Advertise with us
আপনার এলাকার খবর
সম্পূর্ণ নিউজ deshdiganto.com

আন্তর্জাতিক
১২:৪০ পূর্বাহ্ণ, ৩ জুন ২০১৯

রেকর্ড গড়া ম্যাচে দুর্দান্ত জয় টাইগারদের

বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে রেকর্ড গড়া ম্যাচে দুর্দান্ত জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। এদিন প্রোটিয়াদের বিপক্ষে ২১ রানে জয় পায় বাংলাদেশ। এর আগে সাকিব-মুশফিক এবং শেষ দিকে মাহমুদউল্লাহর ব্যাটিং দৃঢ়তায় ৬ উইকেট হারিয়ে ৩৩০ রান করে মাশরাফি বাহিনী। যা বিশ্বকাপে টাইগারদের সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড। রবিবার ইংল্যান্ডের কেনিংটন ওভালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টস হেরে প্রথমে […]

রেকর্ড গড়া ম্যাচে দুর্দান্ত জয় টাইগারদের
দেশদিগন্ত নিউজ ডেস্কঃ
৪ মিনিটে পড়ুন |

বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে রেকর্ড গড়া ম্যাচে দুর্দান্ত জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। এদিন প্রোটিয়াদের বিপক্ষে ২১ রানে জয় পায় বাংলাদেশ।

এর আগে সাকিব-মুশফিক এবং শেষ দিকে মাহমুদউল্লাহর ব্যাটিং দৃঢ়তায় ৬ উইকেট হারিয়ে ৩৩০ রান করে মাশরাফি বাহিনী। যা বিশ্বকাপে টাইগারদের সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড।

রবিবার ইংল্যান্ডের কেনিংটন ওভালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড গড়ে বাংলাদেশ। টাইগারদের দেওয়া ৩৩০ রানের জবাবে নির্ধারিত ওভার শেষে ৮ উইকেট হারিয়ে ৩০৯ রান সংগ্রহ করে প্রোটিয়ারা।

দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৬২ রান করেন অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসিস। এছাড়া ৪৫ রান করেন ওপেনার মার্করাম, ৪১ রান করেন ভেন দার ডুসেন। ৩৮ রান করেন ডেভিড মিলার।

৩৩১ রানের বিশাল লক্ষ্যে খেলতে নেমে ৪৯ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়েন কুইন্টন ডি কক আর এইডেন মার্করাম। তবে  মুশফিকের রান আউটের শিকার হয়ে ৩২ বলে ২৩ রান করেন ডি কক।

অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসিসকে নিয়ে ৫৩ রানের জুটি গড়া মার্করামকে দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে বোল্ড করেন সাকিব।ভয়ংকর হয়ে উঠা অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসিসকে দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে তাকে বোকা বানান মেহেদী হাসান মিরাজ। ডাউন দ্য উইকেটে তাকে মারতে গিয়ে বোল্ড হন ডু প্লেসিস। ফাফ ডু প্লেসিস ৫২ বলে করেন ৬২ রান।

অধিনায়ককে ফেরালেও চতুর্থ উইকেটে থিতু হয়ে বসেছিলেন ফন ডার ডুসেন এবং ডেভিড মিলার। দুজন মিলে গড়ে ফেলেন ৫৫ রানের জুটি। ৩৬তম ওভারের প্রথম বলে ভয়ঙ্কর ডেভিড মিলারকে মেহেদী মিরাজের হাতে ক্যাচে পরিণত করেন মোস্তাফিজ।

আউট হওয়ার আগে ৪৩ বলে ৩৮ রান করেন মিলার। তার বিদায়ে দায়িত্ব বর্তায় ডুসেনের কাঁধে। তবে সাইফউদ্দিনের বলে বোল্ড হওয়ার আগে ৩৮ বলে ৪১ রানের বেশি করতে পারেননি ডুসেন। দুই সেট ব্যাটসম্যানকে ফিরিয়ে ম্যাচে নিয়ন্ত্রণ নেয় বাংলাদেশ।

পরীক্ষিত অলরাউন্ডার জেপি ডুমিনির সঙ্গে উইকেটে ছিলেন কার্যকরী ব্যাটিং করতে পারা আন্দিল ফেহলুখায়ো। তবে দুজন মিলে ভয়ের কারণ হয়ে ওঠার আগেই ৪৩তম ওভারে ফেহলুখায়োর উইকেট নেন সাইফউদ্দিন।

একা বনে যান ক্রিস মরিস, তাকে সঙ্গ দিতে উইকেটে আসেন আরেক পেস বোলিং অলরাউন্ডার ক্রিস মরিস। দুজন মিলে খেলেন ৩ ওভার, তবে ২৩ রানের বেশি করতে পারেননি। ৪৬তম ওভারে নিজের শেষ স্পেলে বোলিং করতে এসে মরিসের উইকেট তুলে নেন মোস্তাফিজ। তখনো অন্য প্রান্তে অপরাজিত জেপি ডুমিনি।

শেষের ৪ ওভারে তাদের জয়ের জন্য বাকি ছিলো ৫৫ রান, হাতে ছিল ৩টি উইকেট। বাংলাদেশের দুই ডেথ স্পেশালিস্ট মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন এবং মোস্তাফিজের জন্য ২৪ বলে ৫৫ আটকানো ছিলো বেশ সহজ কাজ। যা তারা করে দারুণভাবেই।

তবে ছেড়ে কথা বলেননি ডুমিনিও। দলের একমাত্র আশার প্রতীক হয়ে তিনি লড়াই করেন একাই। বিশেষ করে সাইফের করা ৪৭তম ওভারে জোড়া বাউন্ডারিতে ১১ রান নিয়ে টাইগার সমর্থকদের মনে ভয়ই ঢুকিয়ে দিয়েছিলেন এ অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার।

কিন্তু ৪৮তম ওভারের প্রথম বলেই তাকে সরাসরি বোল্ড করে পথের শেষ কাঁটাটাও তুলে নেন কাটার মাস্টার মোস্তাফিজ। আউট হওয়ার আগে ৩৭ বলে ৪৫ রান করেন ডুমিনি। ২৮৭ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে পরাজয় প্রায় নিশ্চিত হয়ে যায় প্রোটিয়াদের।

শেষের আনুষ্ঠানিকতা সারতে খুব বেশি সমস্যা হয়নি সাইফ-মোস্তাফিজদের। প্রোটিয়াদের অলআউট করতে না পারলেও ৩০৯ রানে আটকে রেখে ২১ রানের দারুণ জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে উড়ন্ত সূচনা করে বাংলাদেশ। উদ্বোধনী জুটিতে ৮.২ ওভারে ৬০ রান করেন দুই ওপেনার সৌম্য সরকার ও তামিম ইকবাল। উইকেটের পেছনে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন দেশসেরা এ ওপেনার। তার আগে ২৯ বলে দুটি চারের সাহায্যে ১৬ রান করেন তামিম।

১৫ রানের ব্যবধানে ফেরেন অন্য ওপেনার সৌম্য সরকার। সাজঘরে ফেরার আগে ৩০ বলে ৯টি চারের সাহায্যে ৪২ রান করেন করেন সৌম্য।

৭৫ রানে দুই ওপেনারের বিদায়ের পর হাল ধরেন সাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহিম। তৃতীয় উইকেটে তারা ১৪১ বলে ১৪২ রানের জুটি গড়েন। তাদের অনবদ্য জুটিতে বড় সংগ্রহ পায় টাইগাররা।

ক্যারিয়ারের ৪৩তম ওডিআই ফিফটি গড়ার পর সেঞ্চুরি পথেই ছিলেন সাকিব। কিন্তু ইমরান তাহিরের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন। তার আগে ৮৪ বলে ৮টি চার ও এক ছক্কায় ৭৫ রান করেন বিশ্বসেরা এ অলরাউন্ডার।

এদিকে আন্দিলে ফিলোকাওয়েকে বাউন্ডারি হাঁকানোর মধ্য দিয়ে ওয়ানডে ক্যারিয়ারে ৩৪তম ফিফটি গড়েন মুশফিক। ফিফটির পর তিনিও সেঞ্চুরির পথে ছিলেন। দলীয় ২৫০ রানে আউট হন মুশফিক। তার আগে ৮০ বলে ৮টি চারের সাহায্যে ৭৮ রান করেন এ উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান।

ইনিংসের শেষ দিকে রীতিমতো তাণ্ডব চালান মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। ৪৩ বলে ৬৬ রানের জুটি গড়েন তারা। ২০ বলে ২৬ রান করে ফেরেন সৈকত। মাত্র ৩৩ বলে তিন চার ও এক ছক্কায় অপরাজিত ৪৬ রান করেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

বিশ্বকাপে তো বটেই, বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসেই সর্বোচ্চ রানের ইনিংস এটা। এর আগে পাকিস্তানের বিপক্ষে ২০১৫ সালে ৬ উইকেটে ৩২৯ রান করেছিল তারা।

বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ রানটিও ওই বছরের অস্ট্রেলিয়া বিশ্বকাপে করে টাইগাররা। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ৪ উইকেটে ৩২২ রান তুলেছিল দলটি।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


Advertise with us
আর্কাইভ ক্যালেন্ডার
রবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনি
 
১০১১
১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭৩০ 
Advertise with us
আরও deshdiganto.com সংবাদ


Design and Development by : webnewsdesign.com