ঢাকা , সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪, ২ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
আপডেট :
উচ্ছ্বাস আর আনন্দে বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখের উদযাপন করেছে পর্তুগাল যথাযথ গাম্ভীর্যের মধ্যে দিয়ে পরিবেশে মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর পালন করেছে ভেনিস প্রবাসীরা ভেনিসে বৃহত্তর সিলেট সমিতির আয়োজনে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত এক অসুস্থ প্রজন্ম কে সাথি করে এগুচ্ছি আমরা রিডানডেন্ট ক্লোথিং আর মজুর মামার ‘বিশ্বকাপ’ ইউরোপের সবচেয়ে বড় ঈদুল ফিতরের নামাজ পর্তুগালে অনুষ্ঠিত হয় বর্ণাঢ্য আয়োজনে পর্তুগাল বাংলা প্রেসক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন ঈদের কাপড় কিনার জন্য মা’য়ের উপর অভিমান করে মেয়ের আত্মহত্যা লিসবনে বন্ধু মহলের আয়োজনে বিশাল ইফতার ও দোয়া মাহফিল মান অভিমান ভুলে সবাই একই প্লাটফর্মে,সংবাদ সম্মেলনে পর্তুগাল বিএনপির নবগঠিত আহবায়ক কমিটি

স্বামীকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় স্ত্রী আটক

ছয়ফুল আলম সাইফুল, মৌলভীবাজার প্রতিনিধিঃ
  • আপডেটের সময় : ০৭:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ জানুয়ারী ২০১৯
  • / ৮৮২ টাইম ভিউ

ছয়ফুল আলম সাইফুল, মৌলভীবাজার প্রতিনিধিঃ  মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার কর্মধা ইউনিয়নে স্বামীকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় স্ত্রী রেজন বেগম (৩৮)-কে আটক করেছে পুলিশ। ৩০ জানুয়ারী বুধবার সকালে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন কুলাউড়া থানা অফিসার ইনচার্জ মো. শামীম মুসা
২৯ জানয়ারী মঙ্গলবার রাতে কুলাউড়া থানার এসআই সানাউল্লাহ এর নেতৃত্বে উপজেলার কর্মধা ইউনিয়নের টাট্টিউলি গ্রামের মুকিত মিয়ার বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়।
গত ২৭ জানুয়ারী রবিবার রাত ১০টার দিকে স্বামী আবু মুসলিম (৪০)- কে একই ইউনিয়নের টাট্টিউলি গ্রামে তাঁর নিজ বাড়িতে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে ৪ সন্তানের জননী স্ত্রী রেজন বেগম প্রকাশ রিমা বেগম। পরে রাত ১১ টার দিকে কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মুসলিম উদ্দিনের মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় ২৮ জানুয়ারী নিহত মুসলিমের ভাই মো. মবশ্বির আলী বাদী হয়ে রেজন বেগমকে বিবাদী করে থানায় মামলা (নং-৪২) দায়ের করেন। ঘটনার পর থেকে রেজন বেগম পলাতক ছিলেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, কয়েক বছর আগে আবু মুসলিমের সাথে রেজন বেগমের বিয়ে হয়। তাদের ঘরে সাদিয়া বেগম, নাদিয়া বেগম, নাহিদ, সাহিদ নামে চারটি সন্তান রয়েছে।

এদিকে নিহত আবু মুসলিমের ভগ্নীপতি মন্তাজ আলী জানান, রোববার রাতে তিনি পার্শ্ববর্তী পৃথিমপাশা ইউনিয়নের রবিরবাজারে ছিলেন। রাত পৌনে দশটার দিকে নিহত মুসলিমের মেয়ে সাদিয়া তাঁর (মন্তাজ) মোবাইলে ফোন দিয়ে আহাজারি করে বলে তার পিতাকে কুপিয়ে মেরে ফেলা হচ্ছে। ফোন পেয়ে তিনি দ্রæত সেখানে গিয়ে দেখেন ঘরের ভিতর বিছানায় মুসলিমকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। মুসলিম তাঁর পরিবার নিয়ে আলাদা থাকতেন। তাঁর বাড়ির আশেপাশে কোন বাড়ি না থাকায় তাকে কোপানোর সময় সন্তানরা চিৎকার করলেও কেউ শোনেননি। পরে মুসলিমের ভাইয়েরা খবর পেয়ে সবাই তাকে উদ্ধার করে কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

আটকের সত্যতা নিশ্চিত করে কুলাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শামীম মুসা বলেন, ঘটনার পর থেকে রেজন বেগম আত্মগোপনে ছিলো। পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানের মাধ্যমে তাকে আটক করা সম্ভব হয়েছে।

পোস্ট শেয়ার করুন

স্বামীকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় স্ত্রী আটক

আপডেটের সময় : ০৭:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ জানুয়ারী ২০১৯

ছয়ফুল আলম সাইফুল, মৌলভীবাজার প্রতিনিধিঃ  মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার কর্মধা ইউনিয়নে স্বামীকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় স্ত্রী রেজন বেগম (৩৮)-কে আটক করেছে পুলিশ। ৩০ জানুয়ারী বুধবার সকালে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন কুলাউড়া থানা অফিসার ইনচার্জ মো. শামীম মুসা
২৯ জানয়ারী মঙ্গলবার রাতে কুলাউড়া থানার এসআই সানাউল্লাহ এর নেতৃত্বে উপজেলার কর্মধা ইউনিয়নের টাট্টিউলি গ্রামের মুকিত মিয়ার বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়।
গত ২৭ জানুয়ারী রবিবার রাত ১০টার দিকে স্বামী আবু মুসলিম (৪০)- কে একই ইউনিয়নের টাট্টিউলি গ্রামে তাঁর নিজ বাড়িতে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে ৪ সন্তানের জননী স্ত্রী রেজন বেগম প্রকাশ রিমা বেগম। পরে রাত ১১ টার দিকে কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মুসলিম উদ্দিনের মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় ২৮ জানুয়ারী নিহত মুসলিমের ভাই মো. মবশ্বির আলী বাদী হয়ে রেজন বেগমকে বিবাদী করে থানায় মামলা (নং-৪২) দায়ের করেন। ঘটনার পর থেকে রেজন বেগম পলাতক ছিলেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, কয়েক বছর আগে আবু মুসলিমের সাথে রেজন বেগমের বিয়ে হয়। তাদের ঘরে সাদিয়া বেগম, নাদিয়া বেগম, নাহিদ, সাহিদ নামে চারটি সন্তান রয়েছে।

এদিকে নিহত আবু মুসলিমের ভগ্নীপতি মন্তাজ আলী জানান, রোববার রাতে তিনি পার্শ্ববর্তী পৃথিমপাশা ইউনিয়নের রবিরবাজারে ছিলেন। রাত পৌনে দশটার দিকে নিহত মুসলিমের মেয়ে সাদিয়া তাঁর (মন্তাজ) মোবাইলে ফোন দিয়ে আহাজারি করে বলে তার পিতাকে কুপিয়ে মেরে ফেলা হচ্ছে। ফোন পেয়ে তিনি দ্রæত সেখানে গিয়ে দেখেন ঘরের ভিতর বিছানায় মুসলিমকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। মুসলিম তাঁর পরিবার নিয়ে আলাদা থাকতেন। তাঁর বাড়ির আশেপাশে কোন বাড়ি না থাকায় তাকে কোপানোর সময় সন্তানরা চিৎকার করলেও কেউ শোনেননি। পরে মুসলিমের ভাইয়েরা খবর পেয়ে সবাই তাকে উদ্ধার করে কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

আটকের সত্যতা নিশ্চিত করে কুলাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শামীম মুসা বলেন, ঘটনার পর থেকে রেজন বেগম আত্মগোপনে ছিলো। পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানের মাধ্যমে তাকে আটক করা সম্ভব হয়েছে।