ঢাকা , শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ২৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
আপডেট :
প্রিয়জনদের মানসিক রোগ যদি আপনজন বুঝতে না পারেন আওয়ামীলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা ও অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা করেছে পর্তুগাল আওয়ামীলীগ যেকোনো প্রচেষ্টা এককভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব নয়: দুদক সচিব শ্রীমঙ্গলে দুটি চোরাই মোটরসাইকেল সহ মিল্টন কুমার আটক পর্তুগালের অভিবাসন আইনে ব্যাপক পরিবর্তন পর্তুগাল বিএনপি আহবায়ক কমিটির জুমে জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয় এমপি আনোয়ারুল আজিমকে হত্যার ঘটনায় আটক তিনজন , এতে বাংলাদেশী মানুষ জড়িত:স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকাস্থ ইরান দুতাবাসে রাইসির শোক বইয়ে মির্জা ফখরুলের স্বাক্ষর মুটো ফোনের আসক্তি দূর করবেন যেভাবে…

স্যার, আমি ওসি টেকনাফ.একটা মহাবিপদে পড়েছি, অবসরপ্রাপ্ত,ডরের কি আছে

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটের সময় : ০২:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২০
  • / ৪২২ টাইম ভিউ

অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ নিহত হওয়ার পরপরই নিজেকে রক্ষায় প্রস্তুতি নিতে শুরু করেন ওসি প্রদীপ কুমার দাশ। একাধিক বেসরকারি টিভি চ্যানেলে প্রচারিত একটি ফোনালাপে শোনা যায়, তিনি কোন ব্যক্তির পরামর্শ নিচ্ছেন। সম্ভবত কোনো একজন আইনজীবীর সঙ্গে এ ব্যাপারে শলা-পরামর্শ করেন প্রদীপ।
ফোনালাপের শুরুতেই প্রদীপ নিজের পরিচয় দেন। স্যার, আমি ওসি টেকনাফ প্রদীপ। শুভেচ্ছা বিনিময়ের পর ওসি বলেন, স্যার একটা মহাবিপদে পড়েছি, একটু আপনার সাহায্য লাগতো। স্যার আমরা একটা ১৫৩, ১৮৬ ও ৩০৭ এর  মামলা নিয়েছি। পরামর্শদাতা বলেন, ৩৫৩ সরকারি কর্মচারী অ্যাসল্টের, আর…। প্রদীপ বলেন, ১৮৬, পুলিশের কাজে বাধা স্যার। 

পরামর্শদাতা বলেন,  অবসরপ্রাপ্ত, তাহলে আর এতো ডরের কি আছে। ৩০৪-এ আরেকটি মামলা দায়েরের পরামর্শ দেন পরামর্শদাতা। অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামী করার পরামর্শ দেন তিনি।
গত ৩১শে জুলাই রাতে টেকনাফের  শামলাপুরে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ। এ ঘটনায় তার বোনের দায়ের করা মামলায় এরইমধ্যে কারাগারে রয়েছেন প্রদীপ কুমার দাশসহ সাত আসামি। ওদিকে, কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ, টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ পরিদর্শক লিয়াকত আলীর দু’টি ফোনালাপও বিভিন্ন চ্যানেলে প্রচারিত হয়েছে। একটি ফোনালাপে প্রদীপ কুমার স্বীকার করেন তিনি গুলি করার নির্দেশ দিয়েছিলেন।

পোস্ট শেয়ার করুন

স্যার, আমি ওসি টেকনাফ.একটা মহাবিপদে পড়েছি, অবসরপ্রাপ্ত,ডরের কি আছে

আপডেটের সময় : ০২:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২০

অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ নিহত হওয়ার পরপরই নিজেকে রক্ষায় প্রস্তুতি নিতে শুরু করেন ওসি প্রদীপ কুমার দাশ। একাধিক বেসরকারি টিভি চ্যানেলে প্রচারিত একটি ফোনালাপে শোনা যায়, তিনি কোন ব্যক্তির পরামর্শ নিচ্ছেন। সম্ভবত কোনো একজন আইনজীবীর সঙ্গে এ ব্যাপারে শলা-পরামর্শ করেন প্রদীপ।
ফোনালাপের শুরুতেই প্রদীপ নিজের পরিচয় দেন। স্যার, আমি ওসি টেকনাফ প্রদীপ। শুভেচ্ছা বিনিময়ের পর ওসি বলেন, স্যার একটা মহাবিপদে পড়েছি, একটু আপনার সাহায্য লাগতো। স্যার আমরা একটা ১৫৩, ১৮৬ ও ৩০৭ এর  মামলা নিয়েছি। পরামর্শদাতা বলেন, ৩৫৩ সরকারি কর্মচারী অ্যাসল্টের, আর…। প্রদীপ বলেন, ১৮৬, পুলিশের কাজে বাধা স্যার। 

পরামর্শদাতা বলেন,  অবসরপ্রাপ্ত, তাহলে আর এতো ডরের কি আছে। ৩০৪-এ আরেকটি মামলা দায়েরের পরামর্শ দেন পরামর্শদাতা। অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামী করার পরামর্শ দেন তিনি।
গত ৩১শে জুলাই রাতে টেকনাফের  শামলাপুরে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ। এ ঘটনায় তার বোনের দায়ের করা মামলায় এরইমধ্যে কারাগারে রয়েছেন প্রদীপ কুমার দাশসহ সাত আসামি। ওদিকে, কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ, টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ পরিদর্শক লিয়াকত আলীর দু’টি ফোনালাপও বিভিন্ন চ্যানেলে প্রচারিত হয়েছে। একটি ফোনালাপে প্রদীপ কুমার স্বীকার করেন তিনি গুলি করার নির্দেশ দিয়েছিলেন।