ঢাকা , শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২০ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
আপডেট :
কানাডার প্রভিন্সিয়াল পার্লামেন্ট ইলেকশন ডলি’র হ্যাটট্রিক জয় ১৭ বছর পর দেশে প্রত্যাবর্তন লন্ডন বিএনপি নেতা শরফুকে শ্রীমঙ্গলে গণ সংবর্ধনা ইতালির মানতোভা শহরে দুইদিনব্যাপী দূতাবাস সেবা অনুষ্ঠিত ,প্রায় আট শতাধিক প্রবাসীরা এই ক্যাম্প থেকে দূতাবাস সেবা গ্রহণ করেন ইতালিতে এমপি প্রার্থী প্রফেসর ডা: সরকার মাহবুব আহমেদ শামীম কে চাঁদপুরবাসীর সংবর্ধনা দেশে ফিরছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্হায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী কুলাউড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল হান্নানের মৃত্যুতে দোয়া অনুষ্ঠিত কুলাউড়া বিএনপির ১৩ ইউনিয়ন কমিটি বিলুপ্ত ঘোষনা, সমন্বয়কদের দায়িত্ব বন্টন কুলাউড়ায় রাজাপুরে বালু উত্তোলন বন্ধ ও সেতু রক্ষায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত উৎসবমুখর পরিবেশে ইতালির তরিনোতে সিলেট বিভাগ ঐক্য পরিষদের নবগঠিত কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় ছাত্রশিবিরের নববর্ষ প্রকাশনা উৎসব

প্রকৌশলী হয়ে রডের বদলে বাঁশ দেবেন না: রাষ্ট্রপতি

দেশদিগন্ত নিউজ ডেস্কঃ
  • আপডেটের সময় : ০১:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মার্চ ২০১৯
  • / ৭৭০ টাইম ভিউ

দেশদিগন্ত নিউজ ডেস্কঃ    ঢাকা, ১৯ মার্চ- প্রকৌশলীদের উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বলেছেন, সিমেন্টের বদলে বালি আর রডের বদলে বাঁশ দিয়ে বড় হওয়ার স্বপ্ন দেখবে না। মঙ্গলবার বিকেলে বুয়েটের ১১তম সমাবর্তন বক্তব্যে রাষ্ট্রপতি এ কথা বলেন।

প্রকৌশলীদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বলেন, ‘তোমরা সব সময় বড় হওয়ার স্বপ্ন দেখবে। তবে কখনও মিথ্যার সঙ্গে আপস করবে না। সিমেন্টের বদলে বালি আর রডের বদলে বাঁশ দিয়ে বড় হওয়ার স্বপ্ন দেখবে না।’

আবদুল হামিদ বলেন, ‘অন্যায় ও অসৎ পথের অর্জন ক্ষণস্থায়ী, এতে কোনো সম্মান নেই। আছে জীবনভর অনুশোচনা। সবকিছু করবে নিজের মেধা ও আন্তরিকতাকে কাজে লাগিয়ে।’

বুয়েট প্রকৌশলীদের রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘তোমরা হবে তরুণ প্রজন্মের আদর্শ। সেই আদর্শে নবীনরা উজ্জীবিত হবে। তোমরা বড় হও, কর্মে আগামী দিনগুলো উজ্জ্বল হোক আমি সেই দোয়া করছি।’

আবদুল হামিদ বলেন, ‘ডেভেলপমেন্টের কথা বলা হলে এখানে ইঞ্জিনিয়ারদের বেশি প্রয়োজন। আজকাল রাস্তা করার পরই ভেঙে যাচ্ছে, ছাদ ধসে যাচ্ছে, এগুলো যাতে না হয় সেদিকে আপনাদের খেয়াল রাখতে হবে। আমরা যদি উন্নত বিশ্বে যেতে চাই, যা আমাদের স্বপ্ন, তাহলে সবার সৎ থাকতে হবে। পাশাপাশি সবার অ্যাকটিভও থাকতে হবে।’

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘আমি চাই বুয়েট শুধু বাংলাদেশে নয়, সারা পৃথিবীতে যাতে অবস্থান নিতে পারে।’

নিজের ছাত্রজীবনের স্মৃতিচারণ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘ছাত্র আমি ভালো ছিলাম না। ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তি হই নাই। আমি ইন্টারমিডিয়েটে এক বিষয়ে লজিকে (যুক্তিবিদ্যা) রেফার্ড পাইছিলাম। তখন সারাদেশের রেফার্ড বিষয়ের পরীক্ষাগুলো ঢাকা কলেজে নেয়া হতো। তাই এক বিষয়ে ঢাকা কলেজে রেফার্ড পরীক্ষা দিতে ঢাকায় এসে বুয়েটের শেরেবাংলা হোস্টেলে স্ত্রীর ছোট ভাইয়ের (শালার) রুমে উঠি। এক-দেড় মাস হোস্টেলে থাকার সুবাদে সবাই জেনে যায় আমি একজনের দুলাভাই লাগি। তারা আমারে দুলাভাই ডাকে আর আমি পাইকারিভাবে শালা ডাকতাম।’

তখনকার দেড় মাসে বুয়েটের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তার মধুর সম্পর্ক স্থাপিত হয়েছিল জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘ওই সময় বুয়েটে কোনো নারী শিক্ষার্থী ছিল না। বর্তমানে প্রায় ৩০ ভাগ শিক্ষার্থী ছাত্রী। দেশের মেয়েরা এগিয়ে যাচ্ছে এটাই তার প্রমাণ।’

পোস্ট শেয়ার করুন

প্রকৌশলী হয়ে রডের বদলে বাঁশ দেবেন না: রাষ্ট্রপতি

আপডেটের সময় : ০১:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মার্চ ২০১৯

দেশদিগন্ত নিউজ ডেস্কঃ    ঢাকা, ১৯ মার্চ- প্রকৌশলীদের উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বলেছেন, সিমেন্টের বদলে বালি আর রডের বদলে বাঁশ দিয়ে বড় হওয়ার স্বপ্ন দেখবে না। মঙ্গলবার বিকেলে বুয়েটের ১১তম সমাবর্তন বক্তব্যে রাষ্ট্রপতি এ কথা বলেন।

প্রকৌশলীদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বলেন, ‘তোমরা সব সময় বড় হওয়ার স্বপ্ন দেখবে। তবে কখনও মিথ্যার সঙ্গে আপস করবে না। সিমেন্টের বদলে বালি আর রডের বদলে বাঁশ দিয়ে বড় হওয়ার স্বপ্ন দেখবে না।’

আবদুল হামিদ বলেন, ‘অন্যায় ও অসৎ পথের অর্জন ক্ষণস্থায়ী, এতে কোনো সম্মান নেই। আছে জীবনভর অনুশোচনা। সবকিছু করবে নিজের মেধা ও আন্তরিকতাকে কাজে লাগিয়ে।’

বুয়েট প্রকৌশলীদের রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘তোমরা হবে তরুণ প্রজন্মের আদর্শ। সেই আদর্শে নবীনরা উজ্জীবিত হবে। তোমরা বড় হও, কর্মে আগামী দিনগুলো উজ্জ্বল হোক আমি সেই দোয়া করছি।’

আবদুল হামিদ বলেন, ‘ডেভেলপমেন্টের কথা বলা হলে এখানে ইঞ্জিনিয়ারদের বেশি প্রয়োজন। আজকাল রাস্তা করার পরই ভেঙে যাচ্ছে, ছাদ ধসে যাচ্ছে, এগুলো যাতে না হয় সেদিকে আপনাদের খেয়াল রাখতে হবে। আমরা যদি উন্নত বিশ্বে যেতে চাই, যা আমাদের স্বপ্ন, তাহলে সবার সৎ থাকতে হবে। পাশাপাশি সবার অ্যাকটিভও থাকতে হবে।’

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘আমি চাই বুয়েট শুধু বাংলাদেশে নয়, সারা পৃথিবীতে যাতে অবস্থান নিতে পারে।’

নিজের ছাত্রজীবনের স্মৃতিচারণ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘ছাত্র আমি ভালো ছিলাম না। ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তি হই নাই। আমি ইন্টারমিডিয়েটে এক বিষয়ে লজিকে (যুক্তিবিদ্যা) রেফার্ড পাইছিলাম। তখন সারাদেশের রেফার্ড বিষয়ের পরীক্ষাগুলো ঢাকা কলেজে নেয়া হতো। তাই এক বিষয়ে ঢাকা কলেজে রেফার্ড পরীক্ষা দিতে ঢাকায় এসে বুয়েটের শেরেবাংলা হোস্টেলে স্ত্রীর ছোট ভাইয়ের (শালার) রুমে উঠি। এক-দেড় মাস হোস্টেলে থাকার সুবাদে সবাই জেনে যায় আমি একজনের দুলাভাই লাগি। তারা আমারে দুলাভাই ডাকে আর আমি পাইকারিভাবে শালা ডাকতাম।’

তখনকার দেড় মাসে বুয়েটের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তার মধুর সম্পর্ক স্থাপিত হয়েছিল জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘ওই সময় বুয়েটে কোনো নারী শিক্ষার্থী ছিল না। বর্তমানে প্রায় ৩০ ভাগ শিক্ষার্থী ছাত্রী। দেশের মেয়েরা এগিয়ে যাচ্ছে এটাই তার প্রমাণ।’