ঢাকা , বুধবার, ১২ জুন ২০২৪, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

রাজনগরে প্রতিপক্ষের অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটের সময় : ০৮:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর ২০১৯
  • / ৭১০ টাইম ভিউ

রাজনগর প্রতিনিধি : মৌলভীবাজারের রাজনগরে জমি নিয়ে বিরোধে প্রতিপক্ষের করা সংবাদ সম্মেলনে আনা অভিযোগ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট দাবী করে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেন উপজেলার মুন্সিবাজার ইউনিয়নের বাঙ্গালী গ্রামের আবুল কালাম আজাদ। সোমবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে রাজনগর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন আব্দুল খালিক মাষ্টারের ছেলে আবুল কালাম আজাদ।

লিখিত বক্তব্যে আবুল কালাম আজাদ বলেন, গত ১৪ অক্টোবর উপজেলার মুন্সিবাজার ইউনিয়নের বাঙ্গালী গ্রামের সেলিম আহমদ রাজনগর প্রেসক্লাবে আমি ও আমার বাবা আব্দুল খালিক মাষ্টারকে জড়িয়ে যেসব অভিযোগ করেছেন তা মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও কাল্পনিক। গত ৫ সেপ্টেম্বর আমার চাচা মৃত আনিছুর রহমানের জানাযা ও দাফনের আয়োজনে ব্যস্ত থাকাকালে সেলিম আহমদের সীমানা প্রাচীরের পাশে আমাদের জমিতে লাগানো গাছ সেলিম আহমদ ও তার লোকজন কেটে নিয়ে যায়। এসময় বাধা দিতে গেলে আমাদের বাড়ির কেয়ারটেকারকে হুমকি-ধমকি দেয়া হয়। বিষয়টি স্থানীয়দের সাথে আলাপ করলে তারা আইনর আশ্রয় নিতে আমাদের পরামর্শ দেন। ঘটনার পর আমি বাদী হয়ে মৌলভীবাজার চীপ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলা (নং-২৩৬/১৯) করি। পরবর্তীতে জমি দখলের অভিযোগে আমার বাবা আব্দুল খালিক অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে আরো একটি মামলা (নং-২০১/১৯) করেন।

তিনি আরো বলেন, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাগণ ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত করে সতত্যা পেয়ে ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট আদালতে রিপোর্ট দিয়েছেন। এই প্রেক্ষিতে ওই জমিতে ১৪৪ ধারা জারি সত্তে¡ও সেলিম আহমদের নির্দেশে গত ১৪ অক্টোবর সকালে আবারো আমাদের গাছ কেটে নিয়ে যায় তার দলবল। এব্যাপারে ওইদিন রাজনগর থানায় আমার বাবা আব্দুল খালিক লিখিত অভিযোগ করেন। আমরা দাঙ্গা-হাঙ্গামায় না জড়িয়ে আইন মান্য করি বলেই আইনের আশ্রয় নিয়েছি। তিনি বলেন, সেলিম আহমদ গত ১৪ অক্টোবর রাজনগর প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে আমি ও আমার বাবাকে জড়িয়ে রাস্তার জমি দখলের যে অভিযোগ করেছেন তা মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। আমাদের জমির মালিকানার যাবতীয় কাগজপত্র রয়েছে। বরং আমাদের জমির গাছ কেটে নিয়ে ও জমি দখল করে তিনি সংবাদ সম্মেলনে আমাদের বিরোদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে হয়রানি ও সম্মানহানী করে যাচ্ছেন।

পোস্ট শেয়ার করুন

রাজনগরে প্রতিপক্ষের অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন

আপডেটের সময় : ০৮:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর ২০১৯

রাজনগর প্রতিনিধি : মৌলভীবাজারের রাজনগরে জমি নিয়ে বিরোধে প্রতিপক্ষের করা সংবাদ সম্মেলনে আনা অভিযোগ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট দাবী করে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেন উপজেলার মুন্সিবাজার ইউনিয়নের বাঙ্গালী গ্রামের আবুল কালাম আজাদ। সোমবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে রাজনগর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন আব্দুল খালিক মাষ্টারের ছেলে আবুল কালাম আজাদ।

লিখিত বক্তব্যে আবুল কালাম আজাদ বলেন, গত ১৪ অক্টোবর উপজেলার মুন্সিবাজার ইউনিয়নের বাঙ্গালী গ্রামের সেলিম আহমদ রাজনগর প্রেসক্লাবে আমি ও আমার বাবা আব্দুল খালিক মাষ্টারকে জড়িয়ে যেসব অভিযোগ করেছেন তা মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও কাল্পনিক। গত ৫ সেপ্টেম্বর আমার চাচা মৃত আনিছুর রহমানের জানাযা ও দাফনের আয়োজনে ব্যস্ত থাকাকালে সেলিম আহমদের সীমানা প্রাচীরের পাশে আমাদের জমিতে লাগানো গাছ সেলিম আহমদ ও তার লোকজন কেটে নিয়ে যায়। এসময় বাধা দিতে গেলে আমাদের বাড়ির কেয়ারটেকারকে হুমকি-ধমকি দেয়া হয়। বিষয়টি স্থানীয়দের সাথে আলাপ করলে তারা আইনর আশ্রয় নিতে আমাদের পরামর্শ দেন। ঘটনার পর আমি বাদী হয়ে মৌলভীবাজার চীপ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলা (নং-২৩৬/১৯) করি। পরবর্তীতে জমি দখলের অভিযোগে আমার বাবা আব্দুল খালিক অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে আরো একটি মামলা (নং-২০১/১৯) করেন।

তিনি আরো বলেন, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাগণ ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত করে সতত্যা পেয়ে ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট আদালতে রিপোর্ট দিয়েছেন। এই প্রেক্ষিতে ওই জমিতে ১৪৪ ধারা জারি সত্তে¡ও সেলিম আহমদের নির্দেশে গত ১৪ অক্টোবর সকালে আবারো আমাদের গাছ কেটে নিয়ে যায় তার দলবল। এব্যাপারে ওইদিন রাজনগর থানায় আমার বাবা আব্দুল খালিক লিখিত অভিযোগ করেন। আমরা দাঙ্গা-হাঙ্গামায় না জড়িয়ে আইন মান্য করি বলেই আইনের আশ্রয় নিয়েছি। তিনি বলেন, সেলিম আহমদ গত ১৪ অক্টোবর রাজনগর প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে আমি ও আমার বাবাকে জড়িয়ে রাস্তার জমি দখলের যে অভিযোগ করেছেন তা মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। আমাদের জমির মালিকানার যাবতীয় কাগজপত্র রয়েছে। বরং আমাদের জমির গাছ কেটে নিয়ে ও জমি দখল করে তিনি সংবাদ সম্মেলনে আমাদের বিরোদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে হয়রানি ও সম্মানহানী করে যাচ্ছেন।