ঢাকা , রবিবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৫, ২৩ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
আপডেট :
কানাডার প্রভিন্সিয়াল পার্লামেন্ট ইলেকশন ডলি’র হ্যাটট্রিক জয় ১৭ বছর পর দেশে প্রত্যাবর্তন লন্ডন বিএনপি নেতা শরফুকে শ্রীমঙ্গলে গণ সংবর্ধনা ইতালির মানতোভা শহরে দুইদিনব্যাপী দূতাবাস সেবা অনুষ্ঠিত ,প্রায় আট শতাধিক প্রবাসীরা এই ক্যাম্প থেকে দূতাবাস সেবা গ্রহণ করেন ইতালিতে এমপি প্রার্থী প্রফেসর ডা: সরকার মাহবুব আহমেদ শামীম কে চাঁদপুরবাসীর সংবর্ধনা দেশে ফিরছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্হায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী কুলাউড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল হান্নানের মৃত্যুতে দোয়া অনুষ্ঠিত কুলাউড়া বিএনপির ১৩ ইউনিয়ন কমিটি বিলুপ্ত ঘোষনা, সমন্বয়কদের দায়িত্ব বন্টন কুলাউড়ায় রাজাপুরে বালু উত্তোলন বন্ধ ও সেতু রক্ষায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত উৎসবমুখর পরিবেশে ইতালির তরিনোতে সিলেট বিভাগ ঐক্য পরিষদের নবগঠিত কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় ছাত্রশিবিরের নববর্ষ প্রকাশনা উৎসব

সিলেট বিভাগে জুনে ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করোনা ভাইরাস

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটের সময় : ০৬:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২০
  • / ৪৫৬ টাইম ভিউ

সিলেট বিভাগে চলতি জুন মাসে এসে ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করেছে মহামারি করোনা ভাইরাস। প্রতিদিনই শতাধিক ব্যক্তির করোনা শনাক্ত হচ্ছে। বাড়ছে মৃত্যুও। গত ২৪ দিনে সিলেট বিভাগে করোনা আক্রান্ত হয়ে ৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।
জানা গেছে, গত ৫ এপ্রিল ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. মঈন উদ্দিনের করোনা শনাক্ত হয়। ১৫ এপ্রিল ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ডা. মঈন সিলেট বিভাগের প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগী। গত ৭ এপ্রিল থেকে সিলেটের ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পিসিআর ল্যাবে করোনা পরীক্ষা শুরু হয়। তখন থেকেই ওই ল্যাবে প্রতিদিন সিলেটের কয়েকজনের করোনা শনাক্ত হতে শুরু হয়। সেই সঙ্গে বাড়তে থাকে মৃত্যুও। তবে চলতি জুন মাসে এসে সিলেট বিভাগে করোনাভাইরাস ভয়ঙ্কর রূপ নিতে থাকে। মৃত্যুও বাড়ে আশঙ্কাজনক হারে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ৫ এপ্রিল থেকে ৩১ মে পর্যন্ত ৫৭ দিনে সিলেটে করোনা শনাক্ত হয় ৯৪৭ জনের। আর মৃত্যু হয় ১৭ জনের। চলতি জুন মাসের প্রথম ২৪ দিনে সিলেটে আরও ২ হাজার ৬৮৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়। মৃত্যু হয় ৪৩ জনের। আজ মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত সিলেট বিভাগে ৩ হাজার ৬৩১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে এবং মৃত্যু হয়েছে ৬০ জনের।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শারীরিক দূরত্ব অমান্য করা, ব্যাংক ও রাস্তাঘাটে ভিড় করা, ঠিলেঢালাভাবে লকডাউন বাস্তবায়নের কারণে পুরো সিলেট বিভাগে হু হু করে বাড়ছে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ডা. আনিসুর রহমান বলেন, সিলেটে জুন মাসে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা অনেক বেড়েছে। রোগীদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতে আমরা বেসরকারি হাসপাতালকে করোনা চিকিৎসা শুরু করার নির্দেশ দিয়েছি। কয়েকটি হাসপাতালে চিকিৎসা শুরুও হয়েছে।
তিনি জানান, সিলেট বিভাগের চার জেলায় এখন পর্যন্ত ৮১৪ জন করোনা আক্রান্ত রোগী সুস্থ হয়েছেন।

পোস্ট শেয়ার করুন

সিলেট বিভাগে জুনে ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করোনা ভাইরাস

আপডেটের সময় : ০৬:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২০

সিলেট বিভাগে চলতি জুন মাসে এসে ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করেছে মহামারি করোনা ভাইরাস। প্রতিদিনই শতাধিক ব্যক্তির করোনা শনাক্ত হচ্ছে। বাড়ছে মৃত্যুও। গত ২৪ দিনে সিলেট বিভাগে করোনা আক্রান্ত হয়ে ৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।
জানা গেছে, গত ৫ এপ্রিল ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. মঈন উদ্দিনের করোনা শনাক্ত হয়। ১৫ এপ্রিল ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ডা. মঈন সিলেট বিভাগের প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগী। গত ৭ এপ্রিল থেকে সিলেটের ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পিসিআর ল্যাবে করোনা পরীক্ষা শুরু হয়। তখন থেকেই ওই ল্যাবে প্রতিদিন সিলেটের কয়েকজনের করোনা শনাক্ত হতে শুরু হয়। সেই সঙ্গে বাড়তে থাকে মৃত্যুও। তবে চলতি জুন মাসে এসে সিলেট বিভাগে করোনাভাইরাস ভয়ঙ্কর রূপ নিতে থাকে। মৃত্যুও বাড়ে আশঙ্কাজনক হারে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ৫ এপ্রিল থেকে ৩১ মে পর্যন্ত ৫৭ দিনে সিলেটে করোনা শনাক্ত হয় ৯৪৭ জনের। আর মৃত্যু হয় ১৭ জনের। চলতি জুন মাসের প্রথম ২৪ দিনে সিলেটে আরও ২ হাজার ৬৮৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়। মৃত্যু হয় ৪৩ জনের। আজ মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত সিলেট বিভাগে ৩ হাজার ৬৩১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে এবং মৃত্যু হয়েছে ৬০ জনের।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শারীরিক দূরত্ব অমান্য করা, ব্যাংক ও রাস্তাঘাটে ভিড় করা, ঠিলেঢালাভাবে লকডাউন বাস্তবায়নের কারণে পুরো সিলেট বিভাগে হু হু করে বাড়ছে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ডা. আনিসুর রহমান বলেন, সিলেটে জুন মাসে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা অনেক বেড়েছে। রোগীদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতে আমরা বেসরকারি হাসপাতালকে করোনা চিকিৎসা শুরু করার নির্দেশ দিয়েছি। কয়েকটি হাসপাতালে চিকিৎসা শুরুও হয়েছে।
তিনি জানান, সিলেট বিভাগের চার জেলায় এখন পর্যন্ত ৮১৪ জন করোনা আক্রান্ত রোগী সুস্থ হয়েছেন।