ঢাকা , শুক্রবার, ১২ এপ্রিল ২০২৪, ২৯ চৈত্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
আপডেট :
যথাযথ গাম্ভীর্যের মধ্যে দিয়ে পরিবেশে মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর পালন করেছে ভেনিস প্রবাসীরা ভেনিসে বৃহত্তর সিলেট সমিতির আয়োজনে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত এক অসুস্থ প্রজন্ম কে সাথি করে এগুচ্ছি আমরা রিডানডেন্ট ক্লোথিং আর মজুর মামার ‘বিশ্বকাপ’ ইউরোপের সবচেয়ে বড় ঈদুল ফিতরের নামাজ পর্তুগালে অনুষ্ঠিত হয় বর্ণাঢ্য আয়োজনে পর্তুগাল বাংলা প্রেসক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন ঈদের কাপড় কিনার জন্য মা’য়ের উপর অভিমান করে মেয়ের আত্মহত্যা লিসবনে বন্ধু মহলের আয়োজনে বিশাল ইফতার ও দোয়া মাহফিল মান অভিমান ভুলে সবাই একই প্লাটফর্মে,সংবাদ সম্মেলনে পর্তুগাল বিএনপির নবগঠিত আহবায়ক কমিটি ইতালির ভিসেন্সায় সিলেট ডায়নামিক অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠিত

২০২০ সালের মধ্যে ৫৬০ মডেল মসজিদ সম্পন্ন হবে : ধর্ম প্রতিমন্ত্রী

দেশদিগন্ত নিউজ ডেস্কঃ
  • আপডেটের সময় : ১১:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুন ২০১৯
  • / ৫০৮ টাইম ভিউ

দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় ৫৬০ মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সংস্কৃতি কেন্দ্র স্থাপনের কাজ আগামী ২০২০ সালের মধ্যে সম্পন্ন হবে বলে জানিয়েছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মো. আবদুল্লাহ।

রোববার মাহফুজুর রহমানের এক প্রশ্নের জবাবে জাতীয় সংসদকে এ তথ্য জানান ধর্ম প্রতিমন্ত্রী।

হাজী মো. সেলিমের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারি এবং বেসরকারি পর্যায়ে বাংলাদেশের মুসলমানদের হজ পালনে নির্ধারিত ব্যয় পার্শ্ববর্তী ভারতের মুসলমানদের ধার্য্যকৃত ব্যয়ের প্রায় দ্বিগুণ তথ্যটি সঠিক নয়। বরং সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে হজ পালনের ব্যয় বাংলাদেশে কম।

শেখ মো. আবদুল্লাহ বলেন, ২০১৮ সালের তথ্য অনুযায়ী আমাদের পার্শ্ববর্তী ভারতের মুসলমানদের সরকারি ব্যবস্থাপনার হজযাত্রীর ব্যয় ছিল অঞ্চলভেদে ২ লাখ ৪৬ হাজার থেকে ২ লাখ ৮৫ হাজার রুপি। যা বাংলাদেশী টাকায় ৩ লাখ ৪৫ হাজার ৮৪১ টাকা। একই সঙ্গে বেসরকারি ব্যবস্থাপনার হজযাত্রীদের ব্যয় ছিল ৪-৫ লাখ রুপি। অথচ ওই বছরে বাংলাদেশের সরকারি ব্যবস্থাপনার প্যাকেজ-বি এর হজযাত্রীদের ব্যয় ছিল ৩ লাখ ৩১ হাজার ৩৫৯ হাজার টাকা এবং প্যাকেজ-এ এর ব্যয় ছিল ৩ লাখ ৯৭ হাজার ৯২৯ টাকা। বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রীদের ব্যয় ছিল ৩ লাখ ৩১ হাজার ৩৫৯ টাকা। এখানে (বাংলাদেশে) হজযাত্রীদের ব্যয় আরও কমানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। ফলশ্রুতিতে অন্যান্য বছরের মতো ২০১৯ সালে বিমান ভাড়া বৃদ্ধি না করে ১০ হাজার ১৯৮ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ২৮ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়।

মো. মোজাফফর হোসেনের প্রশ্নের জবাবে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রতি বছরই পবিত্র হজ গমন ইচ্ছুকগণের অনেকে বিমানের টিকিট না পাওয়ায় ফিরে যেতে হয় কথাটি সঠিক নয়। ২০১৮ সালে নিবন্ধিত সব হজযাত্রী পবিত্র হজ পালন করে দেশে প্রত্যাবর্তন করেন। তবে ২০১৭ সালে এ ধরণের অনিয়মের কারণে সংশ্লিষ্ট হজ এজেন্সির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

পোস্ট শেয়ার করুন

২০২০ সালের মধ্যে ৫৬০ মডেল মসজিদ সম্পন্ন হবে : ধর্ম প্রতিমন্ত্রী

আপডেটের সময় : ১১:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুন ২০১৯

দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় ৫৬০ মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সংস্কৃতি কেন্দ্র স্থাপনের কাজ আগামী ২০২০ সালের মধ্যে সম্পন্ন হবে বলে জানিয়েছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মো. আবদুল্লাহ।

রোববার মাহফুজুর রহমানের এক প্রশ্নের জবাবে জাতীয় সংসদকে এ তথ্য জানান ধর্ম প্রতিমন্ত্রী।

হাজী মো. সেলিমের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারি এবং বেসরকারি পর্যায়ে বাংলাদেশের মুসলমানদের হজ পালনে নির্ধারিত ব্যয় পার্শ্ববর্তী ভারতের মুসলমানদের ধার্য্যকৃত ব্যয়ের প্রায় দ্বিগুণ তথ্যটি সঠিক নয়। বরং সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে হজ পালনের ব্যয় বাংলাদেশে কম।

শেখ মো. আবদুল্লাহ বলেন, ২০১৮ সালের তথ্য অনুযায়ী আমাদের পার্শ্ববর্তী ভারতের মুসলমানদের সরকারি ব্যবস্থাপনার হজযাত্রীর ব্যয় ছিল অঞ্চলভেদে ২ লাখ ৪৬ হাজার থেকে ২ লাখ ৮৫ হাজার রুপি। যা বাংলাদেশী টাকায় ৩ লাখ ৪৫ হাজার ৮৪১ টাকা। একই সঙ্গে বেসরকারি ব্যবস্থাপনার হজযাত্রীদের ব্যয় ছিল ৪-৫ লাখ রুপি। অথচ ওই বছরে বাংলাদেশের সরকারি ব্যবস্থাপনার প্যাকেজ-বি এর হজযাত্রীদের ব্যয় ছিল ৩ লাখ ৩১ হাজার ৩৫৯ হাজার টাকা এবং প্যাকেজ-এ এর ব্যয় ছিল ৩ লাখ ৯৭ হাজার ৯২৯ টাকা। বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রীদের ব্যয় ছিল ৩ লাখ ৩১ হাজার ৩৫৯ টাকা। এখানে (বাংলাদেশে) হজযাত্রীদের ব্যয় আরও কমানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। ফলশ্রুতিতে অন্যান্য বছরের মতো ২০১৯ সালে বিমান ভাড়া বৃদ্ধি না করে ১০ হাজার ১৯৮ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ২৮ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়।

মো. মোজাফফর হোসেনের প্রশ্নের জবাবে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রতি বছরই পবিত্র হজ গমন ইচ্ছুকগণের অনেকে বিমানের টিকিট না পাওয়ায় ফিরে যেতে হয় কথাটি সঠিক নয়। ২০১৮ সালে নিবন্ধিত সব হজযাত্রী পবিত্র হজ পালন করে দেশে প্রত্যাবর্তন করেন। তবে ২০১৭ সালে এ ধরণের অনিয়মের কারণে সংশ্লিষ্ট হজ এজেন্সির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।