ঢাকা , শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ২৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
আপডেট :
প্রিয়জনদের মানসিক রোগ যদি আপনজন বুঝতে না পারেন আওয়ামীলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা ও অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা করেছে পর্তুগাল আওয়ামীলীগ যেকোনো প্রচেষ্টা এককভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব নয়: দুদক সচিব শ্রীমঙ্গলে দুটি চোরাই মোটরসাইকেল সহ মিল্টন কুমার আটক পর্তুগালের অভিবাসন আইনে ব্যাপক পরিবর্তন পর্তুগাল বিএনপি আহবায়ক কমিটির জুমে জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয় এমপি আনোয়ারুল আজিমকে হত্যার ঘটনায় আটক তিনজন , এতে বাংলাদেশী মানুষ জড়িত:স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকাস্থ ইরান দুতাবাসে রাইসির শোক বইয়ে মির্জা ফখরুলের স্বাক্ষর মুটো ফোনের আসক্তি দূর করবেন যেভাবে…

স্বপ্ন জাগিয়ে বাংলাদেশের হৃদয়ভাঙা হার

অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : ১১:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জুন ২০১৭
  • / ৫১৯ টাইম ভিউ

নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৬ উইকেটে ৩০৫ রান করে বাংলাদেশ। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৪৭ ওভার ২ বলে মাত্র ২ উইকেটে হারিয়ে জয় তুলে নেয় ইংলিশরা।জো রুট ১২৯ বলে ১৩৩ রান আর অধিনায়ক ইয়ন মরগান ৭৫ বলে ৬১ রান করে করে অপরাজিত থাকেন।বাংলাদেশের পক্ষে ১ ওভার বোলিং করে ১৩ রান দিয়ে ১ উইকেট নেন সাব্বির আহমেদ। আর ১০ ওভার বোলিং করে ৫৬ রান দিয়ে ১ উইকেট নেন মাশরাফি বিন মর্তুজা।২৭ তম ওভারে অধিনায়ক মাশরাফি সাব্বিরকে বল তুলে দেন। ওভারের শেষ বলে বদলি খেলোয়াড় সুনজামুল ইসলামের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরে ৮৫ বলে ৫৯ করা অ্যালেক্স হেলস।  ইংলিশদের ইনিংসের শুরুতেই আঘাত হানেন মাশরাফি। তৃতীয় ওভারে শর্ট লং অনে মুস্তাফিজুর রহমানের অসাধরণ ক্যাচে ১ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরন জেসন রয়।তামিম ইকবালের সেঞ্চুরি আর মুশফিকুর রহিমের হাফ-সেঞ্চুরিতে ইংল্যান্ডকে ৩০৬ রানের টার্গেট দেয় বাংলাদেশ।তামিম ৩টি ছক্কা আর ১২টি চারের সাহায্যে ১৪২ বলে ১২৮ রান করেন আর মুশফিক ৭২ বলে করেন ৭৯ রান।তামিম ও মুশফিকের ৩য় উইকেটে ১৬৬ রানের জুটি বড় সংগ্রহে মূল অবদান রাখে।এর আগে ওপেনিং জুটিতে তামিমকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংসের গোড়াপত্তন করতে নামেন সৌম্য সরকার। পেস সহায়ক ওভালে শুরুতেই গতির ঝড় তোলেন ইংলিশ পেসাররা।ওপেনিং জুটিতে তারা সংগ্রহ করেন ৫৬ রান। এর পরই সৌম্য সেট হয়ে ২৮ রানে ফিরে যান। ইনিংস বড় করতে ইমরুল কায়েসকে সাথে লড়াই চালিয়ে যান তামিম। কিন্তু ভাল খেলতে থাকা ইমরুল ২০ বলে ১৯ রান করে প্লানকেটের বলে উড এর দুর্দান্ত ক্যাচে পরিণত হয়ে ফিরে যান। দলীয় রান তখন ৯৫ রান।এরপর মুশফিককে নিয়ে দলের রান এগিয়ে নিয়ে যান তামিম। তামিম তুলে নেন ক্যারিয়ারের নবম সেঞ্চুরি। আর মুশফিক তুলে নেন হাফ সেঞ্চুরি। দুজনে মিলে গড়ে তোলেন ১৬৬ রানের পার্টনারশিপ।ম্যাচের ৪৫ তম ওভারে প্লানকেটের পর পর দুই বলে ১২৮ রানে তামিম এবং মুশফিক ৭৯ রানে আউট হন। এরপরই বাংলাদেশের রানের চাকা থেমে যায়।তামিম-মুশফিকের আউট হওয়ার পর সাকিব আজও ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন। আউট হয়েছেন ১০ রান করে। পরবর্তীতে সাব্বিরের ১৫ বলে ২৪ রানের কল্যাণে বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত ৩০০ রানে গণ্ডি অতিক্রম করে। মাহমুদুল্লাহ ৬ বলে ছয় আর মোসাদ্দেক তিন বলে দুই রানে অপরাজিত থাকেন। শেষ দিকে মেরে খেলতে না পারায় স্কোরটা আরও বড় হয়নি।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:বাংলাদেশ: ৩০৫/৬ (৫০)ইংল্যান্ড (৩০৮/২ (৪৭.২)

পোস্ট শেয়ার করুন

স্বপ্ন জাগিয়ে বাংলাদেশের হৃদয়ভাঙা হার

আপডেটের সময় : ১১:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জুন ২০১৭

নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৬ উইকেটে ৩০৫ রান করে বাংলাদেশ। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৪৭ ওভার ২ বলে মাত্র ২ উইকেটে হারিয়ে জয় তুলে নেয় ইংলিশরা।জো রুট ১২৯ বলে ১৩৩ রান আর অধিনায়ক ইয়ন মরগান ৭৫ বলে ৬১ রান করে করে অপরাজিত থাকেন।বাংলাদেশের পক্ষে ১ ওভার বোলিং করে ১৩ রান দিয়ে ১ উইকেট নেন সাব্বির আহমেদ। আর ১০ ওভার বোলিং করে ৫৬ রান দিয়ে ১ উইকেট নেন মাশরাফি বিন মর্তুজা।২৭ তম ওভারে অধিনায়ক মাশরাফি সাব্বিরকে বল তুলে দেন। ওভারের শেষ বলে বদলি খেলোয়াড় সুনজামুল ইসলামের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরে ৮৫ বলে ৫৯ করা অ্যালেক্স হেলস।  ইংলিশদের ইনিংসের শুরুতেই আঘাত হানেন মাশরাফি। তৃতীয় ওভারে শর্ট লং অনে মুস্তাফিজুর রহমানের অসাধরণ ক্যাচে ১ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরন জেসন রয়।তামিম ইকবালের সেঞ্চুরি আর মুশফিকুর রহিমের হাফ-সেঞ্চুরিতে ইংল্যান্ডকে ৩০৬ রানের টার্গেট দেয় বাংলাদেশ।তামিম ৩টি ছক্কা আর ১২টি চারের সাহায্যে ১৪২ বলে ১২৮ রান করেন আর মুশফিক ৭২ বলে করেন ৭৯ রান।তামিম ও মুশফিকের ৩য় উইকেটে ১৬৬ রানের জুটি বড় সংগ্রহে মূল অবদান রাখে।এর আগে ওপেনিং জুটিতে তামিমকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংসের গোড়াপত্তন করতে নামেন সৌম্য সরকার। পেস সহায়ক ওভালে শুরুতেই গতির ঝড় তোলেন ইংলিশ পেসাররা।ওপেনিং জুটিতে তারা সংগ্রহ করেন ৫৬ রান। এর পরই সৌম্য সেট হয়ে ২৮ রানে ফিরে যান। ইনিংস বড় করতে ইমরুল কায়েসকে সাথে লড়াই চালিয়ে যান তামিম। কিন্তু ভাল খেলতে থাকা ইমরুল ২০ বলে ১৯ রান করে প্লানকেটের বলে উড এর দুর্দান্ত ক্যাচে পরিণত হয়ে ফিরে যান। দলীয় রান তখন ৯৫ রান।এরপর মুশফিককে নিয়ে দলের রান এগিয়ে নিয়ে যান তামিম। তামিম তুলে নেন ক্যারিয়ারের নবম সেঞ্চুরি। আর মুশফিক তুলে নেন হাফ সেঞ্চুরি। দুজনে মিলে গড়ে তোলেন ১৬৬ রানের পার্টনারশিপ।ম্যাচের ৪৫ তম ওভারে প্লানকেটের পর পর দুই বলে ১২৮ রানে তামিম এবং মুশফিক ৭৯ রানে আউট হন। এরপরই বাংলাদেশের রানের চাকা থেমে যায়।তামিম-মুশফিকের আউট হওয়ার পর সাকিব আজও ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন। আউট হয়েছেন ১০ রান করে। পরবর্তীতে সাব্বিরের ১৫ বলে ২৪ রানের কল্যাণে বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত ৩০০ রানে গণ্ডি অতিক্রম করে। মাহমুদুল্লাহ ৬ বলে ছয় আর মোসাদ্দেক তিন বলে দুই রানে অপরাজিত থাকেন। শেষ দিকে মেরে খেলতে না পারায় স্কোরটা আরও বড় হয়নি।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:বাংলাদেশ: ৩০৫/৬ (৫০)ইংল্যান্ড (৩০৮/২ (৪৭.২)