ঢাকা , সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ২ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

রাজনৈতিক তান্ডপের স্বীকার কলেজটি আজ সরকারিকরণের পথে

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটের সময় : ১১:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২০
  • / ৪৬৮ টাইম ভিউ

ডেস্ক রিপোর্টঃ ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে অজপাড়া গাঁয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে কলেজটির নামকরণ করায় ২০০১ সালে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা পরায়ণ হয়ে গুড়িয়ে দেওয়া হয়।একটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উপর ক্ষমতাসীন সরকারের ছত্রছায়ায় এরুপ তাণ্ডব এর আগে শোনেওনি কেও কখনো। তারপরও খুড়িয়ে খুড়িয়ে চলতে থাকে কলেজটির কার্যক্রম। থেমে থাকেননি কলেজটির প্রতিষ্ঠাতা কালীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ডা: রাশেদ শমসের। কলেজটি প্রতিষ্ঠিত করতে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে দিনের পর দিন ধর্ণা দিয়েছেন এই মানুষটি। অবশেষে ডা: রাশেদ শমসের এর আন্তরিক প্রচেষ্ঠায় আশার আলো সঞ্চারিত হয়েছে কলেজের শিক্ষক, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের মাঝে। কলেজটি সরকারিকরণ হওয়ায় খুশি হয়েছেন এলাকাবাসীসহ কালীগঞ্জ উপজেলার সর্বস্তরের মানুষ।

জানা গেছে, ২০০৭ সালে কলেজটি ধ্বংস স্তুপের উপরেই নতুন করে পাঠদানের কার্যক্রম শুরু করে। ২০০৯ সালে বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নির্দেশে কলেজটি ট্রাস্টের অন্তর্ভুক্ত হয়। ২০১০ সালে কলেজটি পায় একাডেমিক স্বীকৃতি । রাজনৈতিক রোষানলের স্বীকার কলেজটির তদন্তের জন্য কমিশন গঠন হয়। ২০১০ সালে সাবেক বিচারপতি কলেজটি পরিদর্শনে আসেন। সেই সাথে গুড়িয়ে দেয়া কলেজটির ধ্বংসাবস্থা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন তিনি। ২০১৭ সালে কলেজটিতে ডিগ্রি শাখা অনুমোদন দেওয়া হয়। ২০১৯ সালের ১২ নভেম্বর বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বিশেষ সুপারিশে কলেজটি এমপিও ভুক্ত হয়। সেই সাথে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু নামে কলেজটির নামকরণ হওয়ায় ১৫ জানুয়ারি, ২০২০ তারিখে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার শমসের নগর এলাকার জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেমোরিয়াল মহাবিদ্যালয়টি সরকারিকরণ করা হয়েছে।

১৪ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক-৭ মোহাম্মদ রফিকুল আলম স্বাক্ষরিত চিঠিতে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। এতে মোট বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামের ২৮টি প্রতিষ্ঠান সরকারিকরণ করার ঘোষণা দেওয়া হয়। কলেজটি সরকারিকরণে প্রধানমন্ত্রী অনুমোদন দেওয়াতে কলেজের সুযোগ্য প্রতিষ্ঠাতা ও অধ্যক্ষ জনাব মোঃ শফিকুল ইসলাম সহ কলেজের সকল শিক্ষক কর্মকর্তা-কর্মচারী দেশরত্ন জননেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি অশেষ কৃতঙ্গতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন।

পোস্ট শেয়ার করুন

রাজনৈতিক তান্ডপের স্বীকার কলেজটি আজ সরকারিকরণের পথে

আপডেটের সময় : ১১:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২০

ডেস্ক রিপোর্টঃ ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে অজপাড়া গাঁয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে কলেজটির নামকরণ করায় ২০০১ সালে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা পরায়ণ হয়ে গুড়িয়ে দেওয়া হয়।একটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উপর ক্ষমতাসীন সরকারের ছত্রছায়ায় এরুপ তাণ্ডব এর আগে শোনেওনি কেও কখনো। তারপরও খুড়িয়ে খুড়িয়ে চলতে থাকে কলেজটির কার্যক্রম। থেমে থাকেননি কলেজটির প্রতিষ্ঠাতা কালীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ডা: রাশেদ শমসের। কলেজটি প্রতিষ্ঠিত করতে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে দিনের পর দিন ধর্ণা দিয়েছেন এই মানুষটি। অবশেষে ডা: রাশেদ শমসের এর আন্তরিক প্রচেষ্ঠায় আশার আলো সঞ্চারিত হয়েছে কলেজের শিক্ষক, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের মাঝে। কলেজটি সরকারিকরণ হওয়ায় খুশি হয়েছেন এলাকাবাসীসহ কালীগঞ্জ উপজেলার সর্বস্তরের মানুষ।

জানা গেছে, ২০০৭ সালে কলেজটি ধ্বংস স্তুপের উপরেই নতুন করে পাঠদানের কার্যক্রম শুরু করে। ২০০৯ সালে বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নির্দেশে কলেজটি ট্রাস্টের অন্তর্ভুক্ত হয়। ২০১০ সালে কলেজটি পায় একাডেমিক স্বীকৃতি । রাজনৈতিক রোষানলের স্বীকার কলেজটির তদন্তের জন্য কমিশন গঠন হয়। ২০১০ সালে সাবেক বিচারপতি কলেজটি পরিদর্শনে আসেন। সেই সাথে গুড়িয়ে দেয়া কলেজটির ধ্বংসাবস্থা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন তিনি। ২০১৭ সালে কলেজটিতে ডিগ্রি শাখা অনুমোদন দেওয়া হয়। ২০১৯ সালের ১২ নভেম্বর বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বিশেষ সুপারিশে কলেজটি এমপিও ভুক্ত হয়। সেই সাথে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু নামে কলেজটির নামকরণ হওয়ায় ১৫ জানুয়ারি, ২০২০ তারিখে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার শমসের নগর এলাকার জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেমোরিয়াল মহাবিদ্যালয়টি সরকারিকরণ করা হয়েছে।

১৪ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক-৭ মোহাম্মদ রফিকুল আলম স্বাক্ষরিত চিঠিতে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। এতে মোট বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামের ২৮টি প্রতিষ্ঠান সরকারিকরণ করার ঘোষণা দেওয়া হয়। কলেজটি সরকারিকরণে প্রধানমন্ত্রী অনুমোদন দেওয়াতে কলেজের সুযোগ্য প্রতিষ্ঠাতা ও অধ্যক্ষ জনাব মোঃ শফিকুল ইসলাম সহ কলেজের সকল শিক্ষক কর্মকর্তা-কর্মচারী দেশরত্ন জননেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি অশেষ কৃতঙ্গতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন।