুধু চাকরি নয়, বরং ইবাদত ও জীবনের ব্রত হিসেবে গ্রহণ করেন। কুলাউড়ার বিভিন্ন বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন প্রধান শিক্ষিকা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। অবসর গ্রহণের পূর্ব পর্যন্ত হাজারো শিক্ষার্থীর জীবনে আলো ছড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁর হাতে গড়ে ওঠা প্রজন্ম আজ সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সুনামের সাথে কাজ করছে। তিনি এলাকায় নানান মসজিদ ও মাদ্রাসা প্রতিষ্টায় পরোক্ষভাবে সহযোগিতায় ছিলেন।

পারিবারিক পরিচিতি: তার পিতা আলহাজ্ব এ এফ আব্দুল মুনীম ছিলেন কুলাউড়ার প্রবীণ শিক্ষক ও বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী । পরিবারে শিক্ষা, নেতৃত্ব ও সমাজসেবার এমন সমন্বয় মিসেস নাজমা বেগমের চরিত্র ও পথচলাকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।

ভাইবোনদের পরিচিতি
ভাইবোনদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য—অনুজ নুরুল আম্বিয়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থী, ডাকসু নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাসী কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট; অনুজ শাহাবুদ্দিন খালেদ, কুলাউড়া ডিগ্রি কলেজে ছাত্র সংসদের ভিপি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন, বর্তমানে সৌদি প্রবাসী ও কুলাউড়া সৌদি প্রবাসী পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি; সহোদরা আয়েশা সিদ্দিকা, কুলাউড়া ডিগ্রি কলেজে ছাত্র সংগঠনে সক্রিয়, পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.এ ডিগ্রি অর্জন; এক ভাই ঢাকা মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী, বর্তমানে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন নিউরোসাইকিয়াট্রিস্ট বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এবং সরকারি মেডিকেল কলেজের এসোসিয়েট প্রফেসর ডাক্তান সাঈদ  কর্মরত।

মিসেস নাজমা বেগম সাবেক সচিব, হাই কমিশনার ও খ্যাতিমান কলামিস্ট এ এইচ মোফাজ্জল করিম এর ভ্রাতুষ্পুত্রী ও গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক সিনিয়র সচিব মিকাইল শিপার, অতিরিক্ত সচিব ডা. ফকরুল ইসলাম, কানাডা প্রবাসী ইসলামিক স্কলার ডা. সায়েফ আহমেদ ও ভাটেরার বিশিষ্ট সমাজসেবক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব জনাব মো. মনসুর আহমদ সুলতান, এর চাচতো বোন।

মিসেস নাজমা বেগমের দাদা বাড়ি ভাটেরা বেড়কুড়ীত্র। তাঁর দাদা মৌলানা আব্দুল গফুর, নানা মৌলানা বাহার উল্লাহ এবং পিতামহ-পিতা ফখরুল মুহাদ্দেসীন মৌলানা ইনাম উদ্দিন—ধর্মপ্রাণ বুজূর্গ ওলী হিসেবে খ্যাত ছিলেন। কথিত আছে তাঁদের হাত ধরেই ভাটেরা অঞ্চলে ইসলামের প্রচার-প্রসার হয়েছে। এই ঐতিহ্যই মিসেস নাজমা বেগমের জীবনের মূল প্রেরণার উৎস।

উন্নয়ন অঙ্গীকার ও ভোটারদের প্রতি আবেদন
মিসেস নাজমা বেগম বিশ্বাস করেন, কুলাউড়া হবে শিক্ষা, নৈতিকতা ও উন্নয়নের মডেল উপজেলা। তাঁর অঙ্গীকার—শিক্ষা বিস্তার ও আধুনিকায়ন, নারীর ক্ষমতায়ন ও কর্মসংস্থান, যুবসমাজকে শিক্ষিত, দক্ষ ও কর্মমুখী করে গড়ে তোলা, প্রান্তিক জনগণের কল্যাণে বিশেষ উদ্যোগ, ও সামাজিক ন্যায়বিচার ও মানবিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা।

তিনি সবার দোয়া প্রার্থী। মহান আল্লাহ যেন তাঁকে সততা, ন্যায়পরায়ণতা ও নিষ্ঠার সাথে জনগণের সেবা করার তৌফিক দান করেন।

পোস্ট শেয়ার করুন

কুলাউড়ায় উপজেলা নির্বাচনে জামায়াতের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মিসেস নাজমা বেগম

আপডেটের সময় : ১১:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫

অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মিসেস নাজমা বেগম কে আগামী কুলাউড়া উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে জামায়াত ইসলামির এক যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত।

মিসেস নাজমা বেগমের পরিচিতি: কুলাউড়ার মানুষের আস্থার প্রতীক, সততার আলোকবর্তিকা, শিক্ষা ও নারীর ক্ষমতায়নের অনন্য দৃষ্টান্ত — মিসেস নাজমা বেগম। শিক্ষা, সমাজসেবা ও নেতৃত্বে তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা তাঁকে আসন্ন নির্বাচনে একজন যোগ্য প্রার্থী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। গত ২৯ তারিখ কুলাউড়া পৌরসভা মিলনায়তনে জামায়াত ইসলামির দায়িত্বশীলদের উপস্থিতিতে আয়োজিত শিক্ষা বৈঠকে তাঁকে সর্বসম্মতভাবে উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে মনোনীত করা হয়।

শৈশব ও বেড়ে ওঠা
কুলাউড়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী, সম্ভ্রান্ত ও শিক্ষানুরাগী মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন মিসেস নাজমা বেগম। ছোটবেলা থেকেই তিনি ইসলামী আদর্শ, নৈতিকতা ও জনসেবার শিক্ষায় বেড়ে উঠেছেন। সততা, শৃঙ্খলা ও পরোপকারের আদর্শে তাঁর শৈশব-যৌবন কেটেছে।

শিক্ষা জীবন: মিসেস নাজমা বেগম শিক্ষাজীবনে ধারাবাহিক কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন। ১৯৭৭ সালে কুলাউড়া গার্লস হাই স্কুল থেকে এসএসসি, ১৯৭৯ সালে কুলাউড়া সরকারি ডিগ্রি কলেজ থেকে এইচএসসি, এবং পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (Dhaka University) থেকে বি.এ ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তাঁর সাফল্যমণ্ডিত শিক্ষা জীবন প্রমাণ করে, পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ে সমৃদ্ধ মানুষ যেকোনো ক্ষেত্রে সমাজের জন্য অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে উঠতে পারেন।

কর্মজীবন ও অবদান: ১৯৮৫ সালে শিক্ষক হিসেবে সরকারি চাকরিতে যোগদানের মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন। শিক্ষকতাকে তিনি শুধু চাকরি নয়, বরং ইবাদত ও জীবনের ব্রত হিসেবে গ্রহণ করেন। কুলাউড়ার বিভিন্ন বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন প্রধান শিক্ষিকা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। অবসর গ্রহণের পূর্ব পর্যন্ত হাজারো শিক্ষার্থীর জীবনে আলো ছড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁর হাতে গড়ে ওঠা প্রজন্ম আজ সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সুনামের সাথে কাজ করছে। তিনি এলাকায় নানান মসজিদ ও মাদ্রাসা প্রতিষ্টায় পরোক্ষভাবে সহযোগিতায় ছিলেন।

পারিবারিক পরিচিতি: তার পিতা আলহাজ্ব এ এফ আব্দুল মুনীম ছিলেন কুলাউড়ার প্রবীণ শিক্ষক ও বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী । পরিবারে শিক্ষা, নেতৃত্ব ও সমাজসেবার এমন সমন্বয় মিসেস নাজমা বেগমের চরিত্র ও পথচলাকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।

ভাইবোনদের পরিচিতি
ভাইবোনদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য—অনুজ নুরুল আম্বিয়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থী, ডাকসু নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাসী কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট; অনুজ শাহাবুদ্দিন খালেদ, কুলাউড়া ডিগ্রি কলেজে ছাত্র সংসদের ভিপি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন, বর্তমানে সৌদি প্রবাসী ও কুলাউড়া সৌদি প্রবাসী পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি; সহোদরা আয়েশা সিদ্দিকা, কুলাউড়া ডিগ্রি কলেজে ছাত্র সংগঠনে সক্রিয়, পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.এ ডিগ্রি অর্জন; এক ভাই ঢাকা মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী, বর্তমানে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন নিউরোসাইকিয়াট্রিস্ট বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এবং সরকারি মেডিকেল কলেজের এসোসিয়েট প্রফেসর ডাক্তান সাঈদ  কর্মরত।

মিসেস নাজমা বেগম সাবেক সচিব, হাই কমিশনার ও খ্যাতিমান কলামিস্ট এ এইচ মোফাজ্জল করিম এর ভ্রাতুষ্পুত্রী ও গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক সিনিয়র সচিব মিকাইল শিপার, অতিরিক্ত সচিব ডা. ফকরুল ইসলাম, কানাডা প্রবাসী ইসলামিক স্কলার ডা. সায়েফ আহমেদ ও ভাটেরার বিশিষ্ট সমাজসেবক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব জনাব মো. মনসুর আহমদ সুলতান, এর চাচতো বোন।

মিসেস নাজমা বেগমের দাদা বাড়ি ভাটেরা বেড়কুড়ীত্র। তাঁর দাদা মৌলানা আব্দুল গফুর, নানা মৌলানা বাহার উল্লাহ এবং পিতামহ-পিতা ফখরুল মুহাদ্দেসীন মৌলানা ইনাম উদ্দিন—ধর্মপ্রাণ বুজূর্গ ওলী হিসেবে খ্যাত ছিলেন। কথিত আছে তাঁদের হাত ধরেই ভাটেরা অঞ্চলে ইসলামের প্রচার-প্রসার হয়েছে। এই ঐতিহ্যই মিসেস নাজমা বেগমের জীবনের মূল প্রেরণার উৎস।

উন্নয়ন অঙ্গীকার ও ভোটারদের প্রতি আবেদন
মিসেস নাজমা বেগম বিশ্বাস করেন, কুলাউড়া হবে শিক্ষা, নৈতিকতা ও উন্নয়নের মডেল উপজেলা। তাঁর অঙ্গীকার—শিক্ষা বিস্তার ও আধুনিকায়ন, নারীর ক্ষমতায়ন ও কর্মসংস্থান, যুবসমাজকে শিক্ষিত, দক্ষ ও কর্মমুখী করে গড়ে তোলা, প্রান্তিক জনগণের কল্যাণে বিশেষ উদ্যোগ, ও সামাজিক ন্যায়বিচার ও মানবিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা।

তিনি সবার দোয়া প্রার্থী। মহান আল্লাহ যেন তাঁকে সততা, ন্যায়পরায়ণতা ও নিষ্ঠার সাথে জনগণের সেবা করার তৌফিক দান করেন।