Advertise with us
আপনার এলাকার খবর
সম্পূর্ণ নিউজ deshdiganto.com

আন্তর্জাতিক
৩:৫৮ অপরাহ্ণ, ২৭ মার্চ ২০১৯

৮০০ সন্তানের বাবা হয়ে রেকর্ড!

যুক্তরাজ্যের বাসিন্দা সাইমন ওয়াটসন দাবি করেছেন, গত ১৫ বছরে তিনি অন্তত ৮০০ সন্তানের বাবা হয়েছেন। বিষয়টি শুনেই অনেকে তাকে মানসিক ভারসাম্যহীন ভাবতে পারেন, তবে সাইমন ওয়াটসনের এ দাবি অকাট্ট। সত্যি সত্যি তিনি ৮০০ সন্তানের বাবা। তবে তার বাবা হওয়ার কাহিনী ভিন্নরকম। ৪১ বছর বয়সী এই ব্রিটিশ নাগরিক একজন পেশাদার শুক্রানুদাতা। বিগত ১৬ বছর ধরে নিজের […]

৮০০ সন্তানের বাবা হয়ে রেকর্ড!
দেশদিগন্ত নিউজ ডেস্কঃ
১ মিনিটে পড়ুন |

যুক্তরাজ্যের বাসিন্দা সাইমন ওয়াটসন দাবি করেছেন, গত ১৫ বছরে তিনি অন্তত ৮০০ সন্তানের বাবা হয়েছেন।

বিষয়টি শুনেই অনেকে তাকে মানসিক ভারসাম্যহীন ভাবতে পারেন, তবে সাইমন ওয়াটসনের এ দাবি অকাট্ট।

সত্যি সত্যি তিনি ৮০০ সন্তানের বাবা। তবে তার বাবা হওয়ার কাহিনী ভিন্নরকম। ৪১ বছর বয়সী এই ব্রিটিশ নাগরিক একজন পেশাদার শুক্রানুদাতা। বিগত ১৬ বছর ধরে নিজের শুক্রাণু দিয়ে আসছেন।

এজন্য ইন্টারনেটে একটি সাইটও খুলেছেন সাইমন। প্রতি তিনমাস পরপর নিজের সুস্থতার বিষয়ে পরীক্ষা করে সেই রিপোর্ট তিনি তার সাইট ও সোশ্যাল মিডিয়ার অ্যাকাউন্টে তুলে দেন।

আর সেখান থেকে ক্লায়েন্ট তথ্য সংগ্রহ কররে অনেক নারী ও দম্পতি এসে শুক্রাণু নিয়ে যায়।

তার কাছ থেকে শুক্রাণু সংগ্রহ করে বিভ্ন্নি বেসরকারি ক্লিনিকে সন্তান জন্ম দেয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন নারীরা।

শুক্রাণু দিতে ৫০ পাউন্ড করে সার্ভিস চার্জও নেন সাইমন ওয়াটসন।

জানা গেছে, ব্রিটেনে মি. ওয়াটসনের এই পেশা অবৈধ। এর জন্য তার কোনো লাইসেন্স নেই।

যুক্তরাজ্যে কৃত্রিম গর্ভধারণের বিষয়ে আইনি বিধি-নিষেধ রয়েছে। অনেকক্ষেত্রেই এভাবে সন্তানধারণ বৈধতা পায় না দেশটিতে।

তা সত্ত্বেও মা ডাকটি শুনতে অনেক নারী সাইমন ওয়াটসনের মতো শুক্রাণু দাতাদের শরণাপন্ন হন।

বিবিসিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে মি. ওয়াটসন বলেন, আমি অন্তত ৮০০ সন্তানের বাবা হয়েছি। এ প্রক্রিয়ায় আমি আরও সন্তানের বাবা হতে চাই, একে আমি রেকর্ড বলে মনে করি। আমি চাই আমার রেকর্ডটি কেউ না ভাঙ্গুক।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


Advertise with us
আর্কাইভ ক্যালেন্ডার
রবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনি
 
১০১১
১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭৩০ 
Advertise with us
আরও deshdiganto.com সংবাদ


Design and Development by : webnewsdesign.com