দেশদিগন্ত নিউজ ডেস্ক: ঢাকার নবাবগঞ্জে নির্বাচনী সংবাদ সংগ্রহে যাওয়া যুগান্তর ও যমুনা টেলিভিশনসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মীর ওপর হামলার প্রতিবাদে নবাবগঞ্জ প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সাংবাদিকরা। আজ মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৩টায় এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দোষীদের অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি জানানো হয়। একইসঙ্গে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা দিতে প্রশাসনের গড়িমসি ও প্রশ্নবিদ্ধ ভূমিকার তীব্র সমালোচনা […]
দেশদিগন্ত নিউজ ডেস্ক: ঢাকার নবাবগঞ্জে নির্বাচনী সংবাদ সংগ্রহে যাওয়া যুগান্তর ও যমুনা টেলিভিশনসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মীর ওপর হামলার প্রতিবাদে নবাবগঞ্জ প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সাংবাদিকরা।
আজ মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৩টায় এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দোষীদের অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি জানানো হয়।
একইসঙ্গে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা দিতে প্রশাসনের গড়িমসি ও প্রশ্নবিদ্ধ ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করেন সাংবাদিকরা।
সংবাদ সম্মেলনে দৈনিক যুগান্তরের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি সাইফুল আলম বলেন, এ ধরনের ন্যক্কারজনক বর্বরোচিত হামলার তীব্র নিন্দা জানাই। তিনি বলেন, সাংবাদিকরা কারো পক্ষ নন। পেশাগত দায়িত্বপালন করতে গিয়ে তারা যে আঘাতপ্রাপ্ত হলেন, এটি রাষ্ট্রের, সরকারের বা কারো জন্যই শুভবার্তা বয়ে আনবে না।
তিনি অবিলম্বে সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার দাবি জানিয়ে বলেন, হামলার ঘটনায় প্রশাসনের নির্বিকার ভূমিকা অত্যন্ত নিন্দনীয়। আশা করছি, তাদের শুভবুদ্ধির উদয় হবে।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন যমুনা টেলিভিশনের প্রধান বার্তা সম্পাদক ফাহিম আহমেদ। তিনি বলেন, পেশাগত দায়িত্বপালন করতে গিয়ে এ ধরনের হামলার ঘটনা নজিরবিহীন।
ফাহিম আহমেদ আরও বলেন, শুনি, এখন প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে- একটি সংসদীয় আসনে এতজন সাংবাদিক কেন? এ প্রশ্নটি আসলে উদ্দেশ্যমূলক। কারণ কোনো সংবাদ মাধ্যমের যদি সক্ষমতা থাকে, একটি সংসদীয় আসনে একাধিক টিম রেখে নির্বাচন কভার করার, তবে তারা সেটি অবশ্যই করবেন।
‘তাছাড়া কোথাও লেখা নেই যে, কোনো সংসদীয় আসনে কতজন সাংবাদিক কাজ করতে পারবেন অথবা পারবেন না’, যোগ করেন তিনি।
যুগান্তরের প্রধান প্রতিবেদক মাসুদ করিম বলেন, সাংবাদিকদের ওপর এ হামলাটি পরিকল্পিতভাবে করা হয়েছে। এ কারণে হামলার আগে ও পরে প্রশাসন সম্পূর্ণ নির্বিকার ছিল।
এ ধরনের ঘটনায় আমরা ধিক্কার জানাই। সাংবাদিক সমাজকে ঐক্যবদ্ধভাবে এ হামলার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের আহ্বান জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন-যমুনা টেলিভিশনের বিশেষ প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ তুহিন, যুগান্তরের বিশেষ প্রতিনিধি মুজিব মাসুদ, বিশেষ প্রতিনিধি ও ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) সহসভাপতি মিজান মালিক, সাংবাদিক নেসারুল হক খোকন ও সাংবাদিক সিরাজুল ইসলাম।
প্রসঙ্গত, সোমবার রাত ১১টার দিকে নবাবগঞ্জে থানা রোডে একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী শামীম গেস্ট হাউসে যুগান্তর ও যমুনা টেলিভিশনসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মীর ওপর হামলা চালায়। এতে কমপক্ষে ১০ সাংবাদিক আহত হয়েছেন। এ ছাড়া ভাংচুর করা হয়েছে ১৮টি গাড়ি ও হোটেলের বিভিন্ন কক্ষ।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সংবাদ সংগ্রহের জন্য ওই হোটেলে অবস্থান করছিলেন সাংবাদিকরা। সশস্ত্র হামলাকারীরা প্রায় ঘণ্টাখানেক অবরুদ্ধ করে রাখে গণমাধ্যমকর্মীদের। এ সময় স্থানীয় থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ন্যক্কারজনক এ ঘটনা পুরো এলাকায় ছড়িয়ে পড়লেও তাৎক্ষণিকভাবে থানা বা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কেউ খোঁজ নেননি।
| রবি | সোম | মঙ্গল | বুধ | বৃহ | শুক্র | শনি |
|---|---|---|---|---|---|---|
| ১ | ২ | ৩ | ৪ | |||
| ৫ | ৭ | ৮ | ৯ | ১০ | ১১ | |
| ১ | ১৩ | ৪ | ১৫ | ১৬ | ১ | ৮ |
| ১৯ | ২০ | ২১ | ২২ | ২৩ | ২৪ | ২৫ |
| ২৬ | ২৭ | ২ | ৯ | ৩০ | ||