ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

শিক্ষককে পিটিয়ে হত্যা করলেন চেয়ারম্যান

দেশদিগন্ত নিউজ ডেস্কঃ
  • আপডেটের সময় : ১১:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মার্চ ২০১৯
  • / ৯৩৯ টাইম ভিউ

মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার কাদিরপাড়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুর রউফকে (৪০) পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে মহম্মদপুর উপজেলার বালিদিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পান্নু মোল্যার বিরুদ্ধে। সোমবার রাত ৯টার দিকে মাওলানা আব্দুর রউফ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মাগুরা সদর হাসপাতালে মারা যান। এর আগে গত বৃহস্পতিবার তাকে পিটিয়ে আহত করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে।

নিহতের ছোট ভাই মিলিন ফকির জানান, নিহত মাওলানা আব্দুর রউফ মহম্মদপুর উপজেলার ঘোষপুরে কয়েক বছর আগে হাজী মছলেম উদ্দীন টেকনিক্যাল কলেজ নামের একটি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। ওই প্রতিষ্ঠানের সীমানার কিছু মূল্যবান গাছ অত্র এলাকার চেয়ারম্যান পান্নু মোল্যা প্রভাব খাটিয়ে কেটে নেন।

এ ঘটনার বিচার চেয়ে নিহত মাওলানা আব্দুর রউফ মাগুরা জজ কোর্টে একটি মামলা দায়ের করেন। এই মামলার জের ধরে গত বৃহস্পতিবার বড়রিয়া বাজার এলাকায় পান্নু চেয়ারম্যান ও তার সমর্থক আজাদ, খালেক, নজরুল, আমিনুল কাজীসহ বেশ কয়েকজন দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র ও লাঠিসোটা দিয়ে মাওলানা আব্দুর রউফকে পিটিয়ে গুরুত্ব জখম করে। পরে স্থানীয় লোকজন আহত মাওলানাকে উদ্ধার করে মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে আনলে ওই দিনই উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে মাগুরা দুইশো পঞ্চাশ শয্যা হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। ২৫ মার্চ সোমবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় মাওলানা আব্দুর রউফ হাসপাতালে মৃত্যু বরণ করেন।

নিহতের খালাতো ভাই মো: সাচ্চু মিয়া জানান- মহম্মদপুরের বালিদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান ক্ষমতাসীন দলের ছত্র ছায়ায় থাকায় এসব ঘটনাকে ধামাচাপা দিতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন সাচ্চু মিয়া ও তার সমর্থকরা। এমনকি হুমকি ধামকিসহ প্রাণ নাশেরও আশঙ্গা দেখা দিয়েছে।

এ বিষয়ে পান্নু মোল্যার মুঠো ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়।

মাগুরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান লিখিত অভিযোগ পেলে পুলিশ আইনআনুগ ব্যবস্থা গ্রহন করবে।

পোস্ট শেয়ার করুন

শিক্ষককে পিটিয়ে হত্যা করলেন চেয়ারম্যান

আপডেটের সময় : ১১:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মার্চ ২০১৯

মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার কাদিরপাড়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুর রউফকে (৪০) পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে মহম্মদপুর উপজেলার বালিদিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পান্নু মোল্যার বিরুদ্ধে। সোমবার রাত ৯টার দিকে মাওলানা আব্দুর রউফ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মাগুরা সদর হাসপাতালে মারা যান। এর আগে গত বৃহস্পতিবার তাকে পিটিয়ে আহত করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে।

নিহতের ছোট ভাই মিলিন ফকির জানান, নিহত মাওলানা আব্দুর রউফ মহম্মদপুর উপজেলার ঘোষপুরে কয়েক বছর আগে হাজী মছলেম উদ্দীন টেকনিক্যাল কলেজ নামের একটি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। ওই প্রতিষ্ঠানের সীমানার কিছু মূল্যবান গাছ অত্র এলাকার চেয়ারম্যান পান্নু মোল্যা প্রভাব খাটিয়ে কেটে নেন।

এ ঘটনার বিচার চেয়ে নিহত মাওলানা আব্দুর রউফ মাগুরা জজ কোর্টে একটি মামলা দায়ের করেন। এই মামলার জের ধরে গত বৃহস্পতিবার বড়রিয়া বাজার এলাকায় পান্নু চেয়ারম্যান ও তার সমর্থক আজাদ, খালেক, নজরুল, আমিনুল কাজীসহ বেশ কয়েকজন দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র ও লাঠিসোটা দিয়ে মাওলানা আব্দুর রউফকে পিটিয়ে গুরুত্ব জখম করে। পরে স্থানীয় লোকজন আহত মাওলানাকে উদ্ধার করে মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে আনলে ওই দিনই উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে মাগুরা দুইশো পঞ্চাশ শয্যা হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। ২৫ মার্চ সোমবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় মাওলানা আব্দুর রউফ হাসপাতালে মৃত্যু বরণ করেন।

নিহতের খালাতো ভাই মো: সাচ্চু মিয়া জানান- মহম্মদপুরের বালিদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান ক্ষমতাসীন দলের ছত্র ছায়ায় থাকায় এসব ঘটনাকে ধামাচাপা দিতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন সাচ্চু মিয়া ও তার সমর্থকরা। এমনকি হুমকি ধামকিসহ প্রাণ নাশেরও আশঙ্গা দেখা দিয়েছে।

এ বিষয়ে পান্নু মোল্যার মুঠো ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়।

মাগুরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান লিখিত অভিযোগ পেলে পুলিশ আইনআনুগ ব্যবস্থা গ্রহন করবে।