ঢাকা , শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
আপডেট :
কানাডার প্রভিন্সিয়াল পার্লামেন্ট ইলেকশন ডলি’র হ্যাটট্রিক জয় ১৭ বছর পর দেশে প্রত্যাবর্তন লন্ডন বিএনপি নেতা শরফুকে শ্রীমঙ্গলে গণ সংবর্ধনা ইতালির মানতোভা শহরে দুইদিনব্যাপী দূতাবাস সেবা অনুষ্ঠিত ,প্রায় আট শতাধিক প্রবাসীরা এই ক্যাম্প থেকে দূতাবাস সেবা গ্রহণ করেন ইতালিতে এমপি প্রার্থী প্রফেসর ডা: সরকার মাহবুব আহমেদ শামীম কে চাঁদপুরবাসীর সংবর্ধনা দেশে ফিরছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্হায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী কুলাউড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল হান্নানের মৃত্যুতে দোয়া অনুষ্ঠিত কুলাউড়া বিএনপির ১৩ ইউনিয়ন কমিটি বিলুপ্ত ঘোষনা, সমন্বয়কদের দায়িত্ব বন্টন কুলাউড়ায় রাজাপুরে বালু উত্তোলন বন্ধ ও সেতু রক্ষায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত উৎসবমুখর পরিবেশে ইতালির তরিনোতে সিলেট বিভাগ ঐক্য পরিষদের নবগঠিত কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় ছাত্রশিবিরের নববর্ষ প্রকাশনা উৎসব

মুজিববর্ষে কেউ বেকার থাকবে না

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটের সময় : ০৬:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২০
  • / ৩২৪ টাইম ভিউ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, যুবসমাজের কর্মসংস্থানের বিষয়টি মাথায় রেখেই সরকার বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নিয়েছে। মুজিববর্ষে কেউ বেকার থাকবে না। সবার কর্মসংস্থানের বিষয়টি মাথায় রেখেই সরকার কাজ করছে। সরকার তরুণদের জন্য প্রশিক্ষণ ও ঋণদানসহ বিভিন্ন সহায়তার ব্যবস্থা করেছে। তাদের উৎপাদিত পণ্যের বাজার সৃষ্টি ও বিভিন্ন শিল্প স্থাপনেও কাজ চলছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে আত্মকর্মী ও যুব সংগঠকদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় যুবসমাজকে আত্মনির্ভরশীল ও আত্মমর্যাদাসম্পন্ন করে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ দেশের যুব সমাজকে ভাবতে হবে, আমরা চাকরি করবো কেন, আরও ১০ জনকে চাকরি দেবো। যারা স্বপ্রণোদিত হয়ে উদ্যোক্তা হবেন, সরকার তাদের সহায়তা দেবে।

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, চাকরি না করলেই বেকার, বিষয়টি তা নয়। ডিজিটাল বাংলাদেশের কল্যাণে অনেক ফ্রিল্যান্সারসহ বিভিন্ন পেশাজীবী গড়ে উঠেছেন। তবে সামাজিকভাবে এসব পেশাজীবীকে মূল্যায়ন করা হচ্ছে না। এ মানসিকতা বদলাতে হবে। অথচ সরকার অনলাইনে আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করে দিতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। নিজেদের স্বাবলম্বী করতে যুব উন্নয়নসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় থেকে প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। বিনা জামানতে ঋণের ব্যবস্থাও করা হচ্ছে।

এদিকে, স্টার্টআপ প্রোগ্রামের জন্য সরকার ঋণের ব্যবস্থা রেখেছে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, যুবকদের স্টার্টআপ প্রোগ্রামকে উৎসাহ দিতে ব্যাংকে টাকা আছে। আমরা ফান্ড গঠন করে দিয়েছি। যুবকরা সেখান থেকে সহজ শর্তে ঋণ পাবে। সরকার বিদেশে দক্ষ কর্মী পাঠাতে কাজ করছে জানিয়ে তিনি বলেন, বিদেশে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে আমরা বিভিন্ন প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করছি। কারণ দক্ষ কর্মী পাঠালে মূল্যায়ন ভালো হয়, আয় বাড়ে। এরজন্য যুব উন্নয়নসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ ও ঋণদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, যে দেশের জন্য লাখো মানুষ রক্ত দিয়েছে, সে দেশ ব্যর্থ হতে পারে না। দেশের সবার জন্য সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতে কাজ করছি। স্বল্পোন্নত দেশের স্বীকৃতি ধরে রেখে দেশকে উন্নত দেশে রূপান্তরের জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। এসময় বাংলাদেশকে ক্ষুধামুক্ত ও দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তোলার জন্য যুবসমাজকে দৃঢ়ভাবে প্রতিজ্ঞা নিতে ও তা বাস্তবায়নের আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

পোস্ট শেয়ার করুন

মুজিববর্ষে কেউ বেকার থাকবে না

আপডেটের সময় : ০৬:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২০

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, যুবসমাজের কর্মসংস্থানের বিষয়টি মাথায় রেখেই সরকার বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নিয়েছে। মুজিববর্ষে কেউ বেকার থাকবে না। সবার কর্মসংস্থানের বিষয়টি মাথায় রেখেই সরকার কাজ করছে। সরকার তরুণদের জন্য প্রশিক্ষণ ও ঋণদানসহ বিভিন্ন সহায়তার ব্যবস্থা করেছে। তাদের উৎপাদিত পণ্যের বাজার সৃষ্টি ও বিভিন্ন শিল্প স্থাপনেও কাজ চলছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে আত্মকর্মী ও যুব সংগঠকদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় যুবসমাজকে আত্মনির্ভরশীল ও আত্মমর্যাদাসম্পন্ন করে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ দেশের যুব সমাজকে ভাবতে হবে, আমরা চাকরি করবো কেন, আরও ১০ জনকে চাকরি দেবো। যারা স্বপ্রণোদিত হয়ে উদ্যোক্তা হবেন, সরকার তাদের সহায়তা দেবে।

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, চাকরি না করলেই বেকার, বিষয়টি তা নয়। ডিজিটাল বাংলাদেশের কল্যাণে অনেক ফ্রিল্যান্সারসহ বিভিন্ন পেশাজীবী গড়ে উঠেছেন। তবে সামাজিকভাবে এসব পেশাজীবীকে মূল্যায়ন করা হচ্ছে না। এ মানসিকতা বদলাতে হবে। অথচ সরকার অনলাইনে আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করে দিতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। নিজেদের স্বাবলম্বী করতে যুব উন্নয়নসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় থেকে প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। বিনা জামানতে ঋণের ব্যবস্থাও করা হচ্ছে।

এদিকে, স্টার্টআপ প্রোগ্রামের জন্য সরকার ঋণের ব্যবস্থা রেখেছে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, যুবকদের স্টার্টআপ প্রোগ্রামকে উৎসাহ দিতে ব্যাংকে টাকা আছে। আমরা ফান্ড গঠন করে দিয়েছি। যুবকরা সেখান থেকে সহজ শর্তে ঋণ পাবে। সরকার বিদেশে দক্ষ কর্মী পাঠাতে কাজ করছে জানিয়ে তিনি বলেন, বিদেশে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে আমরা বিভিন্ন প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করছি। কারণ দক্ষ কর্মী পাঠালে মূল্যায়ন ভালো হয়, আয় বাড়ে। এরজন্য যুব উন্নয়নসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ ও ঋণদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, যে দেশের জন্য লাখো মানুষ রক্ত দিয়েছে, সে দেশ ব্যর্থ হতে পারে না। দেশের সবার জন্য সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতে কাজ করছি। স্বল্পোন্নত দেশের স্বীকৃতি ধরে রেখে দেশকে উন্নত দেশে রূপান্তরের জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। এসময় বাংলাদেশকে ক্ষুধামুক্ত ও দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তোলার জন্য যুবসমাজকে দৃঢ়ভাবে প্রতিজ্ঞা নিতে ও তা বাস্তবায়নের আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।