ঢাকা , শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ৭ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
আপডেট :
লিসবনে আত্মপ্রকাশ হয় সামাজিক সংগঠন “গোলাপগঞ্জ কমিউনিটি কেয়ারর্স পর্তুগাল “ উচ্ছ্বাস আর আনন্দে বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখের উদযাপন করেছে পর্তুগাল যথাযথ গাম্ভীর্যের মধ্যে দিয়ে পরিবেশে মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর পালন করেছে ভেনিস প্রবাসীরা ভেনিসে বৃহত্তর সিলেট সমিতির আয়োজনে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত এক অসুস্থ প্রজন্ম কে সাথি করে এগুচ্ছি আমরা রিডানডেন্ট ক্লোথিং আর মজুর মামার ‘বিশ্বকাপ’ ইউরোপের সবচেয়ে বড় ঈদুল ফিতরের নামাজ পর্তুগালে অনুষ্ঠিত হয় বর্ণাঢ্য আয়োজনে পর্তুগাল বাংলা প্রেসক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন ঈদের কাপড় কিনার জন্য মা’য়ের উপর অভিমান করে মেয়ের আত্মহত্যা লিসবনে বন্ধু মহলের আয়োজনে বিশাল ইফতার ও দোয়া মাহফিল

স্কুল শিক্ষিকা কে নির্যাতনের অভিযোগে ব্যাংক কর্মকর্তা স্বামী গ্রেফতার

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটের সময় : ০৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মার্চ ২০২৪
  • / ১৩২ টাইম ভিউ

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলায় স্কুল শিক্ষিকা স্ত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগে ২৪ মার্চ রোববার মাদকাসক্ত স্বামী অগ্রণী ব্যাংক কর্মকর্তা সুজিত কুমার দে (৫৫) কে গ্রেফতার করে জেলহাজতে প্রেরণ করেছে পুলিশ। এঘটনায় ওই ব্যাংক কর্মকর্তার স্ত্রী চুনঘর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা সঞ্চিতা রানী দেব কুলাউড়া থানায় নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা নং (১৯) দায়ের করেন।
থানায় দায়েরকৃত মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০০৫ সালে উপজেলার কাদিপুর ইউনিয়নের চুনঘরের বাসিন্দা সুনিল চন্দ্র দে’র পুত্র অগ্রণী ব্যাংক কুলাউড়ার কর্মকর্তা সুজিত কুমার দে’র সাথে পৌরশহরের বাসিন্দা স্কুল শিক্ষিকা সঞ্চিতা রানী দেবের বিয়ে হয়। তাদের ২ কন্যা সন্তানও রয়েছে। সুজিত কুমার দে একজন মাদকাসক্ত ব্যক্তি বলেও জানা গেছে।
লিখিত অভিযোগে স্কুল শিক্ষিকা সঞ্চিতা রানী দেব উল্লেখ করেন, ৭-৮ বছর আগে থেকে বেতন ভাতার সম্পুর্ণ টাকা তুলে দেয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন। না দিলে শারীরিক নির্যাতন চালাতেন। ২০২০ সালের ৯ মার্চ ব্যাংকে জামানো এফডিআর থেকে ৫ লাখ টাকা তুলে দেয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করে। সেই টাকা না দেয়ায় লাঠিপেটা করে রক্তাক্ত জখম করে। সেসময় কুলাউড়া হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। মাস শেষ হওয়ার আগে বেতনের চেক দিয়ে দিতে হয়। এরপর একাধিকবার নির্যাতন চালায় সুজিত কুমার দে। অত্যাচার নির্যাতন সইতে না পেরে তিনি ২ সন্তানসহ বাবার বাসায় চলে আসেন। সেসময় ৩ জন আইনজীবির সমন্বয়ে স্থানী গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের মধ্যস্থায় পৃথকভাবে বসবাসের সিদ্ধান্ত হয়। এবং ২ সন্তানের লেখাপড়ার খরচসহ ব্যাংক ঋণ পরিশোধ করার অঙ্গিকারাবদ্ধ হয়। ২ সন্তানের কথা বিবেচনা করে তিনি ফিরে যান বাড়িতে। সম্প্রতি সুজিত কুমার দে তার বড় ভাইয়ের প্ররোচনায় ব্যাংক ঋণ পরিশোধের কথা বলে ১০ লক্ষ টাকা দাবি করে। সেই টাকার জন্য গত ১৯ ফেব্রুয়ারি বটিদা দিয়ে হামলা চালায়। হামলায় সঞ্চিতা রানী দে’র হাতে রক্তাক্ত জখম ছাড়া শারিরীকভাবে গুরুতর আহতবস্থায় ৯৯৯ কল দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধার করে। প্রথমে তাকে কুলাউড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাতের জখম গুরুতর হওয়ায় তাকে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। চিকিৎসা গ্রহণ শেষে ২৩ মার্চ শনিবার কুলাউড়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এদিকে অভিযোগের প্রেক্ষিতে কুলাউড়া থানার এসআই দেবাশীষ শহর থেকে সুজিত কুমার দে’কে আটক করেন।
কুলাউড়া থানার এসআই দেবাশীষ আটকের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, রোববার তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

পোস্ট শেয়ার করুন

স্কুল শিক্ষিকা কে নির্যাতনের অভিযোগে ব্যাংক কর্মকর্তা স্বামী গ্রেফতার

আপডেটের সময় : ০৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মার্চ ২০২৪

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলায় স্কুল শিক্ষিকা স্ত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগে ২৪ মার্চ রোববার মাদকাসক্ত স্বামী অগ্রণী ব্যাংক কর্মকর্তা সুজিত কুমার দে (৫৫) কে গ্রেফতার করে জেলহাজতে প্রেরণ করেছে পুলিশ। এঘটনায় ওই ব্যাংক কর্মকর্তার স্ত্রী চুনঘর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা সঞ্চিতা রানী দেব কুলাউড়া থানায় নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা নং (১৯) দায়ের করেন।
থানায় দায়েরকৃত মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০০৫ সালে উপজেলার কাদিপুর ইউনিয়নের চুনঘরের বাসিন্দা সুনিল চন্দ্র দে’র পুত্র অগ্রণী ব্যাংক কুলাউড়ার কর্মকর্তা সুজিত কুমার দে’র সাথে পৌরশহরের বাসিন্দা স্কুল শিক্ষিকা সঞ্চিতা রানী দেবের বিয়ে হয়। তাদের ২ কন্যা সন্তানও রয়েছে। সুজিত কুমার দে একজন মাদকাসক্ত ব্যক্তি বলেও জানা গেছে।
লিখিত অভিযোগে স্কুল শিক্ষিকা সঞ্চিতা রানী দেব উল্লেখ করেন, ৭-৮ বছর আগে থেকে বেতন ভাতার সম্পুর্ণ টাকা তুলে দেয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন। না দিলে শারীরিক নির্যাতন চালাতেন। ২০২০ সালের ৯ মার্চ ব্যাংকে জামানো এফডিআর থেকে ৫ লাখ টাকা তুলে দেয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করে। সেই টাকা না দেয়ায় লাঠিপেটা করে রক্তাক্ত জখম করে। সেসময় কুলাউড়া হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। মাস শেষ হওয়ার আগে বেতনের চেক দিয়ে দিতে হয়। এরপর একাধিকবার নির্যাতন চালায় সুজিত কুমার দে। অত্যাচার নির্যাতন সইতে না পেরে তিনি ২ সন্তানসহ বাবার বাসায় চলে আসেন। সেসময় ৩ জন আইনজীবির সমন্বয়ে স্থানী গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের মধ্যস্থায় পৃথকভাবে বসবাসের সিদ্ধান্ত হয়। এবং ২ সন্তানের লেখাপড়ার খরচসহ ব্যাংক ঋণ পরিশোধ করার অঙ্গিকারাবদ্ধ হয়। ২ সন্তানের কথা বিবেচনা করে তিনি ফিরে যান বাড়িতে। সম্প্রতি সুজিত কুমার দে তার বড় ভাইয়ের প্ররোচনায় ব্যাংক ঋণ পরিশোধের কথা বলে ১০ লক্ষ টাকা দাবি করে। সেই টাকার জন্য গত ১৯ ফেব্রুয়ারি বটিদা দিয়ে হামলা চালায়। হামলায় সঞ্চিতা রানী দে’র হাতে রক্তাক্ত জখম ছাড়া শারিরীকভাবে গুরুতর আহতবস্থায় ৯৯৯ কল দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধার করে। প্রথমে তাকে কুলাউড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাতের জখম গুরুতর হওয়ায় তাকে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। চিকিৎসা গ্রহণ শেষে ২৩ মার্চ শনিবার কুলাউড়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এদিকে অভিযোগের প্রেক্ষিতে কুলাউড়া থানার এসআই দেবাশীষ শহর থেকে সুজিত কুমার দে’কে আটক করেন।
কুলাউড়া থানার এসআই দেবাশীষ আটকের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, রোববার তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।