ঢাকা , শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

৯ ডিসেম্বর দুর্নীতি বিরোধী দিবস পালনের সিদ্ধান্ত

অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : ১২:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ জুলাই ২০১৭
  • / ১৪২১ টাইম ভিউ

প্রতিবছর ৯ ডিসেম্বর দুর্নীতি বিরোধী দিবস হিসেবে পালিত হবে।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে আজ (সোমবার) সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার সাপ্তাহিক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বৈঠকে প্রতিবছর ৬ এপ্রিল আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস হিসেবে পালনেরও সিদ্ধান্ত হয়।দুর্নীতি বিরোধী দিবস ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস ‘খ’ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হবে।দিবস দু’টি যথাযথভাবে পালনে এ সম্পর্কিত প্রয়োজনীয় গেজেট নোটিফিকেশন ইস্যু করা হবে।বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট সচিবগণ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।বৈঠকে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মধ্যে ডিপ্লোমেটিক ও অফিসিয়াল পাসপোর্টধারীদের ভিসা অব্যাহতি সম্পর্কিত চুক্তির খসড়ার অনুমোদন দেয়া হয়।প্রধানমন্ত্রী সভার শুরুতে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাকিস্তানী সেনাবাহিনী ও তাদের স্থানীয় দোসরদের গণহত্যা ও যুদ্ধাপরাধের আলোকচিত্র সম্বলিত ৭১টি স্মারক ডাকটিকিট ও উদ্বোধনী খাম উন্মোচন করেন।বৈঠকে মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ের ওপর নির্মিত একটি স্বল্পদৈর্ঘ প্রামাণ্য ভিডিও প্রদর্শিত হয়।১৯৭১ সালে পাকিস্তানী সামরিক জান্তার নিষ্ঠুরতম গণহত্যার সঠিক সত্য ইতিহাস এদেশের নতুন প্রজন্মকে জানার সুযোগ করে দেয়ার জন্য এ উদ্যোগ। ৭১’র যুদ্ধের সময় কয়েকজন অকুতোভয় ফটো সাংবাদিকের তোলা গণহত্যা ও যুদ্ধাপরাধের ওপর ৭১টি বিশেষ ফটোগ্রাফ নিয়ে ৭১টি স্মারক ডাকটিকিট ও এ্যালবাম প্রস্তুত করা হয়।

পোস্ট শেয়ার করুন

৯ ডিসেম্বর দুর্নীতি বিরোধী দিবস পালনের সিদ্ধান্ত

আপডেটের সময় : ১২:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ জুলাই ২০১৭

প্রতিবছর ৯ ডিসেম্বর দুর্নীতি বিরোধী দিবস হিসেবে পালিত হবে।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে আজ (সোমবার) সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার সাপ্তাহিক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বৈঠকে প্রতিবছর ৬ এপ্রিল আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস হিসেবে পালনেরও সিদ্ধান্ত হয়।দুর্নীতি বিরোধী দিবস ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস ‘খ’ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হবে।দিবস দু’টি যথাযথভাবে পালনে এ সম্পর্কিত প্রয়োজনীয় গেজেট নোটিফিকেশন ইস্যু করা হবে।বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট সচিবগণ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।বৈঠকে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মধ্যে ডিপ্লোমেটিক ও অফিসিয়াল পাসপোর্টধারীদের ভিসা অব্যাহতি সম্পর্কিত চুক্তির খসড়ার অনুমোদন দেয়া হয়।প্রধানমন্ত্রী সভার শুরুতে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাকিস্তানী সেনাবাহিনী ও তাদের স্থানীয় দোসরদের গণহত্যা ও যুদ্ধাপরাধের আলোকচিত্র সম্বলিত ৭১টি স্মারক ডাকটিকিট ও উদ্বোধনী খাম উন্মোচন করেন।বৈঠকে মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ের ওপর নির্মিত একটি স্বল্পদৈর্ঘ প্রামাণ্য ভিডিও প্রদর্শিত হয়।১৯৭১ সালে পাকিস্তানী সামরিক জান্তার নিষ্ঠুরতম গণহত্যার সঠিক সত্য ইতিহাস এদেশের নতুন প্রজন্মকে জানার সুযোগ করে দেয়ার জন্য এ উদ্যোগ। ৭১’র যুদ্ধের সময় কয়েকজন অকুতোভয় ফটো সাংবাদিকের তোলা গণহত্যা ও যুদ্ধাপরাধের ওপর ৭১টি বিশেষ ফটোগ্রাফ নিয়ে ৭১টি স্মারক ডাকটিকিট ও এ্যালবাম প্রস্তুত করা হয়।