ঢাকা , শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ৬ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সিলেট জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এম এ হকের মৃত্যতে কুয়েত বিএনপির ভার্চ্যুয়াল দোয়া মাহফিল

কুয়েত প্রতিনিধি
  • আপডেটের সময় : ০৫:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২০
  • / ৬০২ টাইম ভিউ

বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা, বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এবং সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি এম এ হকের রুহের মাগফেরাত কামনা করে কুয়েত বিএনপির উদ্যোগে ভার্চ্যুয়াল দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (১০জুলাই) রাতে ভার্চ্যুয়াল যোগাযোগ মাধ্যমে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থ্যতা ও দীর্ঘায়ু কামনা, তারেক রহমানের দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়। পাশাপাশি করোনায় আক্রান্ত বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ড. এনামুল হক চৌধুরী ও তার পরিবার, সহ দেশ বিদেশের করোনায় আক্রান্তদের সুস্থ্যতা কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

উক্ত দোয়া ও মাহফিলে প্রধান অতিথী ছিলেন,বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মধ্যপ্রাচ্য সাংগঠনিক সমন্বয়ক সৌদিআরব বিএনপির সভাপতি আহমদ আলী মুকিব ,কুয়েত বিএনপির আহবায়ক মাষ্টার নুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও আহবায়ক কমিটির সিনিয়র সদস্য মাঈন উদ্দিনের প্রানবন্ত উপস্হাপনায় বিশেষ অতিথী ছিলেন যথাক্রমে ক্যালিফোর্নিয়া বিএনপির সভাপতি বদরুল আলম চৌধুরী, কুয়েত বিএনপির সদস্য সচিব আলহাজ্জ শওকত আলী, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক সহ সভাপতি ও সিলেট জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য মাহবুবুল হক চৌধুরী(ভিপি মাহবুব ) সৌদিআরব বিএনপির সহসভাপতি কেফায়েত উল্লাহ কিসমত,আব্দুল মান্নান এরশাদ মিয়া,লন্ডন যুবদলের সভাপতি রহিম উদ্দিন,মাহবুব আলী খান স্মৃথি সংসদের সভাপতি আহমদ সাদিক,কুয়েত বিএনপি’র আহ্বায়ক কমিটির সদস্য .জালাল উদ্দিন চুন্নু মোল্লা,শোয়েব আহমেদ ,আকতারুজজামান শামস,আজিজ উদ্দীন মিন্টু, আব্দুল কাদের মোল্লা,
সৈয়দ নওশাদ,একরাম আলী বাবুল ,আশফাক আহমেদ,নওশাদ আহমেদ, হাবিবুল বাশার আল আমীন,শেখ নিজামুর রহমান টিপু ,কোরবান আলী, শেখ মোস্তাক,মিজানুর রহমান চৌঃ রুমন, আনোয়ার হোসেন, মারুফ হোসেন,সাইরুল আমীন, শের আলী, শাহী ইমরান শিকদার, ফয়সাল আহমেদ আব্দুল হালিম, রুকন মিয়াজী সহ দেশ ও প্রবাসে অবস্থানরত বিএনপির নেতৃবৃন্দ।
পবিত্র কোরআন থেকে তেলওয়াত করেন, আজিজুল ইসলাম সিরাজী ও মোঃ ফেরদৌস।

বক্তারা বলেন :- বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সাথে দলটির প্রাথমিক অবস্থায় সম্পৃক্ত হন জনাব এম এ হক । তিনি সিলেট বিএনপির সর্বশেষ সভাপতি নির্বাচিত ১৯৯৩ সাল থেকে বারো বছরের বেশি সময় ধরে দায়িত্ব পালন করেছেন।
১৯৯৬ সালে কেন্দ্রীয় জাতীয় নির্বাহীসকমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন । সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচনের প্রার্থী ছিলেন ।
১৯৮৫ থেকে ৯১ সালের আগ পর্যন্ত সিলেটে ছাত্রদল ও যুবদলে তেমন জোয়ার ছিলো না, জনাব হক পরিশ্রম করে সম্প্রতির রাজনীতি সৃস্টি করেছিলেন , তখনকার সময়েও প্রতিনিয়ত ছাত্রদল ও যুবদলের কর্মিদের সাথে যোগাযোগ রাখতেন, তাদের সমস্যার কথা শুনতেন, সংক্ষেপে বলতে গেলে উনি ছিলেন কর্মিবান্ধব নেতা ।

জনাব এম এ হক শুধু একজন নেতাই ছিলেন তা নয়, উনি একজন দাতব্য সেবক ছিলেন ।
রাজনৈতিক কর্মজীবনের পাশাপাশি এম এ হক তার দাতব্য কাজের জন্য ছিলেন সুপরিচিত।
তিনি হক ফাউন্ডেশন “একটি দাতব্য সংস্থা “যা সিলেটের অসহায় অভাবগ্রস্থ সম্প্রদায়কে সহায়তা করে থাকে, এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক উনি । হক ফাউন্ডেশন স্থানীয় সামাজিক সংগঠন সহ সর্বদলীয় নেতাদের নিয়ে সিলেটের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রতি সপ্তাহে বিশেষ চিকিত্সা সরবরাহকারী কমিউনিটি ক্লিনিক পরিচালনা করেছিলেন ।
ফ্রি চক্ষু শিবির করে ছানিজনিত অন্ধত্ব নির্মূল করার জন্য ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে দৃষ্টি পুনরুদ্ধার কার্যক্রমও প্রদান করা হয়ে থাকতো ।

পোস্ট শেয়ার করুন

সিলেট জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এম এ হকের মৃত্যতে কুয়েত বিএনপির ভার্চ্যুয়াল দোয়া মাহফিল

আপডেটের সময় : ০৫:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২০

বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা, বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এবং সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি এম এ হকের রুহের মাগফেরাত কামনা করে কুয়েত বিএনপির উদ্যোগে ভার্চ্যুয়াল দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (১০জুলাই) রাতে ভার্চ্যুয়াল যোগাযোগ মাধ্যমে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থ্যতা ও দীর্ঘায়ু কামনা, তারেক রহমানের দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়। পাশাপাশি করোনায় আক্রান্ত বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ড. এনামুল হক চৌধুরী ও তার পরিবার, সহ দেশ বিদেশের করোনায় আক্রান্তদের সুস্থ্যতা কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

উক্ত দোয়া ও মাহফিলে প্রধান অতিথী ছিলেন,বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মধ্যপ্রাচ্য সাংগঠনিক সমন্বয়ক সৌদিআরব বিএনপির সভাপতি আহমদ আলী মুকিব ,কুয়েত বিএনপির আহবায়ক মাষ্টার নুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও আহবায়ক কমিটির সিনিয়র সদস্য মাঈন উদ্দিনের প্রানবন্ত উপস্হাপনায় বিশেষ অতিথী ছিলেন যথাক্রমে ক্যালিফোর্নিয়া বিএনপির সভাপতি বদরুল আলম চৌধুরী, কুয়েত বিএনপির সদস্য সচিব আলহাজ্জ শওকত আলী, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক সহ সভাপতি ও সিলেট জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য মাহবুবুল হক চৌধুরী(ভিপি মাহবুব ) সৌদিআরব বিএনপির সহসভাপতি কেফায়েত উল্লাহ কিসমত,আব্দুল মান্নান এরশাদ মিয়া,লন্ডন যুবদলের সভাপতি রহিম উদ্দিন,মাহবুব আলী খান স্মৃথি সংসদের সভাপতি আহমদ সাদিক,কুয়েত বিএনপি’র আহ্বায়ক কমিটির সদস্য .জালাল উদ্দিন চুন্নু মোল্লা,শোয়েব আহমেদ ,আকতারুজজামান শামস,আজিজ উদ্দীন মিন্টু, আব্দুল কাদের মোল্লা,
সৈয়দ নওশাদ,একরাম আলী বাবুল ,আশফাক আহমেদ,নওশাদ আহমেদ, হাবিবুল বাশার আল আমীন,শেখ নিজামুর রহমান টিপু ,কোরবান আলী, শেখ মোস্তাক,মিজানুর রহমান চৌঃ রুমন, আনোয়ার হোসেন, মারুফ হোসেন,সাইরুল আমীন, শের আলী, শাহী ইমরান শিকদার, ফয়সাল আহমেদ আব্দুল হালিম, রুকন মিয়াজী সহ দেশ ও প্রবাসে অবস্থানরত বিএনপির নেতৃবৃন্দ।
পবিত্র কোরআন থেকে তেলওয়াত করেন, আজিজুল ইসলাম সিরাজী ও মোঃ ফেরদৌস।

বক্তারা বলেন :- বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সাথে দলটির প্রাথমিক অবস্থায় সম্পৃক্ত হন জনাব এম এ হক । তিনি সিলেট বিএনপির সর্বশেষ সভাপতি নির্বাচিত ১৯৯৩ সাল থেকে বারো বছরের বেশি সময় ধরে দায়িত্ব পালন করেছেন।
১৯৯৬ সালে কেন্দ্রীয় জাতীয় নির্বাহীসকমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন । সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচনের প্রার্থী ছিলেন ।
১৯৮৫ থেকে ৯১ সালের আগ পর্যন্ত সিলেটে ছাত্রদল ও যুবদলে তেমন জোয়ার ছিলো না, জনাব হক পরিশ্রম করে সম্প্রতির রাজনীতি সৃস্টি করেছিলেন , তখনকার সময়েও প্রতিনিয়ত ছাত্রদল ও যুবদলের কর্মিদের সাথে যোগাযোগ রাখতেন, তাদের সমস্যার কথা শুনতেন, সংক্ষেপে বলতে গেলে উনি ছিলেন কর্মিবান্ধব নেতা ।

জনাব এম এ হক শুধু একজন নেতাই ছিলেন তা নয়, উনি একজন দাতব্য সেবক ছিলেন ।
রাজনৈতিক কর্মজীবনের পাশাপাশি এম এ হক তার দাতব্য কাজের জন্য ছিলেন সুপরিচিত।
তিনি হক ফাউন্ডেশন “একটি দাতব্য সংস্থা “যা সিলেটের অসহায় অভাবগ্রস্থ সম্প্রদায়কে সহায়তা করে থাকে, এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক উনি । হক ফাউন্ডেশন স্থানীয় সামাজিক সংগঠন সহ সর্বদলীয় নেতাদের নিয়ে সিলেটের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রতি সপ্তাহে বিশেষ চিকিত্সা সরবরাহকারী কমিউনিটি ক্লিনিক পরিচালনা করেছিলেন ।
ফ্রি চক্ষু শিবির করে ছানিজনিত অন্ধত্ব নির্মূল করার জন্য ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে দৃষ্টি পুনরুদ্ধার কার্যক্রমও প্রদান করা হয়ে থাকতো ।