ঢাকা , রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪, ৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

পুড়ে যাচ্ছে চা বাগান, উৎপাদনে ধ্বস নামছেঃ

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটের সময় : ১১:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২০
  • / ৮৩৩ টাইম ভিউ

চৌধুরী আবু সাঈদ ফুয়াদঃ কুলাউড়ার অধিকাংশ চা বাগান প্রখর সূর্য তাপে পুড়ে যাচ্ছে। সময় মতো বৃষ্টি না হওয়ায় চায়ের উৎপাদন গত কয়েক বছরের তুলনায় অস্বাভাবিক ভাবে হ্রাস পেয়েছে। ইস্পাহানীর মালিকানাধীন গাজীপুর চা বাগানের সিনিয়র ম্যানেজার কাজল মাহমুদ ও এইচ,অারসির মালিকানাধীন ক্লিভডন চা বাগানের ব্যবস্হাপক মি.হাসিব জানালেন বাগানের জলাশয় গুলো শুকিয়ে কাট। সেচ অথবা স্প্রে করে চা গাছ বাঁচানো কষ্টকর হয়ে পড়েছে। তাঁরা জানান গত নভেম্বর মাসে মাত্র এক ইঞ্চি বৃষ্টিপাত হয়েছে। অার বৃষ্টি হয় নি। চা বৃষ্টি নির্ভর, সময় মতো বৃষ্টি না হলে চা গাছ পল্লবিত না হয়ে রুদে পুড়ে মরে যায়। এ দিকে জুড়ী উপজেলার ফুলতলা চা বাগানের ব্যাবস্হাপক মি. সোহেল অাহমেদ বলেন রোদে পুড়লে চা বাগানে নানাবিধ পোকার আক্রমণের অাশংকা থাকে। সব মিলিয়ে এ মৌসুৃমে চা এর উৎপাদনে ধ্বস নামবে তবে বৃষ্টি হয়ে গেলে তার থেকে রেহাই পাওয়া যাবে, একই উপজেলার অারেক বাগান ব্যাবস্হাপক বদরুল হুদা চৌধুরী ও সিরাজ নগর চা বাগানের ম্যানেজার শামীম চৌধুরীজানান চা বাগানের জন্য বৃষ্টি খুবই প্রয়োজন হয়ে পড়েছে, বৃষ্টি না হলে চা শিল্প মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হয়ে পড়বে। চা বাগান ব্যাবস্হাপক মি. হাসিব অাহমদ অারও জানান তাঁর বাগানের ২৫ থেকে ৪০ ভাগ চা গাছ রোদে পুড়ে মরে যাচ্ছে।।

পোস্ট শেয়ার করুন

পুড়ে যাচ্ছে চা বাগান, উৎপাদনে ধ্বস নামছেঃ

আপডেটের সময় : ১১:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২০

চৌধুরী আবু সাঈদ ফুয়াদঃ কুলাউড়ার অধিকাংশ চা বাগান প্রখর সূর্য তাপে পুড়ে যাচ্ছে। সময় মতো বৃষ্টি না হওয়ায় চায়ের উৎপাদন গত কয়েক বছরের তুলনায় অস্বাভাবিক ভাবে হ্রাস পেয়েছে। ইস্পাহানীর মালিকানাধীন গাজীপুর চা বাগানের সিনিয়র ম্যানেজার কাজল মাহমুদ ও এইচ,অারসির মালিকানাধীন ক্লিভডন চা বাগানের ব্যবস্হাপক মি.হাসিব জানালেন বাগানের জলাশয় গুলো শুকিয়ে কাট। সেচ অথবা স্প্রে করে চা গাছ বাঁচানো কষ্টকর হয়ে পড়েছে। তাঁরা জানান গত নভেম্বর মাসে মাত্র এক ইঞ্চি বৃষ্টিপাত হয়েছে। অার বৃষ্টি হয় নি। চা বৃষ্টি নির্ভর, সময় মতো বৃষ্টি না হলে চা গাছ পল্লবিত না হয়ে রুদে পুড়ে মরে যায়। এ দিকে জুড়ী উপজেলার ফুলতলা চা বাগানের ব্যাবস্হাপক মি. সোহেল অাহমেদ বলেন রোদে পুড়লে চা বাগানে নানাবিধ পোকার আক্রমণের অাশংকা থাকে। সব মিলিয়ে এ মৌসুৃমে চা এর উৎপাদনে ধ্বস নামবে তবে বৃষ্টি হয়ে গেলে তার থেকে রেহাই পাওয়া যাবে, একই উপজেলার অারেক বাগান ব্যাবস্হাপক বদরুল হুদা চৌধুরী ও সিরাজ নগর চা বাগানের ম্যানেজার শামীম চৌধুরীজানান চা বাগানের জন্য বৃষ্টি খুবই প্রয়োজন হয়ে পড়েছে, বৃষ্টি না হলে চা শিল্প মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হয়ে পড়বে। চা বাগান ব্যাবস্হাপক মি. হাসিব অাহমদ অারও জানান তাঁর বাগানের ২৫ থেকে ৪০ ভাগ চা গাছ রোদে পুড়ে মরে যাচ্ছে।।