ঢাকা , বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ৪ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
আপডেট :
উচ্ছ্বাস আর আনন্দে বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখের উদযাপন করেছে পর্তুগাল যথাযথ গাম্ভীর্যের মধ্যে দিয়ে পরিবেশে মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর পালন করেছে ভেনিস প্রবাসীরা ভেনিসে বৃহত্তর সিলেট সমিতির আয়োজনে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত এক অসুস্থ প্রজন্ম কে সাথি করে এগুচ্ছি আমরা রিডানডেন্ট ক্লোথিং আর মজুর মামার ‘বিশ্বকাপ’ ইউরোপের সবচেয়ে বড় ঈদুল ফিতরের নামাজ পর্তুগালে অনুষ্ঠিত হয় বর্ণাঢ্য আয়োজনে পর্তুগাল বাংলা প্রেসক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন ঈদের কাপড় কিনার জন্য মা’য়ের উপর অভিমান করে মেয়ের আত্মহত্যা লিসবনে বন্ধু মহলের আয়োজনে বিশাল ইফতার ও দোয়া মাহফিল মান অভিমান ভুলে সবাই একই প্লাটফর্মে,সংবাদ সম্মেলনে পর্তুগাল বিএনপির নবগঠিত আহবায়ক কমিটি

সন্ত্রাস মোকাবিলায় সেনাবাহিনীকে ব্যবহার করতে চায় অস্ট্রেলিয়া

অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : ০১:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ জুলাই ২০১৭
  • / ১২৫৪ টাইম ভিউ

দেশের ভিতরে সন্ত্রাসী হুমকি মোকাবিলায় সেনাবাহিনীকে ব্যবহার করতে চাইছে অস্ট্রেলিয়া। এ জন্য তাদেরকে নতুন করে ক্ষমতা দেয়া হবে। সন্ত্রাস বিরোধী এক রিভিউতে জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক আইনে এ পরিবর্তনের কথা প্রস্তাব করেছে সরকার। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি। এতে বলা হয়েছে, হুমকি মোকাবিলা করতে গিয়ে পুলিশের যখনই প্রয়োজন হবে তখনই তারা অস্ট্রেলিয়ান ডিফেন্স ফোর্সকে (এডিএফ) ডাকতে পারবে। ২০১৪ সালে সিডনিতে একটি জিম্মি দশায় পুলিশ যে গতিতে অভিযান পরিচালনা করেছে তা নিয়ে অনেকটা সমালোচনা হয়েছে। এখন যে আইন আছে তার অধীনে পুলিশ তখনই সেনাবাহিনীকে ডাকতে পারবে যখন তারা অক্ষমতা প্রকাশ করবে অথবা অক্ষমতার সীমায় পৌঁছে যাবে। নতুন আইনের অধীনে পুলিশ বাহিনীকে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ দিতে পারবে সেনাবাহিনী। এক সংবাদ সম্মেলনে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী ম্যালকম টার্নবুল বলেছেন,  সন্ত্রাস নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে। তাই তিনি পুলিশ বাহিনী এবং এডিএফের মধ্যে সহযোগিতামুলক সম্পর্ক গড়ে তুলতে চান।

পোস্ট শেয়ার করুন

সন্ত্রাস মোকাবিলায় সেনাবাহিনীকে ব্যবহার করতে চায় অস্ট্রেলিয়া

আপডেটের সময় : ০১:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ জুলাই ২০১৭

দেশের ভিতরে সন্ত্রাসী হুমকি মোকাবিলায় সেনাবাহিনীকে ব্যবহার করতে চাইছে অস্ট্রেলিয়া। এ জন্য তাদেরকে নতুন করে ক্ষমতা দেয়া হবে। সন্ত্রাস বিরোধী এক রিভিউতে জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক আইনে এ পরিবর্তনের কথা প্রস্তাব করেছে সরকার। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি। এতে বলা হয়েছে, হুমকি মোকাবিলা করতে গিয়ে পুলিশের যখনই প্রয়োজন হবে তখনই তারা অস্ট্রেলিয়ান ডিফেন্স ফোর্সকে (এডিএফ) ডাকতে পারবে। ২০১৪ সালে সিডনিতে একটি জিম্মি দশায় পুলিশ যে গতিতে অভিযান পরিচালনা করেছে তা নিয়ে অনেকটা সমালোচনা হয়েছে। এখন যে আইন আছে তার অধীনে পুলিশ তখনই সেনাবাহিনীকে ডাকতে পারবে যখন তারা অক্ষমতা প্রকাশ করবে অথবা অক্ষমতার সীমায় পৌঁছে যাবে। নতুন আইনের অধীনে পুলিশ বাহিনীকে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ দিতে পারবে সেনাবাহিনী। এক সংবাদ সম্মেলনে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী ম্যালকম টার্নবুল বলেছেন,  সন্ত্রাস নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে। তাই তিনি পুলিশ বাহিনী এবং এডিএফের মধ্যে সহযোগিতামুলক সম্পর্ক গড়ে তুলতে চান।