আপডেট :
কানাডার প্রভিন্সিয়াল পার্লামেন্ট ইলেকশন ডলি’র হ্যাটট্রিক জয়
১৭ বছর পর দেশে প্রত্যাবর্তন লন্ডন বিএনপি নেতা শরফুকে শ্রীমঙ্গলে গণ সংবর্ধনা
ইতালির মানতোভা শহরে দুইদিনব্যাপী দূতাবাস সেবা অনুষ্ঠিত ,প্রায় আট শতাধিক প্রবাসীরা এই ক্যাম্প থেকে দূতাবাস সেবা গ্রহণ করেন
ইতালিতে এমপি প্রার্থী প্রফেসর ডা: সরকার মাহবুব আহমেদ শামীম কে চাঁদপুরবাসীর সংবর্ধনা
দেশে ফিরছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্হায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী
কুলাউড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল হান্নানের মৃত্যুতে দোয়া অনুষ্ঠিত
কুলাউড়া বিএনপির ১৩ ইউনিয়ন কমিটি বিলুপ্ত ঘোষনা, সমন্বয়কদের দায়িত্ব বন্টন
কুলাউড়ায় রাজাপুরে বালু উত্তোলন বন্ধ ও সেতু রক্ষায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত
উৎসবমুখর পরিবেশে ইতালির তরিনোতে সিলেট বিভাগ ঐক্য পরিষদের নবগঠিত কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন
মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় ছাত্রশিবিরের নববর্ষ প্রকাশনা উৎসব
মাত্র ১৩ বছরেই সফটওয়্যার কোম্পানির মালিক!

দেশদিগন্ত নিউজ ডেস্কঃ
- আপডেটের সময় : ০২:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মার্চ ২০১৯
- / ১০১৭ টাইম ভিউ
দেশদিগন্ত নিউজ ডেস্কঃ শুরুটা ৯ বছর বয়সেই। একটা মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করে বাড়ির সবাইকে চমকে দিয়েছিল। বয়স এখন ১৩। দুবাইয়ে একটি সফটওয়্যার কোম্পানির মালিক। এবার ঘরের খোলস ভেঙে বিশ্বের সবাইকেই চমকে দিয়েছেন ভারতের কেরালা রাজ্যের আদিত্যন রাজেশ।রাজেশের যখন পাঁচ বছর বয়স, তখন থেকেই কম্পিউটারের প্রতি তীব্র ঝোঁক। স্কুল থেকে বাড়িতে পা রাখতেই কখনো মোবাইল, কখনো আবার কম্পিউটার নিয়ে খুটখাট করতো। আর তার জন্য রাজেশকে প্রতিদিন বাড়ির লোকজনের কাছে বকাঝকাও খেতে হয়েছে। তবে নাছোড় বান্দা রাজেশ।
এই বকাঝকার মধ্যেই খুব তাড়াতাড়িই নিজের প্রযুক্তি ক্যারিশমাটা প্রমাণ করল। হুট করেই একদিন বানিয়ে ফেললো একটা মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন। ছোট্ট রাজেশেরে তৈরি ওই অ্যাপ্লিকেশন বহু মানুষের মনে ধরে যায়। শুরু, সেই থেকেই।
এরপর থেকেই রাজেশের জন্য একের পর এক কাজের প্রস্তাব আসতে শুরু করে। বেশ কিছু সফটওয়্যার কোম্পানির জন্যও লোগো ডিজাইনিং করতে শুরু করে। শুধু তাই নয়, সে সময়ে তাক লাগিয়ে দেয়ার মতো ওয়েবসাইটও তৈরি করতে শুরু করে দিয়েছিল মাত্র ৯ বছরের রাজেশ।
রাজেশের জন্ম কেরালার থিরুভিল্লাতে। তার বয়স যখন পাঁচ বছর তখনই তার পরিবার দুবাইতে চলে আসে। তবে রাজেশকে ওয়েবসাইটের সঙ্গে প্রথম পরিচয়টা করিয়ে দিয়েছিলেন তার বাবা। রাজশ জানায়, তার বাবা প্রথমে যে ওয়েবসাইটের সঙ্গে পরিচয় করিয়েছিলেন সেটার নাম বিবিসি টাইপিং। এই ওয়েবসাইট থেকেই ছোটরা টাইপিংয়ের খুঁটিনাটি সম্পর্কে জানতে পারে।
বর্তমানে রাজেশের কোম্পানিতে তিনজন কাজ করেন। আর তারা সবাই স্কুলের বন্ধু। তবে রাজশ এখন দিন গুনছে, কবে তার বয়স ১৮ হবে। রাজেশ জানিয়েছে, তার বয়স ১৮ বছর হলেই সে প্রতিষ্ঠিত একটি কোম্পানির মালিক হতে পারবে।
তার কোম্পানিতে ১২ জনেরও বেশি ক্লায়েন্ট রয়েছে। তারা ক্লাইন্টদের জন্য কোডিং সার্ভিস থেকে ডিজাইন, সবই বিনামূল্যে করে থাকে।