Advertise with us
আপনার এলাকার খবর
সম্পূর্ণ নিউজ deshdiganto.com

অপরাধ
৯:৫৩ অপরাহ্ণ, ১ অক্টোবর ২০১৯

কুলাউড়ার তেলিবিল উচ্চ বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক আবারও এমপিওভুক্ত শিক্ষিকা বাদ দিয়ে খণ্ডকালীন শিক্ষক নিয়োগ

দেশদিগন্ত নিউজ ডেস্কঃ কুলাউড়ার তেলিবিল উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ চলছে প্রধান শিক্ষক নোমান আহমদের ইচ্ছামাফিক। নিজের ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে বিদ্যালয়ের এমপিওভুক্ত এক সহকারী শিক্ষিকাকে বাদ দিয়ে নিয়োগ বিধিমালা না মেনে নতুন একজন খণ্ডকালীন শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছেন তিনি। এর আগে তিনি বিদ্যালয়ের ওই সহকারী শিক্ষিকাকে যৌন হয়রানিও করেছিলেন। চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি সরকারি বিধি মোতাবেক ওই সহকারী […]

কুলাউড়ার তেলিবিল উচ্চ বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক আবারও এমপিওভুক্ত শিক্ষিকা বাদ দিয়ে খণ্ডকালীন শিক্ষক নিয়োগ
দেশদিগন্ত নিউজ ডেস্কঃ
৩ মিনিটে পড়ুন |

দেশদিগন্ত নিউজ ডেস্কঃ কুলাউড়ার তেলিবিল উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ চলছে প্রধান শিক্ষক নোমান আহমদের ইচ্ছামাফিক। নিজের ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে বিদ্যালয়ের এমপিওভুক্ত এক সহকারী শিক্ষিকাকে বাদ দিয়ে নিয়োগ বিধিমালা না মেনে নতুন একজন খণ্ডকালীন শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছেন তিনি। এর আগে তিনি বিদ্যালয়ের ওই সহকারী শিক্ষিকাকে যৌন হয়রানিও করেছিলেন।

চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি সরকারি বিধি মোতাবেক ওই সহকারী শিক্ষিকা উপজেলার তেলিবিল উচ্চ বিদ্যালয়ে বিজ্ঞানের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন। ১৪ ফেব্রুয়ারি যোগদান করেন। এপ্রিল মাসে এমপিওভুক্ত হন (ইনডেক্স নম্বর-১১৪৯৬৬৫)। কিন্তু প্রধান শিক্ষকের যৌন হয়রানির শিকার ওই সহকারী শিক্ষিকা তার ভয়ে বিদ্যালয়ে যাচ্ছেন না। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে প্রধান শিক্ষক নোমান আহমদ বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটি বা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে না জানিয়ে নিজের ক্ষমতা দেখিয়ে উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নের সঞ্জরপুর গ্রামের বাসিন্দা আতিক হাসান নামে একজনকে খণ্ডকালীন বিজ্ঞানের শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছেন। নিয়োগে বিধিমালার কোনো তোয়াক্কা করেননি তিনি। এমনকি এর আগে একই পদ্ধতি অবলম্বন করে বিদ্যালয়ে সাত জনকে খণ্ডকালীন শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছেন।

ওই সহকারী শিক্ষিকা জানান, ঘটনার পর থেকে আমি প্রধান শিক্ষকের ভয়ে ও নিরাপত্তাহীনতায় বিদ্যালয়ে যাচ্ছি না। জুলাই মাস থেকে বেতন-ভাতা বন্ধ রয়েছে। প্রধান শিক্ষক বেতন শিট থেকে আমার নাম কেটে দিয়েছেন। ছুটির জন্য নির্দেশনা চেয়ে তিনটি আবেদন করেছি।

যৌন হয়রানির কারণে থানায় মামলাও হয়েছে প্রধান শিক্ষক নোমান আহমদের বিরুদ্ধে। যার কারণে তার বিরুদ্ধে তিনটি তদন্ত হয়েছে। একটি তদন্ত প্রমাণিতও হয়েছে। বাকি দুটি তদন্ত প্রতিবেদন এখনো পাওয়া যায়নি। নিজেকে একজন আওয়ামী লীগ নেতার পরিচয় দেন তিনি। কালো টাকার প্রভাব খাটিয়ে সকল অপরাধ করে যাচ্ছেন হরহামেশাই। বিষয়টি ধামাচাপা দিতে স্থানীয় প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতাদের সহযোগিতা নিয়ে জেলার ক্ষমতাসীন নেতাদের দুয়ারে দুয়ারে ঘুরছেন। এর ফলে এখন পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে কোনো চূড়ান্ত ব্যবস্থা নিতে পারেনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

প্রকাশ আবশ্যক বিগত দিনে একই ভাবে এমপিওভুক্ত শিক্ষক তোফায়েল আহমদ চৌধুরীকে বাদ দিয়ে একজন খণ্ডকালীন শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছেন তিনি।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক নোমান আহমদ বলেন, বিদ্যালয় তো চালাতে হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবগত করে নিয়োগ দিয়েছি। এই বিষয়ে তিনি আর কোনো কথা বলতে রাজি হননি। পরে কথা বলবেন বলে ফোন কেটে দেন তিনি।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আনোয়ার বলেন, প্রধান শিক্ষক এটা কোনো অবস্থাতেই করতে পারেন না। আমাকে অবগত করেননি, এমনকি বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির আহ্বায়ক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মহোদয়কে জানানোর কোনো প্রয়োজন মনে করেননি।

বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির আহ্বায়ক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এটিএম ফরহাদ চৌধুরী বলেন, বিষয়টি আমি জেনেছি। এই নিয়োগ সম্পূর্ণ অবৈধ পন্থায় হয়েছে। প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আগামী ২০ অক্টোবর বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে শিক্ষার মান উন্নয়নে একটি মতবিনিময় সভা করার জন্য চিঠি প্রদান করেছি। আশা করছি এই সভায় সকল সমস্যার নিরসন হবে।

Facebook Comments Box
×
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


Advertise with us
আর্কাইভ ক্যালেন্ডার
রবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনি
 
১০১১
১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭৩০ 
Advertise with us
আরও deshdiganto.com সংবাদ


Design and Development by : webnewsdesign.com