ঢাকা , মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
আপডেট :
পুনাক এর উদ্যোগে দুস্হ ও অসহায় নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরন করা হয়েছে কুলাউড়ার টিলাগাঁও এ সরকারি গাছ বিক্রি করলেন প্রধান শিক্ষক লটারি বাইক জিতলো মা’ সে কারণে কপাল পুড়লো মেয়ের ফজরের নামাজে যাওয়ার সময় রাস্তায় কুকুর দলের আক্রমনে প্রান গেলো ইজাজুলের সাবেক সাংসদ সেলিমা আহমাদ মেরীর সাথে পর্তুগাল আওয়ামিলীগের মতবিনিময় সভা কুলাউড়ার হাজীপুরে বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার ১২ ঘন্টার মধ্যেই দুজন গ্রেফতার কুলাউড়ার হাজীপুর ইউনিয়নে প্রতিপক্ষের হামলায়  আছকির মিয়া (৫০)নিহত  হয়েছেন। বর্ণাঢ্য আয়োজনে পর্তুগাল বিএনপির আহবায়ক কমিটির অভিষেক ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত। সিলেট বিভাগের শ্রেষ্ঠ মাদ্রাসা প্রধান নির্বাচিত হলেন অধ্যক্ষ মাওলানা বশির আহমদ মুসলিম কমিউনিটি মৌলভীবাজার এর কমিটি গঠন

৮৪ রানে অলআউট বাংলাদেশ

অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : ০৩:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ মে ২০১৭
  • / ১৪৫৪ টাইম ভিউ

মাত্র একদিন পরেই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আসল পরীক্ষা বাংলাদেশের। লন্ডনের কেনিংটন ওভালের যে মাঠে ইংল্যান্ড-বাংলাদেশ উদ্বোধনী খেলা হবে সেখানেই বাংলাদেশ চরম এক লজ্জার মহড়া দিলো বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা। মঙ্গলবার শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে বাংলাদেশ ভারতের কাছে হারলো ২৪১ রানের ব্যবধানে। ভারতের করা ৩২৪ রানের জবাবে বাংলাদেশ অলআউট মাত্র ৮৪ রানে। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ দলের এতো বাজে ব্যাটিং আর দেখা যায়নি। ভারতের পেসারদের সামনে অসহায়ের মতো উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ইমরুল-সাকিব অবশ্য অহেতুক হাঁকাতে গিয়ে উইকেট দেন। সর্বোচ্চ ২৪ রান করেন মেহেদী হাসান মিরাজ। আর ১৮ রান করেন সানজামুল ইসলাম।
আগের প্রস্তুতি ম্যাচে বাংলাদেশের যে ব্যাটম্যানরা রানের ফুলঝুড়ি ফোটালো, তারাই কাল ভারতীয় বোলারদের সামনে ধসে পরলো। ১১ রানে প্রথম উইকেট পতনের পর ২২ রানে হাওয়া ৬ উইকেট। এরমধ্যে ১১ রানেই প্যাভিলিয়নের পথ ধরেছেন সৌম্য, সাব্বির, ইমরুল। চার নাম্বারে ব্যাট করতে নেমে আসা যাওয়ার মিছিল দেখেছেন মুশফিকুর রহীম। যে মিছিলে সামিল হয়েছেন মাশরাফির পরিবর্তে অধিনায়াকের দায়িত্ব পাওয়া সাকিব থিতু হতে পারেননি মাহামুদুল্লাহ, মোসাদ্দেকও। বাংলাদেশের ব্যাটিং ধস শুরু হয় সৌম্য সরকারকে দিয়ে। চতুর্থ ওভারে সৌম্যকে (২) দিনেশ কার্তিকের ক্যাচ বানান কেদার যাদব। একই ওভারে সাব্বির রহমানকে বোল্ড করেন তিনি। পরের ওভারে ইমরুল কায়েসকে ৭ রানে যাদবের ক্যাচ বানান ভুবনেশ্বর কুমার। ১১ রানে নেই ৩ উইকেট। প্রতিরোধ গড়ার বদলে আরও উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ। সপ্তম ওভারে ভুবনেশ্বর তুলে নেন সাকিব আল হাসান ও মাহমুদউল্লাহর উইকেট। যাদব তার চতুর্থ ওভারে মোসাদ্দেক হোসেনকে বানান কার্তিকের ক্যাচ। ৭.৩ ওভারে ২২ রানে ৬ উইকেট নেই বাংলাদেশ। সেখান থেকে মেহেদি মিরাজকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংস মেরামতের দায়িত্বনেন মুশফিকুর রহীম। সপ্তম উইকেটে এই জুটি ২৫ রানের জুটি গড়েন। ১২ ওভারের সাত উইকেট হারিয়ে বসে বাংলাদেশ। শঙ্কায় পরে সর্বোচ্চ ব্যাবধানে হারের
এর আগে বোলিংয়ে শুরুর সঙ্গে শেষটা মিলেনি। ২১ রানের মধ্যে ভারতের ২ উইকেট নিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু ৫০ ওভার শেষে ভারতের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ৩২৪ রান। চ্যাম্পিয়নস ট্রফির আগে শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে মাশরাফি মুর্তজাকে বিশ্রাম দেওয়ায় ভারপ্রাপ্ত অধিনায়কত্ব পেয়েছেন সাকিব আল হাসান। টস জিতে তিনি নেন ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত। সতীর্থদের কাছে শুরুতে ভালো সাড়া পান তিনি। ২১ রানের মধ্যে ভারতের দুই নিভর্রযাগ্য ব্যাটসম্যানকে ফেরায় বাংলাদেশ। রুবেল হোসেন তার প্রথম বলে বোল্ড করেন রোহিত শর্মাকে (১)। মোস্তাফিজুর রহমান দলীয় সপ্তম ওভারের প্রথশ বলে বোল্ড করেন আজিঙ্কা রাহানেকে (১১)। পরে শক্ত প্রতিরোধ গড়েন শিখর ধাওয়ান ও দিনেশ কার্তিক। তাদের ১০০ রানের জুটিটি ভাঙেন সানজামুল। ধাওয়ানকে ৬০ রানে মিডউইকেটে মেহেদী হাসান মিরাজের ক্যাচ বানান তিনি। পরে কেদার যাদবের সঙ্গে কার্তিকের ৭৫ রানের জুটিটিও বিচ্ছিন্ন করেছেন সানজামুল। যাদবকে ৩১ রানে বোল্ড করেন এ বাঁহাতি স্পিনার। ৯৪ রানে রিটায়ার্ড আউট হন কার্তিক। রুবেল তার দ্বিতীয় উইকেট তুলে নেন রবীন্দ্র জাদেজাকে (৩২) ক্যাচ বানান সাকিবের। নিজের নবম ও ইনিংসের শেষ ওভারে তৃতীয় বলে রবীচন্দ্রন অশ্বিনকে বোল্ড করেন রুবেল। ইনিংসের দ্বিতীয় সেরা ৮০ রানে অপরাজিত ছিলেন হার্দিক পান্ডে।

পোস্ট শেয়ার করুন

৮৪ রানে অলআউট বাংলাদেশ

আপডেটের সময় : ০৩:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ মে ২০১৭

মাত্র একদিন পরেই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আসল পরীক্ষা বাংলাদেশের। লন্ডনের কেনিংটন ওভালের যে মাঠে ইংল্যান্ড-বাংলাদেশ উদ্বোধনী খেলা হবে সেখানেই বাংলাদেশ চরম এক লজ্জার মহড়া দিলো বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা। মঙ্গলবার শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে বাংলাদেশ ভারতের কাছে হারলো ২৪১ রানের ব্যবধানে। ভারতের করা ৩২৪ রানের জবাবে বাংলাদেশ অলআউট মাত্র ৮৪ রানে। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ দলের এতো বাজে ব্যাটিং আর দেখা যায়নি। ভারতের পেসারদের সামনে অসহায়ের মতো উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ইমরুল-সাকিব অবশ্য অহেতুক হাঁকাতে গিয়ে উইকেট দেন। সর্বোচ্চ ২৪ রান করেন মেহেদী হাসান মিরাজ। আর ১৮ রান করেন সানজামুল ইসলাম।
আগের প্রস্তুতি ম্যাচে বাংলাদেশের যে ব্যাটম্যানরা রানের ফুলঝুড়ি ফোটালো, তারাই কাল ভারতীয় বোলারদের সামনে ধসে পরলো। ১১ রানে প্রথম উইকেট পতনের পর ২২ রানে হাওয়া ৬ উইকেট। এরমধ্যে ১১ রানেই প্যাভিলিয়নের পথ ধরেছেন সৌম্য, সাব্বির, ইমরুল। চার নাম্বারে ব্যাট করতে নেমে আসা যাওয়ার মিছিল দেখেছেন মুশফিকুর রহীম। যে মিছিলে সামিল হয়েছেন মাশরাফির পরিবর্তে অধিনায়াকের দায়িত্ব পাওয়া সাকিব থিতু হতে পারেননি মাহামুদুল্লাহ, মোসাদ্দেকও। বাংলাদেশের ব্যাটিং ধস শুরু হয় সৌম্য সরকারকে দিয়ে। চতুর্থ ওভারে সৌম্যকে (২) দিনেশ কার্তিকের ক্যাচ বানান কেদার যাদব। একই ওভারে সাব্বির রহমানকে বোল্ড করেন তিনি। পরের ওভারে ইমরুল কায়েসকে ৭ রানে যাদবের ক্যাচ বানান ভুবনেশ্বর কুমার। ১১ রানে নেই ৩ উইকেট। প্রতিরোধ গড়ার বদলে আরও উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ। সপ্তম ওভারে ভুবনেশ্বর তুলে নেন সাকিব আল হাসান ও মাহমুদউল্লাহর উইকেট। যাদব তার চতুর্থ ওভারে মোসাদ্দেক হোসেনকে বানান কার্তিকের ক্যাচ। ৭.৩ ওভারে ২২ রানে ৬ উইকেট নেই বাংলাদেশ। সেখান থেকে মেহেদি মিরাজকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংস মেরামতের দায়িত্বনেন মুশফিকুর রহীম। সপ্তম উইকেটে এই জুটি ২৫ রানের জুটি গড়েন। ১২ ওভারের সাত উইকেট হারিয়ে বসে বাংলাদেশ। শঙ্কায় পরে সর্বোচ্চ ব্যাবধানে হারের
এর আগে বোলিংয়ে শুরুর সঙ্গে শেষটা মিলেনি। ২১ রানের মধ্যে ভারতের ২ উইকেট নিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু ৫০ ওভার শেষে ভারতের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ৩২৪ রান। চ্যাম্পিয়নস ট্রফির আগে শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে মাশরাফি মুর্তজাকে বিশ্রাম দেওয়ায় ভারপ্রাপ্ত অধিনায়কত্ব পেয়েছেন সাকিব আল হাসান। টস জিতে তিনি নেন ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত। সতীর্থদের কাছে শুরুতে ভালো সাড়া পান তিনি। ২১ রানের মধ্যে ভারতের দুই নিভর্রযাগ্য ব্যাটসম্যানকে ফেরায় বাংলাদেশ। রুবেল হোসেন তার প্রথম বলে বোল্ড করেন রোহিত শর্মাকে (১)। মোস্তাফিজুর রহমান দলীয় সপ্তম ওভারের প্রথশ বলে বোল্ড করেন আজিঙ্কা রাহানেকে (১১)। পরে শক্ত প্রতিরোধ গড়েন শিখর ধাওয়ান ও দিনেশ কার্তিক। তাদের ১০০ রানের জুটিটি ভাঙেন সানজামুল। ধাওয়ানকে ৬০ রানে মিডউইকেটে মেহেদী হাসান মিরাজের ক্যাচ বানান তিনি। পরে কেদার যাদবের সঙ্গে কার্তিকের ৭৫ রানের জুটিটিও বিচ্ছিন্ন করেছেন সানজামুল। যাদবকে ৩১ রানে বোল্ড করেন এ বাঁহাতি স্পিনার। ৯৪ রানে রিটায়ার্ড আউট হন কার্তিক। রুবেল তার দ্বিতীয় উইকেট তুলে নেন রবীন্দ্র জাদেজাকে (৩২) ক্যাচ বানান সাকিবের। নিজের নবম ও ইনিংসের শেষ ওভারে তৃতীয় বলে রবীচন্দ্রন অশ্বিনকে বোল্ড করেন রুবেল। ইনিংসের দ্বিতীয় সেরা ৮০ রানে অপরাজিত ছিলেন হার্দিক পান্ডে।