ঢাকা , রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪, ৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সড়কের আংশিক কাজ করেই অর্থ আত্মসাত করলেন ইউপি সদস্য!

কুলাউড়া (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি :
  • আপডেটের সময় : ০৮:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর ২০১৯
  • / ৭৫৯ টাইম ভিউ

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার রাউৎগাঁও ইউনিয়নে ইউজিপি প্রকল্পের মাধ্যমে সড়কের মাটি ভারাটের আংশিক কাজ করেই বরাদ্ধের টাকা ইউপি সদস্য আত্ম সাত করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে । এই প্রকল্পে আংশিক কাজ করে পুরো বিল উত্তোলন করে আত্মসাত করেছেন মো. আনু মিয়া নামে এক ইউপি সদস্য। এ নিয়ে স্থানীয় এলাকাবাসী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে একটি লিখিত আবেদন করেন। যার অনুলিপি জেলা প্রশাসক ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরে উপজেলার রাউৎগাঁও ইউনিয়নে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচী (ইজিপিপি) ১ম পর্যায়ের ৪০ দিনের আওতায় “পালগ্রাম কনা মিয়ার বাড়ির পাশ হতে পালগ্রাম পাকা রাস্তা পর্যন্ত রাস্তা পুন:নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নে ২ লাখ ২৪ হাজার টাকা বরাদ্দ করা হয়। কাজের প্রকল্প সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পান স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. আনু মিয়া। গত বছরের ১ ডিসেম্বর কাজ শুরু হয়। এলাকাবাসীর অভিযোগ, রাস্তার পাশে একটি সাইনবোর্ড তৈরি করে প্রায় ২৫ হাজার টাকার লোক দেখানো কাজ করে বন্ধ করে দেন প্রকল্প সভাপতি। চলতি বছরের জানুয়ারী মাসে কাজ শেষ হবার কথা থাকলেও প্রকল্প সভাপতি ইউপি সদস্য মো. আনু মিয়া পুরো কাজ না করে বিলের টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এলাকাবাসী কাজ করার জন্য অনেকবার তাগদা দিলেও তিনি তাদের কথায় কোন কর্ণপাত করেননি।
সরেজমিন দেখা যায়, রাস্তার প্রায় জায়গায় গর্ত রয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক এলাকাবাসী জানান, ইউপি সদস্য আনু মিয়া রাস্তার পাশের জমি থেকে যথসামান্য মাটি রাস্তার ওপর ভরাট করলেও পুরো রাস্তায় সঠিকভাবে কাজ করেননি। রাস্তাটি আগের মতই আছে।
এছাড়াও ইউপি সদস্যর বিরুদ্ধে নারী কেলেঙ্কারীর অভিযোগ রয়েছে।
ইউপি সদস্য মো. আনু মিয়া এ প্রতিবেদককে বলেন, ব্যক্তিগত আক্রোশ মেটাতে আমার বিরুদ্ধে একটি মহল এসব ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে। প্রকল্পের কাজটি আমি সঠিকভাবে সম্পন্ন করেছি।
এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. শিমুল আলী জানান, এ বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। উপজেলা প্রশাসনের দু’জন সরকারি কর্মকর্তা এ বিষয়ে সরেজমিন তদন্ত করেছেন। ইউপি সদস্যের সাথে অভিযোগকারীদের ব্যক্তিগত বিরোধ রয়েছে বলে জেনেছি।

পোস্ট শেয়ার করুন

সড়কের আংশিক কাজ করেই অর্থ আত্মসাত করলেন ইউপি সদস্য!

আপডেটের সময় : ০৮:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর ২০১৯

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার রাউৎগাঁও ইউনিয়নে ইউজিপি প্রকল্পের মাধ্যমে সড়কের মাটি ভারাটের আংশিক কাজ করেই বরাদ্ধের টাকা ইউপি সদস্য আত্ম সাত করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে । এই প্রকল্পে আংশিক কাজ করে পুরো বিল উত্তোলন করে আত্মসাত করেছেন মো. আনু মিয়া নামে এক ইউপি সদস্য। এ নিয়ে স্থানীয় এলাকাবাসী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে একটি লিখিত আবেদন করেন। যার অনুলিপি জেলা প্রশাসক ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরে উপজেলার রাউৎগাঁও ইউনিয়নে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচী (ইজিপিপি) ১ম পর্যায়ের ৪০ দিনের আওতায় “পালগ্রাম কনা মিয়ার বাড়ির পাশ হতে পালগ্রাম পাকা রাস্তা পর্যন্ত রাস্তা পুন:নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নে ২ লাখ ২৪ হাজার টাকা বরাদ্দ করা হয়। কাজের প্রকল্প সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পান স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. আনু মিয়া। গত বছরের ১ ডিসেম্বর কাজ শুরু হয়। এলাকাবাসীর অভিযোগ, রাস্তার পাশে একটি সাইনবোর্ড তৈরি করে প্রায় ২৫ হাজার টাকার লোক দেখানো কাজ করে বন্ধ করে দেন প্রকল্প সভাপতি। চলতি বছরের জানুয়ারী মাসে কাজ শেষ হবার কথা থাকলেও প্রকল্প সভাপতি ইউপি সদস্য মো. আনু মিয়া পুরো কাজ না করে বিলের টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এলাকাবাসী কাজ করার জন্য অনেকবার তাগদা দিলেও তিনি তাদের কথায় কোন কর্ণপাত করেননি।
সরেজমিন দেখা যায়, রাস্তার প্রায় জায়গায় গর্ত রয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক এলাকাবাসী জানান, ইউপি সদস্য আনু মিয়া রাস্তার পাশের জমি থেকে যথসামান্য মাটি রাস্তার ওপর ভরাট করলেও পুরো রাস্তায় সঠিকভাবে কাজ করেননি। রাস্তাটি আগের মতই আছে।
এছাড়াও ইউপি সদস্যর বিরুদ্ধে নারী কেলেঙ্কারীর অভিযোগ রয়েছে।
ইউপি সদস্য মো. আনু মিয়া এ প্রতিবেদককে বলেন, ব্যক্তিগত আক্রোশ মেটাতে আমার বিরুদ্ধে একটি মহল এসব ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে। প্রকল্পের কাজটি আমি সঠিকভাবে সম্পন্ন করেছি।
এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. শিমুল আলী জানান, এ বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। উপজেলা প্রশাসনের দু’জন সরকারি কর্মকর্তা এ বিষয়ে সরেজমিন তদন্ত করেছেন। ইউপি সদস্যের সাথে অভিযোগকারীদের ব্যক্তিগত বিরোধ রয়েছে বলে জেনেছি।