ঢাকা , শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০২৪, ৪ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
আপডেট :
প্রিয়জনদের মানসিক রোগ যদি আপনজন বুঝতে না পারেন আওয়ামীলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা ও অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা করেছে পর্তুগাল আওয়ামীলীগ যেকোনো প্রচেষ্টা এককভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব নয়: দুদক সচিব শ্রীমঙ্গলে দুটি চোরাই মোটরসাইকেল সহ মিল্টন কুমার আটক পর্তুগালের অভিবাসন আইনে ব্যাপক পরিবর্তন পর্তুগাল বিএনপি আহবায়ক কমিটির জুমে জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয় এমপি আনোয়ারুল আজিমকে হত্যার ঘটনায় আটক তিনজন , এতে বাংলাদেশী মানুষ জড়িত:স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকাস্থ ইরান দুতাবাসে রাইসির শোক বইয়ে মির্জা ফখরুলের স্বাক্ষর মুটো ফোনের আসক্তি দূর করবেন যেভাবে…

সংকট নিরসনে সু চির সামনে ‘শেষ সুযোগ’: জাতিসংঘ

অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : ০৯:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭
  • / ১২৪৫ টাইম ভিউ

রাখাইন রাজ্যে সেনা অভিযান বন্ধ করে রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চির সামনে ‘একটি শেষ সুযোগ’ রয়েছে বলে মনে করছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন শুরুর আগে বিবিসির হার্ডটক অনুষ্ঠানে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ অভিমত ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, সু চি এখনই যথাযথ ভূমিকা না নিলে তা হবে ‘ভয়াবহ বিপর্যয়’।

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে গত ২৫ আগস্ট পুলিশের বেশ কিছু চৌকিতে হামলার পর সেখানে অভিযান শুরু করে দেশটির সেনাবাহিনী। ওই অভিযান শুরুর পর থেকে প্রাণ বাঁচাতে দলের দলে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশ ঢুকতে শুরু করে।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়, রাখাইন রাজ্যে সেনা অভিযান শুরুর পর থেকে ৪ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে ঢুকেছে।

মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ বলছে, পুলিশের চৌকিতে হামলার জন্য রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের সংগঠন আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (এআরএসএ) দায়ী এবং তাদের দমন করতেই রাখাইনে সেনা অভিযান চালানো হচ্ছে। এছাড়া রোহিঙ্গা বিদ্রোহীরাই রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দিচ্ছে বলেও দাবি মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের।

তবে রাখাইনে সেনা অভিযান শুরুর পর সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি থেকে বাঁচতে পালিয়ে সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে ঢোকা রোহিঙ্গাদের বেশির ভাগই বলছে, সন্ত্রাস দমনের নামে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের নির্যাতন, ধর্ষণ ও হত্যা করছে এবং তাদের ঘরাবাড়ি জ্বালিয়ে দিচ্ছে।

জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, আগামী মঙ্গলবার জাতির উদ্দেশ্যে যে ভাষণ অং সান সু চি দেবেন সেখানে সেনা অভিযান বন্ধে তার সামনে একটি শেষ সুযোগ রয়েছে।

তিনি বলেন, ‘তিনি (সু চি) যদি এখনই পরিস্থিতি না বদলান, সেক্ষেত্রে আমি মনে করি, ভয়াবহ বিপর্যয় হবে এবং ভবিষ্যতে এই পরিস্থিতি আর বদলানো যাবে বলে আমার মনে হয় না।’

গুতেরেস আরও বলেন, এটা সুস্পষ্ট যে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীই দেশটিতে এখনও কর্তৃত্ব করছে। রাখাইন রাজ্যে যা হচ্ছে তা সেনাবাহিনীর কারণেই হচ্ছে।

এছাড়া সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে তাদের নিজ বাড়িতে ফিরতে দেওয়া উচিত বলেও উল্লেখ করেন জাতিসংঘ মহাসচিব।

পোস্ট শেয়ার করুন

সংকট নিরসনে সু চির সামনে ‘শেষ সুযোগ’: জাতিসংঘ

আপডেটের সময় : ০৯:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭

রাখাইন রাজ্যে সেনা অভিযান বন্ধ করে রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চির সামনে ‘একটি শেষ সুযোগ’ রয়েছে বলে মনে করছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন শুরুর আগে বিবিসির হার্ডটক অনুষ্ঠানে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ অভিমত ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, সু চি এখনই যথাযথ ভূমিকা না নিলে তা হবে ‘ভয়াবহ বিপর্যয়’।

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে গত ২৫ আগস্ট পুলিশের বেশ কিছু চৌকিতে হামলার পর সেখানে অভিযান শুরু করে দেশটির সেনাবাহিনী। ওই অভিযান শুরুর পর থেকে প্রাণ বাঁচাতে দলের দলে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশ ঢুকতে শুরু করে।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়, রাখাইন রাজ্যে সেনা অভিযান শুরুর পর থেকে ৪ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে ঢুকেছে।

মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ বলছে, পুলিশের চৌকিতে হামলার জন্য রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের সংগঠন আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (এআরএসএ) দায়ী এবং তাদের দমন করতেই রাখাইনে সেনা অভিযান চালানো হচ্ছে। এছাড়া রোহিঙ্গা বিদ্রোহীরাই রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দিচ্ছে বলেও দাবি মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের।

তবে রাখাইনে সেনা অভিযান শুরুর পর সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি থেকে বাঁচতে পালিয়ে সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে ঢোকা রোহিঙ্গাদের বেশির ভাগই বলছে, সন্ত্রাস দমনের নামে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের নির্যাতন, ধর্ষণ ও হত্যা করছে এবং তাদের ঘরাবাড়ি জ্বালিয়ে দিচ্ছে।

জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, আগামী মঙ্গলবার জাতির উদ্দেশ্যে যে ভাষণ অং সান সু চি দেবেন সেখানে সেনা অভিযান বন্ধে তার সামনে একটি শেষ সুযোগ রয়েছে।

তিনি বলেন, ‘তিনি (সু চি) যদি এখনই পরিস্থিতি না বদলান, সেক্ষেত্রে আমি মনে করি, ভয়াবহ বিপর্যয় হবে এবং ভবিষ্যতে এই পরিস্থিতি আর বদলানো যাবে বলে আমার মনে হয় না।’

গুতেরেস আরও বলেন, এটা সুস্পষ্ট যে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীই দেশটিতে এখনও কর্তৃত্ব করছে। রাখাইন রাজ্যে যা হচ্ছে তা সেনাবাহিনীর কারণেই হচ্ছে।

এছাড়া সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে তাদের নিজ বাড়িতে ফিরতে দেওয়া উচিত বলেও উল্লেখ করেন জাতিসংঘ মহাসচিব।