ঢাকা , বুধবার, ১২ জুন ২০২৪, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

হিমাচলে মধুচন্দ্রিমা! লকডাউনে আটকে পড়া বাংলার দম্পতি সাক্ষী থাকলেন দুর্বিষহ অভিজ্ঞতার

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটের সময় : ১১:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২০
  • / ২৫৯ টাইম ভিউ

দেশদিগন্ত ডেস্ক:গিয়েছিলেন মধুচন্দ্রিমায়..কিন্তু উত্পল আর সৌত্রির হানিমুন শেষপর্যন্ত কতটা মধুর হল, তা বলা কঠিন!

বেশিরভাগ বাঙালি দম্পতির পছন্দ পাহাড়।। উত্পল-সৌত্রিও হিমাচল গিয়েছিলেন। তখন এসব ‘লকডাউন-ফকডাউন’এর বালাই ছিল না। তাঁরা সেখানে মজায় দিন কাটান। এর মধ্যেই করোনার উত্পাত, অগত্যা লকডাউন। হিমাচলের রামপুরের হোটেলেই শুরু হয় বন্দিদশা

এক সপ্তাহ, দু সপ্তাহ, তিন সপ্তাহ করে কেটে যায় আড়াই মাস। বাড়ি ফিরতে পারেননি তাঁরা। বাড়ির লোকেদের সঙ্গে যোগাযোগ হয় কেবল ফোনেই।

এদিকে, সরকারি কর্মচারী উত্পলের টাকাও শেষ হতে থাকে, বাড়ি থেকে অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো শুরু হয়। কিন্তু তাও কত? হানিমুনের শুরুতে পাতে পড়ত মটন আর শেষে কেবল শুকনো বিস্কুট খেয়েই কাটাতে হয়েছে দিন।

শেষে বাঙালি দম্পতি ঠিক করেন গাড়িতেই হিমাচল থেকে বাংলায় ফিরবেন তাঁরা। গাড়িভাড়া আর হোটেলের বিল দিয়ে খরচ হয় কয়েক লক্ষ টাকা। সীমান্তে অবশ্য পুলিসের ঝামেলায় পড়তে হয়েছিল তাঁদের। কিন্তু মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফোন করতেই সব ঠিক হয়ে যায়। তাঁরা বাড়ি ফিরেছেন, তবে দুঃসহ অভিজ্ঞতার রেশ কাটিয়ে উঠতে পারেননি।

হানিমুন প্রত্যেকের কাছে স্পেশ্যাল ব্যাপার। তবে উত্পল-সৌত্রির জীবনের মধুচন্দ্রিমায় মধুটা ব্যাতি থেকে গেল।

পোস্ট শেয়ার করুন

হিমাচলে মধুচন্দ্রিমা! লকডাউনে আটকে পড়া বাংলার দম্পতি সাক্ষী থাকলেন দুর্বিষহ অভিজ্ঞতার

আপডেটের সময় : ১১:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২০

দেশদিগন্ত ডেস্ক:গিয়েছিলেন মধুচন্দ্রিমায়..কিন্তু উত্পল আর সৌত্রির হানিমুন শেষপর্যন্ত কতটা মধুর হল, তা বলা কঠিন!

বেশিরভাগ বাঙালি দম্পতির পছন্দ পাহাড়।। উত্পল-সৌত্রিও হিমাচল গিয়েছিলেন। তখন এসব ‘লকডাউন-ফকডাউন’এর বালাই ছিল না। তাঁরা সেখানে মজায় দিন কাটান। এর মধ্যেই করোনার উত্পাত, অগত্যা লকডাউন। হিমাচলের রামপুরের হোটেলেই শুরু হয় বন্দিদশা

এক সপ্তাহ, দু সপ্তাহ, তিন সপ্তাহ করে কেটে যায় আড়াই মাস। বাড়ি ফিরতে পারেননি তাঁরা। বাড়ির লোকেদের সঙ্গে যোগাযোগ হয় কেবল ফোনেই।

এদিকে, সরকারি কর্মচারী উত্পলের টাকাও শেষ হতে থাকে, বাড়ি থেকে অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো শুরু হয়। কিন্তু তাও কত? হানিমুনের শুরুতে পাতে পড়ত মটন আর শেষে কেবল শুকনো বিস্কুট খেয়েই কাটাতে হয়েছে দিন।

শেষে বাঙালি দম্পতি ঠিক করেন গাড়িতেই হিমাচল থেকে বাংলায় ফিরবেন তাঁরা। গাড়িভাড়া আর হোটেলের বিল দিয়ে খরচ হয় কয়েক লক্ষ টাকা। সীমান্তে অবশ্য পুলিসের ঝামেলায় পড়তে হয়েছিল তাঁদের। কিন্তু মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফোন করতেই সব ঠিক হয়ে যায়। তাঁরা বাড়ি ফিরেছেন, তবে দুঃসহ অভিজ্ঞতার রেশ কাটিয়ে উঠতে পারেননি।

হানিমুন প্রত্যেকের কাছে স্পেশ্যাল ব্যাপার। তবে উত্পল-সৌত্রির জীবনের মধুচন্দ্রিমায় মধুটা ব্যাতি থেকে গেল।